০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন বিদেশি কূটনীতিকরা

জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার কয়েকদিন আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা। সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা প্রেস উইং জানিয়েছে, এই দুই ঘণ্টার পরিদর্শন শুরুতেই কূটনীতিকরা শহীদ approximately ৪ হাজার মানুষের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

পরিদর্শনকালে সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন তাদের দলকে জাদুঘরটির বিভিন্ন অংশ ও এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ঘুরিয়ে দেখান। মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী উল্লেখ করেন, “জাদুঘরের মূল লক্ষ্য একটাই—সুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বব্যাপী এ ধরনের দুঃশাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ।” তিনি আরো বলেন, “এই জুলাই জাদুঘরটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের অনুরূপ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা চালিয়ে যাবে।”

এছাড়াও, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন বলেন, “জুলাইয়ের বিদ্রোহের ৩৬ দিনের উত্তেজনাপূর্ণ সময়ের স্মরণীয় প্রতিফলন এই জাদুঘর। এটি শুধু ইতিহাসের মাত্রই নয়, এক ধরনের সংগ্রামের জীবন্ত দৃষ্টান্ত। এটির মাধ্যমে ভবিষ্যত প্রজন্ম যাতে বিপদ থেকে সাবধান হয়, তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেওয়া হয়। তিনি আরও افزودেন, “ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া আমাদের কর্তব্য, যাতে কখনোই বিপর্যয় ফিরে না আসে।” ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার তাঁর অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করে বলেন, “জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন করে আমি খুবই অনুপ্রাণিত। ইতিহাস বোঝা, কিভাবে বিপ্লব ঘটে এবং বাংলাদেশের ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মূল কারণ সম্বন্ধে জানা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

জাদুঘরের চিফ কিউরেটর তানজিম ওয়াহাব অতিথিদের বিভিন্ন কারিগরি ও শৈল্পিক দিক তুলে ধরেছেন। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আলজেরিয়া, আর্জেন্টিনা, ভুটান, ডেনমার্ক, মিশর, ফ্রান্স, ইরান, ইরাক, ইতালি, কসোভো, লিবিয়া, মরক্কো, নেপাল, নরওয়ে, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, স্পেন ও তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, চীন, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), ইউনেস্কো, ডব্লিউএফপি, আইওএম, অ্যাকেডিএন ও বিমস্টেকের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মফিদুর রহমান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন বিদেশি কূটনীতিকরা

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার কয়েকদিন আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা। সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা প্রেস উইং জানিয়েছে, এই দুই ঘণ্টার পরিদর্শন শুরুতেই কূটনীতিকরা শহীদ approximately ৪ হাজার মানুষের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

পরিদর্শনকালে সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন তাদের দলকে জাদুঘরটির বিভিন্ন অংশ ও এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ঘুরিয়ে দেখান। মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী উল্লেখ করেন, “জাদুঘরের মূল লক্ষ্য একটাই—সুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বব্যাপী এ ধরনের দুঃশাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ।” তিনি আরো বলেন, “এই জুলাই জাদুঘরটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের অনুরূপ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা চালিয়ে যাবে।”

এছাড়াও, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন বলেন, “জুলাইয়ের বিদ্রোহের ৩৬ দিনের উত্তেজনাপূর্ণ সময়ের স্মরণীয় প্রতিফলন এই জাদুঘর। এটি শুধু ইতিহাসের মাত্রই নয়, এক ধরনের সংগ্রামের জীবন্ত দৃষ্টান্ত। এটির মাধ্যমে ভবিষ্যত প্রজন্ম যাতে বিপদ থেকে সাবধান হয়, তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেওয়া হয়। তিনি আরও افزودেন, “ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া আমাদের কর্তব্য, যাতে কখনোই বিপর্যয় ফিরে না আসে।” ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার তাঁর অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করে বলেন, “জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন করে আমি খুবই অনুপ্রাণিত। ইতিহাস বোঝা, কিভাবে বিপ্লব ঘটে এবং বাংলাদেশের ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মূল কারণ সম্বন্ধে জানা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

জাদুঘরের চিফ কিউরেটর তানজিম ওয়াহাব অতিথিদের বিভিন্ন কারিগরি ও শৈল্পিক দিক তুলে ধরেছেন। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আলজেরিয়া, আর্জেন্টিনা, ভুটান, ডেনমার্ক, মিশর, ফ্রান্স, ইরান, ইরাক, ইতালি, কসোভো, লিবিয়া, মরক্কো, নেপাল, নরওয়ে, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, স্পেন ও তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, চীন, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), ইউনেস্কো, ডব্লিউএফপি, আইওএম, অ্যাকেডিএন ও বিমস্টেকের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মফিদুর রহমান।