০৫:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আজাদ মসজিদে তারেক রহমানের মা’র জন্য দোয়া কামনা

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে। এই বিশিষ্ট নেত্রীর জন্য প্রার্থনা করতে আজাদ মসজিদে উপস্থিত হন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকাল চারটার দিকে তিনি গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে (আজাদ মসজিদ) এসে এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন।

তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র অন্যান্য শীর্ষ নেতা ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। নামাজ শেষে তিনি খালেদা জিয়ার অবর্তমানে তার আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করেন। এ সময়ে তার স্বল্পদূর অবস্থান থেকে তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান, শামিলা রহমান সিঁথি, জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা, চিফ হুইপ, যুগ্ম মহাসচিব, নেতারা এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও এই দোয়ায় অংশ নেন। এ ছাড়া, এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর বিএনপি ও অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মীরাও, যারা collectively খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও শান্তি কামনা করেন।

অন্যদিকে, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশব্যাপী সর্বস্তরের মানুষের শোক প্রকাশের ধারাবাহিকতা হিসেবে, বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন এই দোয়া মাহফিলে। এবาสংর্বন্ধে শোক প্রকাশ ও খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

এটি আশা করা হয় যে, আল্লাহপাক খালেদা জিয়াকে জান্নাতের বসবাস দেন। ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন দিন রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হয়, যার মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ, সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও শোকের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে, ২৩ নভেম্বর থেকে চিকিৎসাধীন থাকা খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এর পরদিন, বুধবার তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান ও জানাজা শেষে স্বামী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে সোহরাবাদে সম্পন্ন হয় দাফন কর্মসূচি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আজাদ মসজিদে তারেক রহমানের মা’র জন্য দোয়া কামনা

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে। এই বিশিষ্ট নেত্রীর জন্য প্রার্থনা করতে আজাদ মসজিদে উপস্থিত হন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকাল চারটার দিকে তিনি গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে (আজাদ মসজিদ) এসে এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন।

তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র অন্যান্য শীর্ষ নেতা ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। নামাজ শেষে তিনি খালেদা জিয়ার অবর্তমানে তার আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করেন। এ সময়ে তার স্বল্পদূর অবস্থান থেকে তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান, শামিলা রহমান সিঁথি, জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা, চিফ হুইপ, যুগ্ম মহাসচিব, নেতারা এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও এই দোয়ায় অংশ নেন। এ ছাড়া, এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর বিএনপি ও অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মীরাও, যারা collectively খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও শান্তি কামনা করেন।

অন্যদিকে, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশব্যাপী সর্বস্তরের মানুষের শোক প্রকাশের ধারাবাহিকতা হিসেবে, বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন এই দোয়া মাহফিলে। এবาสংর্বন্ধে শোক প্রকাশ ও খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

এটি আশা করা হয় যে, আল্লাহপাক খালেদা জিয়াকে জান্নাতের বসবাস দেন। ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন দিন রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হয়, যার মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ, সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও শোকের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে, ২৩ নভেম্বর থেকে চিকিৎসাধীন থাকা খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এর পরদিন, বুধবার তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান ও জানাজা শেষে স্বামী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে সোহরাবাদে সম্পন্ন হয় দাফন কর্মসূচি।