০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চলতি ও আগামী মাসে দেশে আসছে আরও ১৬ কার্গো এলএনজি ৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়ান ওয়াওয়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ টাইমের ‘বিশ্বের সেরা ১০০’ তালিকায় জায়গা পেয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন এপ্রিলেই ভারত থেকে আরও ১৭ হাজার টন ডিজেল আসছে অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি এজেক প্লাস সম্মেলনে বক্তব্য রাখলেন কক্সবাজার থেকে শিগগিরই আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু হবে: বিমানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা: ১ জুলাই থেকে পাঁচ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু প্রধানমন্ত্রী জানালেন: সরকারি ৫ লাখ কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত

বিমান বাংলাদেশের চেয়ারম্যান শেখ বশিরউদ্দীনকে সরকারি অব্যাহতি

জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান শেখ বশিরউদ্দীনকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ прием করায় সরকার আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) অব্যাহতি দিয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিমানে-১ উপশাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকার ‘বাংলাদেশ বিমান (রহিত বাংলাদেশ বিমান অর্ডার, ১৯৭২ পুনর্বহাল এবং সংশোধন আইন, ২০২৩)’-এর ৩০(সি) ধারার ক্ষমতাবলে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সিনিয়র সহকারী সচিব মোছা. শাকিলা পারভীন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বিশেষভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, শেখ বশিরউদ্দীনকে তাঁর নিজ ইচ্ছায় বা ব্যক্তিগত অনুরোধের প্রেক্ষাপটে এই অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে — এই আদেশ তাঁর আবেদনের প্রতিফলন।

শুক্রবার নয়, বরং গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। সেই দিনই তার পদত্যাগপত্রটি অনুমোদনের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠানো হয়। শেখ বশিরউদ্দীন গত বছরের ২৬ আগস্ট গত চেয়ারম্যান মুয়ীদ চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হয়ে নিযুক্ত হয়েছিলেন এবং তার পর থেকে সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি একইসঙ্গে বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বও বহন করেছিলেন।

নতুন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রসংস্থায় শীর্ষ পর্যায়ে পরিবর্তনের প্রচলিত কার্যক্রম চলছে; সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন শেখ বশিরউদ্দীনের এই অব্যাহতি তার ধারাবাহিক অংশ। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, খুব শিগগিরই বিমানের নতুন চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণা করা হতে পারে।

সংস্থার দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড এখনো স্বাভাবিকভাবে চলমান আছে; তবে শীর্ষ নেতৃত্বে এ পরিবর্তন ভবিষ্যতে বিমান নীতিতে কোনো নতুন মোড় আনবে কিনা, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা

বিমান বাংলাদেশের চেয়ারম্যান শেখ বশিরউদ্দীনকে সরকারি অব্যাহতি

প্রকাশিতঃ ১১:৪১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান শেখ বশিরউদ্দীনকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ прием করায় সরকার আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) অব্যাহতি দিয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিমানে-১ উপশাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকার ‘বাংলাদেশ বিমান (রহিত বাংলাদেশ বিমান অর্ডার, ১৯৭২ পুনর্বহাল এবং সংশোধন আইন, ২০২৩)’-এর ৩০(সি) ধারার ক্ষমতাবলে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সিনিয়র সহকারী সচিব মোছা. শাকিলা পারভীন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বিশেষভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, শেখ বশিরউদ্দীনকে তাঁর নিজ ইচ্ছায় বা ব্যক্তিগত অনুরোধের প্রেক্ষাপটে এই অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে — এই আদেশ তাঁর আবেদনের প্রতিফলন।

শুক্রবার নয়, বরং গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। সেই দিনই তার পদত্যাগপত্রটি অনুমোদনের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠানো হয়। শেখ বশিরউদ্দীন গত বছরের ২৬ আগস্ট গত চেয়ারম্যান মুয়ীদ চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হয়ে নিযুক্ত হয়েছিলেন এবং তার পর থেকে সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি একইসঙ্গে বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বও বহন করেছিলেন।

নতুন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রসংস্থায় শীর্ষ পর্যায়ে পরিবর্তনের প্রচলিত কার্যক্রম চলছে; সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন শেখ বশিরউদ্দীনের এই অব্যাহতি তার ধারাবাহিক অংশ। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, খুব শিগগিরই বিমানের নতুন চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণা করা হতে পারে।

সংস্থার দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড এখনো স্বাভাবিকভাবে চলমান আছে; তবে শীর্ষ নেতৃত্বে এ পরিবর্তন ভবিষ্যতে বিমান নীতিতে কোনো নতুন মোড় আনবে কিনা, সেটাই এখন দেখার বিষয়।