০৯:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নির্বাচনের আগে বিএনপির বড় সুখবর: ৫ জেলার ৬ নেতা ফিরে আসলেন

আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দলে সংগঠিত শক্তি আরও শক্তিশালী করে তুলতে এবং অভ্যন্তরীণ বিভেদ কমাতে বঙ্গবন্ধু নেতৃত্বাধীন বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে, পাঁচটি জেলার ছয়জন নেতা আবারো দলটির সদস্য হিসেবে ফিরে এসেছেন। এর আগে তারা বিভিন্ন কারণে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং নীতিমালার বিরোধিতা করার অভিযোগে বহিষ্কার ছিলেন। তবে, সম্প্রতি তাদের ব্যক্তিগত আবেদন এবং দলের হাইকমান্ডের নির্দেশনায় এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

ফিরে আসা এই নেতারা দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে সিলেটের দুজন, মানিকগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও জামালপুরের একজন করে নেতা রয়েছেন। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতাদের মধ্যেদের মধ্যে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. খায়রুল আমিন আজাদ, গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য আবুল কাশেম, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য খন্দকার লিয়াকত হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতা খোরশেদ আলম, কক্সবাজার পৌর বিএনপির সদস্য আশরাফুল হুদা ছিদ্দিকী ও জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিন উল্লেখযোগ্য।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অতীতে বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ঐ নেতাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে তারা সম্প্রতি নিজ স্বয়ংক্রিয় স্বীকারোক্তির মাধ্যমে দলের কাছে ক্ষমা চেয়ে পুনরায় সদস্য পদ ও অন্যান্য পদে ফিরতে আবেদন করেন। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে তারা আবারো দলের মূল অংশে এসে সংযুক্ত হয়েছেন।

বিশেষ করে, নির্বাচনের মুখে দলের এই নেতাদের ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন দলে থাকা তৃণমূলের কর্মীরা। এর আগেও, গেল বৃহস্পতিবার, তিনজন নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হয়েছিল। ধারাবাহিক এই পদক্ষেপগুলো দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও শক্তিকে সুদৃঢ় করতে সাহায্য করছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নির্বাচনের আগে বিএনপির বড় সুখবর: ৫ জেলার ৬ নেতা ফিরে আসলেন

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দলে সংগঠিত শক্তি আরও শক্তিশালী করে তুলতে এবং অভ্যন্তরীণ বিভেদ কমাতে বঙ্গবন্ধু নেতৃত্বাধীন বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে, পাঁচটি জেলার ছয়জন নেতা আবারো দলটির সদস্য হিসেবে ফিরে এসেছেন। এর আগে তারা বিভিন্ন কারণে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং নীতিমালার বিরোধিতা করার অভিযোগে বহিষ্কার ছিলেন। তবে, সম্প্রতি তাদের ব্যক্তিগত আবেদন এবং দলের হাইকমান্ডের নির্দেশনায় এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

ফিরে আসা এই নেতারা দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে সিলেটের দুজন, মানিকগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও জামালপুরের একজন করে নেতা রয়েছেন। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতাদের মধ্যেদের মধ্যে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. খায়রুল আমিন আজাদ, গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য আবুল কাশেম, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য খন্দকার লিয়াকত হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতা খোরশেদ আলম, কক্সবাজার পৌর বিএনপির সদস্য আশরাফুল হুদা ছিদ্দিকী ও জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিন উল্লেখযোগ্য।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অতীতে বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ঐ নেতাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে তারা সম্প্রতি নিজ স্বয়ংক্রিয় স্বীকারোক্তির মাধ্যমে দলের কাছে ক্ষমা চেয়ে পুনরায় সদস্য পদ ও অন্যান্য পদে ফিরতে আবেদন করেন। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে তারা আবারো দলের মূল অংশে এসে সংযুক্ত হয়েছেন।

বিশেষ করে, নির্বাচনের মুখে দলের এই নেতাদের ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন দলে থাকা তৃণমূলের কর্মীরা। এর আগেও, গেল বৃহস্পতিবার, তিনজন নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হয়েছিল। ধারাবাহিক এই পদক্ষেপগুলো দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও শক্তিকে সুদৃঢ় করতে সাহায্য করছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।