০৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বাংলাদেশ- Канাডা বাণিজ্য উন্নয়নে বিজিএমইএ ও বিবিসিসির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

দেশের শীর্ষ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সংগঠন বিজিএমইএ ও বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব কানাডার (বিবিসিসি) বৃহস্পতিবার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো, বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও মজবুত করা এবং পারস্পরিক ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করা।

রাজধানীর উত্তরার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে এক অনুষ্ঠানে, বিজিএমইএর পক্ষ থেকে সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং বিবিসিসির পক্ষ থেকে সভাপতি আলমগীর এম রহমান এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সেলিম রহমান, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান, সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম, অর্থ সহসভাপতি মিজানুর রহমান, পরিচালক ফয়সাল সামাদ, পরিচালক নাফিস-উ-দৌলা সহ আরও অনেকেই।

সমঝোতা অনুযায়ী, বিজিএমইএ ও বিবিসিসি তাদের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সুবিধা ও জ্ঞান বিনিময় বৃদ্ধি করবে। এর মাধ্যমে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রশিক্ষণ এবং নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা আরও সক্রিয় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে ব্যবসায়ীক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং উভয় দেশের অর্থব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, “বিবিসিসির সঙ্গে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি কানাডা ও উত্তর আমেরিকা বাজারে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর সুযোগ বৃদ্ধি করবে। উন্নত বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জ্ঞানের বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।”

চুক্তির আওতায়, উভয় পক্ষ যৌথভাবে কাজ করবে- সদস্যদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং ও জ্ঞান বিনিময় বাড়ানো, কানাডা ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য মেলা ও প্রদর্শনীর আয়োজন, বাংলাদেশের পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের প্রচার, উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের জন্য প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও যৌথ উদ্যোগের উৎসাহ দেওয়া, এবং আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা ও নীতিমালা বিষয়ক গবেষণার তথ্য বিনিময়। এটি বাংলাদেশ- কানাডা সম্পর্কের নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বাংলাদেশ- Канাডা বাণিজ্য উন্নয়নে বিজিএমইএ ও বিবিসিসির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

দেশের শীর্ষ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সংগঠন বিজিএমইএ ও বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব কানাডার (বিবিসিসি) বৃহস্পতিবার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো, বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও মজবুত করা এবং পারস্পরিক ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করা।

রাজধানীর উত্তরার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে এক অনুষ্ঠানে, বিজিএমইএর পক্ষ থেকে সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং বিবিসিসির পক্ষ থেকে সভাপতি আলমগীর এম রহমান এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সেলিম রহমান, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান, সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম, অর্থ সহসভাপতি মিজানুর রহমান, পরিচালক ফয়সাল সামাদ, পরিচালক নাফিস-উ-দৌলা সহ আরও অনেকেই।

সমঝোতা অনুযায়ী, বিজিএমইএ ও বিবিসিসি তাদের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সুবিধা ও জ্ঞান বিনিময় বৃদ্ধি করবে। এর মাধ্যমে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রশিক্ষণ এবং নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা আরও সক্রিয় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে ব্যবসায়ীক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং উভয় দেশের অর্থব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, “বিবিসিসির সঙ্গে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি কানাডা ও উত্তর আমেরিকা বাজারে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর সুযোগ বৃদ্ধি করবে। উন্নত বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জ্ঞানের বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।”

চুক্তির আওতায়, উভয় পক্ষ যৌথভাবে কাজ করবে- সদস্যদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং ও জ্ঞান বিনিময় বাড়ানো, কানাডা ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য মেলা ও প্রদর্শনীর আয়োজন, বাংলাদেশের পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের প্রচার, উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের জন্য প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও যৌথ উদ্যোগের উৎসাহ দেওয়া, এবং আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা ও নীতিমালা বিষয়ক গবেষণার তথ্য বিনিময়। এটি বাংলাদেশ- কানাডা সম্পর্কের নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে মনে করা হচ্ছে।