০৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ইরানে এক সপ্তাহ পর সীমিত আকারে ফিরল মোবাইল নেটওয়ার্ক: কেবল এসএমএস সুবিধা চালু

ইরানে চলমান তীব্র সরকারবিরোধী আন্দোলনের কারণে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকল। তবে রোববার থেকে দেশটির সরকারের সিদ্ধান্তে সীমিত আকারে মোবাইল নেটওয়ার্ক আবার চালু করা হয়েছে। ইরান ইন্টারন্যাশনাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এখন থেকে শুধু মোবাইল এসএমএস পাঠানো ও গ্রহণের সুবিধা চালু আছে। তবে ফোনকল বা ভয়েস কলের জন্য নেটওয়ার্কের সরাসরি সুবিধা এখনও কার্যকর হয়নি। একই সময় ইন্টারনেট পরিষেবাও এখনও পুরোপুরি চালু হয়নি। পরিবেশের এই চাপের মধ্যে, এর আগে ২০ দিন ধরে চলা বিক্ষোভে ইরান কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছিল। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এই প্রথম দেশজুড়ে এত ব্যাপক ও ভয়াবহ আন্দোলন দেখা যাচ্ছে। আন্দোলনের শুরু হয়েছিল গেল ২৮ ডিসেম্বর, রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ীরা জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবাদে ধর্মঘট ডাকের মাধ্যমে। পরে এই বিক্ষোভ দ্রুত ৩১টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং শহর ও গ্রামে হাঁটুতে হাঁটু করে দাঙ্গার সৃষ্টি করে। মূল কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে— দেশের অর্থনৈতিক দিকের অস্থিরতা ও মুদ্রার ভয়াবহ অবমূল্যায়ন। দীর্ঘদিনের মূল্যস্ফীতি ও মানের পতনের কারণে ইরানি রিয়েল আজ বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হয়েছে। একজন মার্কিন ডলের বিপরীতে বর্তমানে ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৫৫ ইরানি রিয়েল পাওয়া যায়। এই অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষ খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসার মতো মৌলিক চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন, যা তাদের রাস্তায় নামতে বাধ্য করেছে। জানুয়ারির ৭ তারিখ থেকে ইরান সরকার ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। এখনো পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১২ হাজারের বেশি বলে জানা গেছে, আরও অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। পরিস্থিতি এখনো তড়িঘড়ি করছে, যদিও সাময়িকভাবে নেটওয়ার্ক চালু হলেও পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক ও অস্থিতিশীল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ইরানে এক সপ্তাহ পর সীমিত আকারে ফিরল মোবাইল নেটওয়ার্ক: কেবল এসএমএস সুবিধা চালু

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানে চলমান তীব্র সরকারবিরোধী আন্দোলনের কারণে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকল। তবে রোববার থেকে দেশটির সরকারের সিদ্ধান্তে সীমিত আকারে মোবাইল নেটওয়ার্ক আবার চালু করা হয়েছে। ইরান ইন্টারন্যাশনাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এখন থেকে শুধু মোবাইল এসএমএস পাঠানো ও গ্রহণের সুবিধা চালু আছে। তবে ফোনকল বা ভয়েস কলের জন্য নেটওয়ার্কের সরাসরি সুবিধা এখনও কার্যকর হয়নি। একই সময় ইন্টারনেট পরিষেবাও এখনও পুরোপুরি চালু হয়নি। পরিবেশের এই চাপের মধ্যে, এর আগে ২০ দিন ধরে চলা বিক্ষোভে ইরান কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছিল। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এই প্রথম দেশজুড়ে এত ব্যাপক ও ভয়াবহ আন্দোলন দেখা যাচ্ছে। আন্দোলনের শুরু হয়েছিল গেল ২৮ ডিসেম্বর, রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ীরা জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবাদে ধর্মঘট ডাকের মাধ্যমে। পরে এই বিক্ষোভ দ্রুত ৩১টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং শহর ও গ্রামে হাঁটুতে হাঁটু করে দাঙ্গার সৃষ্টি করে। মূল কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে— দেশের অর্থনৈতিক দিকের অস্থিরতা ও মুদ্রার ভয়াবহ অবমূল্যায়ন। দীর্ঘদিনের মূল্যস্ফীতি ও মানের পতনের কারণে ইরানি রিয়েল আজ বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হয়েছে। একজন মার্কিন ডলের বিপরীতে বর্তমানে ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৫৫ ইরানি রিয়েল পাওয়া যায়। এই অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষ খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসার মতো মৌলিক চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন, যা তাদের রাস্তায় নামতে বাধ্য করেছে। জানুয়ারির ৭ তারিখ থেকে ইরান সরকার ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। এখনো পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১২ হাজারের বেশি বলে জানা গেছে, আরও অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। পরিস্থিতি এখনো তড়িঘড়ি করছে, যদিও সাময়িকভাবে নেটওয়ার্ক চালু হলেও পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক ও অস্থিতিশীল।