০২:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সনি ফিরিয়ে আনছে নতুন ‘চার্লিস এঞ্জেলস’

সত্তরের দশকের কালজয়ী নারী-গোয়েন্দা সিরিজ ও অ্যাকশনের প্রতীক ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ আবার বড় পর্দায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিনোদন খবরে ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ছয় বছরের নিরবতার পর সনি পিকচার্স এই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি নবায়নের পরিকল্পনা শুরু করেছে। ২০১৯ সালের সিনেমা ব্যবসায়িক দিক থেকে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারেনি, তবু সারাবিশ্বে দর্শকদের এই থ্রিলার ঘরানার আগ্রহকে মাথায় রেখেই স্টুডিওটি নতুন কিস্তি আনতে চাচ্ছে।

নতুন সংস্করণকে আরও আধুনিক ও মেয়েদের কেন্দ্রীভূত করে সাজানোর দায়িত্ব পেয়েছেন লেখক পিট কিয়ারেলি। ‘দ্য প্রোপোজাল’ এবং ‘ক্রেজি রিচ এশিয়ানস’-এর মতো সফল চলচ্চিত্রের কারণে তাঁর নামের ওপর আস্থা রাখা হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, কিয়ারেলির লেখনীতে এবারের ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে আরও টানটান, বুদ্ধিদীপ্ত ও বিনোদনমূলক হবে — স্টুডিওর মূল উদ্দেশ্যও ঠিক এটাই, যে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা।

প্রযোজনা ও কাস্টিং নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি, কিন্তু গুঞ্জন রয়েছে ২০০০ সালের সফল রিমেক সিরিজের প্রধান মুখদের একজন ড্রু ব্যারিমোর ও তাঁর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ফ্লাওয়ার ফিল্মস’ এই প্রজেক্টে যুক্ত হতে পারেন। ড্রু ব্যারিমোরের কোনও সমর্থন বা অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হলে নস্টালজিয়া ও ভক্তদের আগ্রহ দুটোই বেড়ে যাবে, তবে সনি কিংবা ড্রু উভয় পক্ষ থেকেই এ সংক্রান্ত কোনো চূড়ান্ত বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

সংক্ষিপ্ত ইতিহাস স্মরণকালে বলা যায়, ‘চার্লিস এঞ্জেলস’-এর যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৬ সালে একটি টেলিভিশন সিরিজ দিয়ে, যা ১৯৮১ পর্যন্ত চলেছিল এবং জ্যাক্লিন স্মিথ, কেট জনসন ও ফারাহ ফসেটের দুর্দান্ত অভিনয়ে সিরিজটি বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছিল। পরে ২০০০ ও ২০০৩ সালের দুটি সিনেমা বক্স অফিসে বড় সাফল্য পায়। তবে পরের কিছু প্রচেষ্টা ততটা সফল হয়নি — ২০১১ সালের টিভি সিরিজটি মাত্র সাত পর্বের পর বন্ধ হয় এবং ২০১৯ সালের এলিজাবেথ ব্যাঙ্কস পরিচালিত সিনেমাটিও দর্শকদের মনজয় করতে ব্যর্থ হয়।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই নতুন উদ্যোগ হলিউডে নতুন ধরনের উত্তেজনা তৈরি করেছে। দর্শক ও সমালোচক এখন কেবল একটি ভালো স্ক্রিপ্টই চান — যাতে পুরনো জাদু ফিরে আসে, পাশাপাশি আধুনিক দর্শকের প্রত্যাশাও পূরণ হয়। পিট কিয়ারেলির কলমে ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ পুনরায় সুদর্শন হয়ে উঠতে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার প্রধান বিষয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সনি ফিরিয়ে আনছে নতুন ‘চার্লিস এঞ্জেলস’

প্রকাশিতঃ ১১:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সত্তরের দশকের কালজয়ী নারী-গোয়েন্দা সিরিজ ও অ্যাকশনের প্রতীক ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ আবার বড় পর্দায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিনোদন খবরে ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ছয় বছরের নিরবতার পর সনি পিকচার্স এই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি নবায়নের পরিকল্পনা শুরু করেছে। ২০১৯ সালের সিনেমা ব্যবসায়িক দিক থেকে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারেনি, তবু সারাবিশ্বে দর্শকদের এই থ্রিলার ঘরানার আগ্রহকে মাথায় রেখেই স্টুডিওটি নতুন কিস্তি আনতে চাচ্ছে।

নতুন সংস্করণকে আরও আধুনিক ও মেয়েদের কেন্দ্রীভূত করে সাজানোর দায়িত্ব পেয়েছেন লেখক পিট কিয়ারেলি। ‘দ্য প্রোপোজাল’ এবং ‘ক্রেজি রিচ এশিয়ানস’-এর মতো সফল চলচ্চিত্রের কারণে তাঁর নামের ওপর আস্থা রাখা হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, কিয়ারেলির লেখনীতে এবারের ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে আরও টানটান, বুদ্ধিদীপ্ত ও বিনোদনমূলক হবে — স্টুডিওর মূল উদ্দেশ্যও ঠিক এটাই, যে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা।

প্রযোজনা ও কাস্টিং নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি, কিন্তু গুঞ্জন রয়েছে ২০০০ সালের সফল রিমেক সিরিজের প্রধান মুখদের একজন ড্রু ব্যারিমোর ও তাঁর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ফ্লাওয়ার ফিল্মস’ এই প্রজেক্টে যুক্ত হতে পারেন। ড্রু ব্যারিমোরের কোনও সমর্থন বা অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হলে নস্টালজিয়া ও ভক্তদের আগ্রহ দুটোই বেড়ে যাবে, তবে সনি কিংবা ড্রু উভয় পক্ষ থেকেই এ সংক্রান্ত কোনো চূড়ান্ত বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

সংক্ষিপ্ত ইতিহাস স্মরণকালে বলা যায়, ‘চার্লিস এঞ্জেলস’-এর যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৬ সালে একটি টেলিভিশন সিরিজ দিয়ে, যা ১৯৮১ পর্যন্ত চলেছিল এবং জ্যাক্লিন স্মিথ, কেট জনসন ও ফারাহ ফসেটের দুর্দান্ত অভিনয়ে সিরিজটি বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছিল। পরে ২০০০ ও ২০০৩ সালের দুটি সিনেমা বক্স অফিসে বড় সাফল্য পায়। তবে পরের কিছু প্রচেষ্টা ততটা সফল হয়নি — ২০১১ সালের টিভি সিরিজটি মাত্র সাত পর্বের পর বন্ধ হয় এবং ২০১৯ সালের এলিজাবেথ ব্যাঙ্কস পরিচালিত সিনেমাটিও দর্শকদের মনজয় করতে ব্যর্থ হয়।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই নতুন উদ্যোগ হলিউডে নতুন ধরনের উত্তেজনা তৈরি করেছে। দর্শক ও সমালোচক এখন কেবল একটি ভালো স্ক্রিপ্টই চান — যাতে পুরনো জাদু ফিরে আসে, পাশাপাশি আধুনিক দর্শকের প্রত্যাশাও পূরণ হয়। পিট কিয়ারেলির কলমে ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ পুনরায় সুদর্শন হয়ে উঠতে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার প্রধান বিষয়।