০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বাংলাদেশে কার্ড ছাড়াই সহজ ইএমআই সুবিধা নিয়ে এলো টপপে

চীনের পরিচিত আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান টপপে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। আজ ২৭ সেপ্টেম্বর গুলশান-১ এ তাদের অফিসে এক正式 উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। এই উদ্যোগ বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য আরও সহজ, ঝামেলাহীন ও সুবিধাজনক মোবাইল কেনার সুযোগ তৈরি করতে সাহায্য করবে।

টপপের মূল লক্ষ্য হলো পেমেন্টের সহজ পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে অধিকাংশ মানুষের জন্য আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা। তারা কার্ড ছাড়া ইএমআই (কিস্তি) সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য খুবই সহজে কিস্তিতে মোবাইল ফোন কেনার ব্যবস্থা করছে। এতে গ্রাহকদের ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজন হবে না এবং হঠাৎ বড় অঙ্কের টাকা খরচের ঝামেলা কমে যাবে। এতে করে আধুনিক স্মার্টফোন আরো দ্রুত ও সহজলভ্য হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টপপে মোবাইল ব্র্যান্ড অপো, রিয়েলমি ও ওয়ানপ্লাসের সঙ্গে পারস্পরিক অংশীদারিত্বের ঘোষণা দেয়। এর ফলে গ্রাহকেরা স্বাচ্ছন্দ্যে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফোন সহজ কিস্তিতে কিনতে পারবেন এবং প্রয়োজন অনুসারে ডিভাইস আপগ্রেড করার সুবিধাও পাবেন। বিশেষ করে তরুণ ও পেশাজীবীদের জন্য এটি নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে আরও সহজলভ্যতা এনে দেবে।

এসময় টপপে’র সিইও চেনফেই বলেন – “আমরা ইতোমধ্যে ৩৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছি এবং ভবিষ্যতে আরও ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে ১৫ লাখের বেশি গ্রাহককে সেবা দেওয়া। শুধুমাত্র মোবাইল ফাইন্যান্সিং নয়, ভবিষ্যতে আমরা অন্যান্য আর্থিক সেবা, পেমেন্ট সেবা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দাতব্য কাজেও এগিয়ে যাবো।”

বাংলাদেশে টপপে কেবল মোবাইল কেনার পদ্ধতিই পরিবর্তন করবে না; বরং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ডিজিটাল রূপান্তরেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সহজ কিস্তিতে মোবাইল কেনা সম্ভব হলে বেশি সংখ্যক মানুষ আধুনিক স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারবে, ফলে ডিজিটাল সেবার ব্যবহার বাড়বে এবং আরও সংযুক্ত, প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ গড়ে উঠবে।

টপপের এই উদ্যোগ demonstrates যে তারা শুধু ব্যবসা উন্নয়নে নয়, বরং বাংলাদেশের টেক ইকোসিস্টেম ও গ্রাহকদের পরিবর্তিত চাহিদা অনুযায়ী এগোতে চায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বাংলাদেশে কার্ড ছাড়াই সহজ ইএমআই সুবিধা নিয়ে এলো টপপে

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চীনের পরিচিত আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান টপপে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। আজ ২৭ সেপ্টেম্বর গুলশান-১ এ তাদের অফিসে এক正式 উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। এই উদ্যোগ বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য আরও সহজ, ঝামেলাহীন ও সুবিধাজনক মোবাইল কেনার সুযোগ তৈরি করতে সাহায্য করবে।

টপপের মূল লক্ষ্য হলো পেমেন্টের সহজ পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে অধিকাংশ মানুষের জন্য আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা। তারা কার্ড ছাড়া ইএমআই (কিস্তি) সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য খুবই সহজে কিস্তিতে মোবাইল ফোন কেনার ব্যবস্থা করছে। এতে গ্রাহকদের ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজন হবে না এবং হঠাৎ বড় অঙ্কের টাকা খরচের ঝামেলা কমে যাবে। এতে করে আধুনিক স্মার্টফোন আরো দ্রুত ও সহজলভ্য হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টপপে মোবাইল ব্র্যান্ড অপো, রিয়েলমি ও ওয়ানপ্লাসের সঙ্গে পারস্পরিক অংশীদারিত্বের ঘোষণা দেয়। এর ফলে গ্রাহকেরা স্বাচ্ছন্দ্যে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফোন সহজ কিস্তিতে কিনতে পারবেন এবং প্রয়োজন অনুসারে ডিভাইস আপগ্রেড করার সুবিধাও পাবেন। বিশেষ করে তরুণ ও পেশাজীবীদের জন্য এটি নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে আরও সহজলভ্যতা এনে দেবে।

এসময় টপপে’র সিইও চেনফেই বলেন – “আমরা ইতোমধ্যে ৩৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছি এবং ভবিষ্যতে আরও ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে ১৫ লাখের বেশি গ্রাহককে সেবা দেওয়া। শুধুমাত্র মোবাইল ফাইন্যান্সিং নয়, ভবিষ্যতে আমরা অন্যান্য আর্থিক সেবা, পেমেন্ট সেবা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দাতব্য কাজেও এগিয়ে যাবো।”

বাংলাদেশে টপপে কেবল মোবাইল কেনার পদ্ধতিই পরিবর্তন করবে না; বরং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ডিজিটাল রূপান্তরেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সহজ কিস্তিতে মোবাইল কেনা সম্ভব হলে বেশি সংখ্যক মানুষ আধুনিক স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারবে, ফলে ডিজিটাল সেবার ব্যবহার বাড়বে এবং আরও সংযুক্ত, প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ গড়ে উঠবে।

টপপের এই উদ্যোগ demonstrates যে তারা শুধু ব্যবসা উন্নয়নে নয়, বরং বাংলাদেশের টেক ইকোসিস্টেম ও গ্রাহকদের পরিবর্তিত চাহিদা অনুযায়ী এগোতে চায়।