০৭:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আবদুল আউয়াল মিন্টু মন্ত্রী হওয়ায় ফেনীতে উৎসব, মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল

ফেনী জেলায় দীর্ঘ ৩৬ বছর পরে আবার কেউ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন, তা হলো খালেদা জিয়ার ভয়েস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু। নির্বাচিত হয়ে তিনি গত মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান থেকে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি বর্তমানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকছেন। মিন্টু মন্ত্রিত্ব গ্রহণের খবরে তার নির্বাচনী এলাকা ফুলের মতো উৎসবের আমেজে ভরে যায়। তাঁর জন্য মিষ্টি বিতরণ, আনন্দ মিছিল এবং উল্লাসের আয়োজন করা হয়।

ফেনী-৩ (সোনাগাজী, দাগনভূঞা) আসনের এমপি হিসেবে জনপ্রিয় এই নেতা যখন মন্ত্রিত্বে শপথ নিলেন, তখন তার জন্মভূমি দাগনভূঞা উপজেলা ও সোনাগাজীর নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। দাগনভূঞা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে উপজেলা সদর, বেকের বাজার এবং সোনাগাজী উপজেলার স্থানীয় এলাকায় সাধারণ মানুষ মিষ্টি বিতরণ করেন। উল্লাসের সাথে নেতা-কর্মীরা স্লোগান দেন এবং আলোর ঝলকানিতে চারিপাশ মুখর হয়ে ওঠে। এই আনন্দ উদ্‌যাপনকে এলাকার জন্য এক বড় অর্জন হিসেবে স্বীকার করেন স্থানীয় নেতারা।

ফেনী-৩ আসনের বিএনপির ছাত্রদল ও যুবদলের নেতারা বলেন, ‘আবদুল আউয়াল মিন্টু একজন অভিজ্ঞ এবং যোগ্য ব্যক্তি। তাকে মন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হওয়ায় আমরা খুবই গর্বিত। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দাগনভূঞা, সোনাগাজীসহ পুরো দেশের উন্নয়ন দ্রুততার সাথে এগিয়ে যাবে, এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

সূত্র জানায়, মিন্টু পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। উল্লেখ্য, এনএফপি-১৬ ভোট পেয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসন থেকে নির্বাচিত হন আবদুল আউয়াল মিন্টু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক, তিনি পেয়েছিলেন ৮০,১৬০ ভোট।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আবদুল আউয়াল মিন্টু মন্ত্রী হওয়ায় ফেনীতে উৎসব, মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফেনী জেলায় দীর্ঘ ৩৬ বছর পরে আবার কেউ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন, তা হলো খালেদা জিয়ার ভয়েস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু। নির্বাচিত হয়ে তিনি গত মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান থেকে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি বর্তমানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকছেন। মিন্টু মন্ত্রিত্ব গ্রহণের খবরে তার নির্বাচনী এলাকা ফুলের মতো উৎসবের আমেজে ভরে যায়। তাঁর জন্য মিষ্টি বিতরণ, আনন্দ মিছিল এবং উল্লাসের আয়োজন করা হয়।

ফেনী-৩ (সোনাগাজী, দাগনভূঞা) আসনের এমপি হিসেবে জনপ্রিয় এই নেতা যখন মন্ত্রিত্বে শপথ নিলেন, তখন তার জন্মভূমি দাগনভূঞা উপজেলা ও সোনাগাজীর নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। দাগনভূঞা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে উপজেলা সদর, বেকের বাজার এবং সোনাগাজী উপজেলার স্থানীয় এলাকায় সাধারণ মানুষ মিষ্টি বিতরণ করেন। উল্লাসের সাথে নেতা-কর্মীরা স্লোগান দেন এবং আলোর ঝলকানিতে চারিপাশ মুখর হয়ে ওঠে। এই আনন্দ উদ্‌যাপনকে এলাকার জন্য এক বড় অর্জন হিসেবে স্বীকার করেন স্থানীয় নেতারা।

ফেনী-৩ আসনের বিএনপির ছাত্রদল ও যুবদলের নেতারা বলেন, ‘আবদুল আউয়াল মিন্টু একজন অভিজ্ঞ এবং যোগ্য ব্যক্তি। তাকে মন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হওয়ায় আমরা খুবই গর্বিত। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দাগনভূঞা, সোনাগাজীসহ পুরো দেশের উন্নয়ন দ্রুততার সাথে এগিয়ে যাবে, এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

সূত্র জানায়, মিন্টু পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। উল্লেখ্য, এনএফপি-১৬ ভোট পেয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসন থেকে নির্বাচিত হন আবদুল আউয়াল মিন্টু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক, তিনি পেয়েছিলেন ৮০,১৬০ ভোট।