০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ব্যবসায়ীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে এফবিসিসিআই ও প্রতিযোগিতা কমিশনের বৈঠক

ব্যবসা-বাণিজ্যে একটি সুষ্ঠু, ন্যায্য ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই এবং বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হলো। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর এফবিসিসিআই ভবনে এই সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে মূল আলোচনায় ছিল প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২ এবং এর কার্যাবলি, যা ব্যবসায়ীদের মধ্যে আইন সম্পর্কে আরও সচেতনতা সৃষ্টি করার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন (সচিব) এ এইচ এম আহসান। তিনি বলেন, ‘প্রতিযোগিতা আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো কাউকে শাস্তি দেওয়া নয়; বরং বাজারে প্রতিযোগিতামূলক ও স্বচ্ছ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিযোগিতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো।’ সভার শুরুতে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২-এর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি ব্যাখ্যা করেন, যেখানে উল্লেখ করা হয় আইনটির মূল লক্ষ্য ও কমিশনের কার্যন্ত। এর পরে মুক্ত আলোচনা পর্বে ব্যবসায়ী নেতারা জেলা, উপজেলা ও তৃণমূল পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের মধ্যে এই আইনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা পাশাপাশি আইন প্রণয়ন, সংশোধন ও কমিশনের শুনানি কার্যক্রমে ব্যবসায়ী সংগঠনের অংশগ্রহণ বাড়ানোর দাবি জানান। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্যরা ড. মো. আখতারুজ্জামান তালুকদার ও ড. আফরোজা বিলকিস, এফবিসিসিআইয়ের মহাসচিব মো. আলমগির, বিভিন্ন ব্যবসায়ী চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিগণ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর কর্মকর্তারা। এই বৈঠকের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারী অংশীদাররা একসঙ্গে কাজ করে দেশের ব্যবসায়ী পরিবেশকে আরও শক্তিশালী এবং প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে একাত্ম হন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ব্যবসায়ীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে এফবিসিসিআই ও প্রতিযোগিতা কমিশনের বৈঠক

প্রকাশিতঃ ১২:৩৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

ব্যবসা-বাণিজ্যে একটি সুষ্ঠু, ন্যায্য ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই এবং বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হলো। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর এফবিসিসিআই ভবনে এই সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে মূল আলোচনায় ছিল প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২ এবং এর কার্যাবলি, যা ব্যবসায়ীদের মধ্যে আইন সম্পর্কে আরও সচেতনতা সৃষ্টি করার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন (সচিব) এ এইচ এম আহসান। তিনি বলেন, ‘প্রতিযোগিতা আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো কাউকে শাস্তি দেওয়া নয়; বরং বাজারে প্রতিযোগিতামূলক ও স্বচ্ছ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিযোগিতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো।’ সভার শুরুতে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২-এর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি ব্যাখ্যা করেন, যেখানে উল্লেখ করা হয় আইনটির মূল লক্ষ্য ও কমিশনের কার্যন্ত। এর পরে মুক্ত আলোচনা পর্বে ব্যবসায়ী নেতারা জেলা, উপজেলা ও তৃণমূল পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের মধ্যে এই আইনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা পাশাপাশি আইন প্রণয়ন, সংশোধন ও কমিশনের শুনানি কার্যক্রমে ব্যবসায়ী সংগঠনের অংশগ্রহণ বাড়ানোর দাবি জানান। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্যরা ড. মো. আখতারুজ্জামান তালুকদার ও ড. আফরোজা বিলকিস, এফবিসিসিআইয়ের মহাসচিব মো. আলমগির, বিভিন্ন ব্যবসায়ী চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিগণ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর কর্মকর্তারা। এই বৈঠকের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারী অংশীদাররা একসঙ্গে কাজ করে দেশের ব্যবসায়ী পরিবেশকে আরও শক্তিশালী এবং প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে একাত্ম হন।