১২:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

চঞ্চল চৌধুরী: বাংলাদেশে এখনও পূর্ণাঙ্গ পেশাদার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি গড়া হয়নি

অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী সম্প্রতি কলকাতায় এক আড্ডায় দুই বাংলার চলচ্চিত্র জগতের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন। তিনি সরাসরি মন্তব্য করেন, “বাংলাদেশ এখনো একটি পূর্ণাঙ্গ পেশাদার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলতে পারেনি।”

চঞ্চল বলেন, পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র ক্ষেত্র অনেক বেশি ছকবাঁধা ও পেশাদার; শুটিং কখন শেষ হবে, বাজেট কেমন হবে—এসব কিছু আগেই স্পষ্ট থাকে। অন্যদিকে আমাদের এখানে ওই ধরনের পরিকল্পনা, নিয়ম ও সংগঠনের ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়।

তিনি আরও বলেন, এই অসংগঠিততা ও অর্থায়নের অনিশ্চয়তার কারণে নির্মাতাদের সময় লাগে—কখনও কখনও বছরভর কোনো ছবির খরচ জোগাড় করতে অপেক্ষা করতে হয়। নিজ অভিজ্ঞতার কথা টেনে চঞ্চল বলেন, তিনি এক কোটি থেকে ১০ কোটি টাকার বাজেটের ছবিতে কাজ করেছেন, কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো বাজেট স্ট্যান্ডার্ড না থাকাই ধরার মতো বড় সমস্যা।

চঞ্চল মনে করেন, বাংলা ভাষাভাষী দর্শক সারা বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে আছে। সেই সুবাদে আমাদের সবাইকে মিলে বড় ও সংগঠিত কর্মসূচি নেওয়া উচিত, যেন আরও বড় পরিসরে কাজ করে ওই দর্শকদের কাছে পৌঁছানো যায়।

বন্ধু ও সহকর্মীদের সঙ্গে কাজের সাম্প্রতিক কথাও তিনি শেয়ার করেন—চঞ্চল সম্প্রতি ব্রাত্য বসুর ‘শেকড়’ ছবিতে অভিনয় করেছেন; ছবিটির শুটিং গত বছর শান্তিনিকেতনে হয়েছিল। পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে তৈরি এক ছবিতে তিনি পরীমণির সঙ্গে অভিনয় করছেন।

তার মন্তব্যগুলো থেকে স্পষ্ট যে, শিল্পে সুন্দরভাবে সংগঠন, নিয়মিত অর্থায়ন ও পরিকল্পনা ছাড়া উন্নতি কঠিন। চঞ্চলদের মতো প্রতিভাবান মানুষ থাকলেও, পুরো ইন্ডাস্ট্রিকে পেশাদারভাবে গড়ে তোলার জন্য সামষ্টিক উদ্যোগ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দরকার—এটাই তার বক্তব্যের মূল সারমর্ম।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

চঞ্চল চৌধুরী: বাংলাদেশে এখনও পূর্ণাঙ্গ পেশাদার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি গড়া হয়নি

প্রকাশিতঃ ০৮:২১:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী সম্প্রতি কলকাতায় এক আড্ডায় দুই বাংলার চলচ্চিত্র জগতের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন। তিনি সরাসরি মন্তব্য করেন, “বাংলাদেশ এখনো একটি পূর্ণাঙ্গ পেশাদার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলতে পারেনি।”

চঞ্চল বলেন, পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র ক্ষেত্র অনেক বেশি ছকবাঁধা ও পেশাদার; শুটিং কখন শেষ হবে, বাজেট কেমন হবে—এসব কিছু আগেই স্পষ্ট থাকে। অন্যদিকে আমাদের এখানে ওই ধরনের পরিকল্পনা, নিয়ম ও সংগঠনের ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়।

তিনি আরও বলেন, এই অসংগঠিততা ও অর্থায়নের অনিশ্চয়তার কারণে নির্মাতাদের সময় লাগে—কখনও কখনও বছরভর কোনো ছবির খরচ জোগাড় করতে অপেক্ষা করতে হয়। নিজ অভিজ্ঞতার কথা টেনে চঞ্চল বলেন, তিনি এক কোটি থেকে ১০ কোটি টাকার বাজেটের ছবিতে কাজ করেছেন, কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো বাজেট স্ট্যান্ডার্ড না থাকাই ধরার মতো বড় সমস্যা।

চঞ্চল মনে করেন, বাংলা ভাষাভাষী দর্শক সারা বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে আছে। সেই সুবাদে আমাদের সবাইকে মিলে বড় ও সংগঠিত কর্মসূচি নেওয়া উচিত, যেন আরও বড় পরিসরে কাজ করে ওই দর্শকদের কাছে পৌঁছানো যায়।

বন্ধু ও সহকর্মীদের সঙ্গে কাজের সাম্প্রতিক কথাও তিনি শেয়ার করেন—চঞ্চল সম্প্রতি ব্রাত্য বসুর ‘শেকড়’ ছবিতে অভিনয় করেছেন; ছবিটির শুটিং গত বছর শান্তিনিকেতনে হয়েছিল। পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে তৈরি এক ছবিতে তিনি পরীমণির সঙ্গে অভিনয় করছেন।

তার মন্তব্যগুলো থেকে স্পষ্ট যে, শিল্পে সুন্দরভাবে সংগঠন, নিয়মিত অর্থায়ন ও পরিকল্পনা ছাড়া উন্নতি কঠিন। চঞ্চলদের মতো প্রতিভাবান মানুষ থাকলেও, পুরো ইন্ডাস্ট্রিকে পেশাদারভাবে গড়ে তোলার জন্য সামষ্টিক উদ্যোগ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দরকার—এটাই তার বক্তব্যের মূল সারমর্ম।