০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ঢাকা-৮ আসনে মির্জা আব্বাসের শপথ স্থগিতের আবেদন জানালেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে ভোটের জালিয়াতি, অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠে এসেছে। এই ঘটনা কেন্দ্র করে নবনির্বাচিত মির্জা আব্বাসের শপথ গ্রহণ স্থগিতের জন্য দাবি জানিয়ে তুলেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তিনি একজন ন্যাশনালিস্ট পার্টির (এনসিপি) নেতা এবং ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী। তিনি নির্বাচন কমিশনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্বাচনের ফলাফল বাতিলের জন্য আবেদন করেছেন।

আজ রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এই আবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেন এনসিপির নেতা কাজী ফখরুল ইসলাম। এর আগে, গত শনিবার তিনি এই অভিযোগের পত্র নির্বাচনী কমিশনের কাছে জমা দেন।

আবেদনে তিনি বিশদভাবে ১২টি ভোটকেন্দ্রে সংঘটিত বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য উল্লেখ করে বলেন, এসব অনিয়মের মাধ্যমে প্রকৃত ফলাফলের ওপর প্রভাব ফেলা হয়েছে। অভিযোগে তিনি অভিযোগ করেন, ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, তার নেতাকর্মী, এজেন্ট ও পরিবারের সদস্যরা ভোট জালিয়াতি, প্রভাব বিস্তার, ফলাফল আটকে রাখা ও বাতিল ভোটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার মতো নানা অনিয়মে লিপ্ত ছিলেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর অভিযোগ আরও উঠে যে, ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর প্রিসাইডিং অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা পর্যন্ত এই অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। তিনি বলেন, মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী কারচুপি ও অনিয়মের মাধ্যমে তাকে বিজয়ী ঘোষণা না করে অন্যায়ভাবে মির্জা আব্বাসকে জয়ী দেখানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের ফলাফলে মনোযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ৫৭,৯২২ ভোট পেয়ে জয়ী হন, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পান ৫১,৩৯৬ ভোট। এই ফলের স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই আইনি ও প্রশাসনিক লড়াইয়ে নেমেছেন এনসিপি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ঢাকা-৮ আসনে মির্জা আব্বাসের শপথ স্থগিতের আবেদন জানালেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে ভোটের জালিয়াতি, অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠে এসেছে। এই ঘটনা কেন্দ্র করে নবনির্বাচিত মির্জা আব্বাসের শপথ গ্রহণ স্থগিতের জন্য দাবি জানিয়ে তুলেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তিনি একজন ন্যাশনালিস্ট পার্টির (এনসিপি) নেতা এবং ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী। তিনি নির্বাচন কমিশনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্বাচনের ফলাফল বাতিলের জন্য আবেদন করেছেন।

আজ রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এই আবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেন এনসিপির নেতা কাজী ফখরুল ইসলাম। এর আগে, গত শনিবার তিনি এই অভিযোগের পত্র নির্বাচনী কমিশনের কাছে জমা দেন।

আবেদনে তিনি বিশদভাবে ১২টি ভোটকেন্দ্রে সংঘটিত বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য উল্লেখ করে বলেন, এসব অনিয়মের মাধ্যমে প্রকৃত ফলাফলের ওপর প্রভাব ফেলা হয়েছে। অভিযোগে তিনি অভিযোগ করেন, ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, তার নেতাকর্মী, এজেন্ট ও পরিবারের সদস্যরা ভোট জালিয়াতি, প্রভাব বিস্তার, ফলাফল আটকে রাখা ও বাতিল ভোটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার মতো নানা অনিয়মে লিপ্ত ছিলেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর অভিযোগ আরও উঠে যে, ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর প্রিসাইডিং অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা পর্যন্ত এই অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। তিনি বলেন, মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী কারচুপি ও অনিয়মের মাধ্যমে তাকে বিজয়ী ঘোষণা না করে অন্যায়ভাবে মির্জা আব্বাসকে জয়ী দেখানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের ফলাফলে মনোযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ৫৭,৯২২ ভোট পেয়ে জয়ী হন, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পান ৫১,৩৯৬ ভোট। এই ফলের স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই আইনি ও প্রশাসনিক লড়াইয়ে নেমেছেন এনসিপি।