০৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের বিশ্ব রেকর্ডের ইতিহাস

বিশ্ব টি-টোয়েন্টি সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে এক অনন্য রেকর্ড সৃষ্টি করেছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক এই ম্যাচে ইংল্যান্ড অসাধারণ এক পারফরম্যান্স উপস্থাপন করে ২০ ওভারে ৩০৪ রান করে এগিয়ে গেছে। এটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের তৃতীয় সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর, যা আগে জিম্বাবুয়ে ৪ উইকেটে ৩৪৪ রান করে গাম্বিয়ার বিপক্ষে আর নেপাল ৩ উইকেটে ৩১৪ রান করে মঙ্গোলিয়ার বিরুদ্ধে করে ছিল। তবে এই রেকর্ডটি আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশ হিসেবে ইংল্যান্ডের, অর্থাৎ একেবারেই বৈধ এবং উল্লেখযোগ্য। গত শুক্রবার ম্যানচেস্টারে ওল্ড ট্রাফোর্ডে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড ১০ ওভারে ১৬৬ রান করে, এরপর ২০ ওভারে সম্পূর্ণ দল ৩০৪ রান তোলে।

অধিনায়ক ফিল সল্ডের অবিশ্বাস্য ইনিংস এই রেকর্ডকে আরও দৃষ্টিনন্দন করে তোলে। মাত্র ৬০ বল খেলে তিনি ১৫টি চার ও ৮টি ছক্কা লাগিয়ে ১৪১ রান সংগ্রহ করেন, যা টি-টোয়েন্টির সপ্তম ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এই রেকর্ডটি আগে করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার অ্যারন ফিঞ্চ, যার সর্বোচ্চ ছিল ১৭২ রান। এছাড়া, আফগানিস্তানের হজরতউল্লাহ জাজাই ১৬২* রান করেন।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো, এই ম্যাচে আরও একটি রেকর্ড তৈরি হয়। ফিল সল্টের ঝলমলে ৮৩ রান (৩০ বল, ৮টি চার, ৭টি ছক্কা) জোড়া लागে, যেখানে জস বাটলার ২১ বলে ৫টি চার আর এক ছক্কা দিয়ে ৪১ রান করেন। অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক খেলেন ৫১ বলে ৪১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস।

গানানার রান পাহাড় টপকাতে প্রস্তুত দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিরোধের মুখে পড়ে ১৬.১ ওভারে অলআউট হয়, যেখানে তারা ১৬৮ রানেই থামে। এই বিশাল ব্যবধানে ১৪৬ রানের জয় নিয়ে ইংল্যান্ড সিরিজে ১-১ সমতা ফেরায়। প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে অর্ধেকের বেশি খেলার সম্ভব হয়নি, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা ৭.৫ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৯৭ রান করে। ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ছিল ৫ ওভারে ৬৯ রান, যা তারা ৫ উইকেটে ৫৪ রানে হারিয়ে যায়। ডি এল মেথডে দক্ষিণ আফ্রিকা জয় লাভ করে।

পরবর্তী এবং শেষ ম্যাচটি হবে নটিংহ্যামে, যেখানে সিরিজের পরিচ্ছন্ন সমাপ্তি ঘটবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের বিশ্ব রেকর্ডের ইতিহাস

প্রকাশিতঃ ১০:৫২:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিশ্ব টি-টোয়েন্টি সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে এক অনন্য রেকর্ড সৃষ্টি করেছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক এই ম্যাচে ইংল্যান্ড অসাধারণ এক পারফরম্যান্স উপস্থাপন করে ২০ ওভারে ৩০৪ রান করে এগিয়ে গেছে। এটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের তৃতীয় সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর, যা আগে জিম্বাবুয়ে ৪ উইকেটে ৩৪৪ রান করে গাম্বিয়ার বিপক্ষে আর নেপাল ৩ উইকেটে ৩১৪ রান করে মঙ্গোলিয়ার বিরুদ্ধে করে ছিল। তবে এই রেকর্ডটি আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশ হিসেবে ইংল্যান্ডের, অর্থাৎ একেবারেই বৈধ এবং উল্লেখযোগ্য। গত শুক্রবার ম্যানচেস্টারে ওল্ড ট্রাফোর্ডে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড ১০ ওভারে ১৬৬ রান করে, এরপর ২০ ওভারে সম্পূর্ণ দল ৩০৪ রান তোলে।

অধিনায়ক ফিল সল্ডের অবিশ্বাস্য ইনিংস এই রেকর্ডকে আরও দৃষ্টিনন্দন করে তোলে। মাত্র ৬০ বল খেলে তিনি ১৫টি চার ও ৮টি ছক্কা লাগিয়ে ১৪১ রান সংগ্রহ করেন, যা টি-টোয়েন্টির সপ্তম ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এই রেকর্ডটি আগে করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার অ্যারন ফিঞ্চ, যার সর্বোচ্চ ছিল ১৭২ রান। এছাড়া, আফগানিস্তানের হজরতউল্লাহ জাজাই ১৬২* রান করেন।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো, এই ম্যাচে আরও একটি রেকর্ড তৈরি হয়। ফিল সল্টের ঝলমলে ৮৩ রান (৩০ বল, ৮টি চার, ৭টি ছক্কা) জোড়া लागে, যেখানে জস বাটলার ২১ বলে ৫টি চার আর এক ছক্কা দিয়ে ৪১ রান করেন। অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক খেলেন ৫১ বলে ৪১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস।

গানানার রান পাহাড় টপকাতে প্রস্তুত দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিরোধের মুখে পড়ে ১৬.১ ওভারে অলআউট হয়, যেখানে তারা ১৬৮ রানেই থামে। এই বিশাল ব্যবধানে ১৪৬ রানের জয় নিয়ে ইংল্যান্ড সিরিজে ১-১ সমতা ফেরায়। প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে অর্ধেকের বেশি খেলার সম্ভব হয়নি, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা ৭.৫ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৯৭ রান করে। ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ছিল ৫ ওভারে ৬৯ রান, যা তারা ৫ উইকেটে ৫৪ রানে হারিয়ে যায়। ডি এল মেথডে দক্ষিণ আফ্রিকা জয় লাভ করে।

পরবর্তী এবং শেষ ম্যাচটি হবে নটিংহ্যামে, যেখানে সিরিজের পরিচ্ছন্ন সমাপ্তি ঘটবে।