০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ডিএসইতে সূচক সামান্য উত্থান, সিএসইতে প্রধান সূচক নেমে গেল

চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেশের দুই প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জে মিশ্র প্রভাব দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমলেও কয়েকটি বড় মূলধনী কোম্পানির ভালো পারফরম্যান্সে প্রধান সূচক সামান্য বাড়তি পায়। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ কপ্মানির দরই নেমে যায় এবং সেখানে প্রধান সূচকও পতিত হয়।

ডিএসইতে লেনদেন শুরুর প্রথম দিকে দরপতনের তালিকা দ্রুত বড় হওয়ায় সূচক নেতিবাচক সেঞ্চুরি দেখায়। মধ্যাহ্নের সময় কিছু সংস্থার দর বাড়ায় সূচক আবার ইতিবাচক সেকশনে আসে। তবে দিনের শেষ ভাগে ফের দরপতনে চাপ বাড়লেও বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এবং কয়েকটি শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি প্রধান সূচককে শেষ পর্যন্ত সামান্য উত্থান নিয়ে বন্ধ করায়। একই দিনে শরিয়াহ সূচক কিছুটা কমেছে, কিন্তু সামগ্রিক লেনদেনের পরিমাণ একটু বৃদ্ধি পেয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী ডিএসইতে 이날 ১২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, ১৯৪টির দর কমেছে এবং ৭১টির দাম অপরিবর্তিত থাকে। ১০ শতাংশ বা ততোধিক লভ্যাংশ প্রদানকারী পরিচিত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৬১টির দর বাড়ে, ৯৯টির কমে এবং ৪০টির অপরিবর্তিত ছিল। ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেয় এমন মাঝারি মানের কোম্পানির মধ্যে ২৬টির দর বেড়েছে, ৪৩টির কমেছে এবং ১১টির অপরিবর্তিত রয়েছে। ‘জেড’ তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে ৩৬টির দর বেড়েছে, ৫২টির কমেছে এবং ২০টির অপরিবর্তিত ছিল। তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৭টির দর বাড়ে, ৭টির কমে এবং ২০টির অপরিবর্তিত ছিল।

সূচক পর্যায় থেকে দেখা যায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এক পয়েন্ট উঠে ৫ হাজার ৪৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১০৪ পয়েন্টে উঠেছে। তবে শরিয়াহ সূচক শূন্য দশমিক ৩০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সারাদিনের লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫৬৮ কোটি ৮ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৮ কোটি ৯ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনে শীর্ষে ছিল অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ (৩৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা), এরপর ব্র্যাক ব্যাংক (২৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা) ও সিটি ব্যাংক (২০ কোটি ৪৬ লাখ টাকা)।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন ছিল। সিএএসপিআই সূচক ৪৬ পয়েন্ট কমেছে। তালিকাভুক্ত ১৫০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৪টির দর বেড়েছে, ৯৩টির কমেছে এবং ১৩টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। সিএসইতে লেনদেন ছিল ১৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় সামান্য বৃদ্ধি দেখায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ডিএসইতে সূচক সামান্য উত্থান, সিএসইতে প্রধান সূচক নেমে গেল

প্রকাশিতঃ ০৩:২৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেশের দুই প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জে মিশ্র প্রভাব দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমলেও কয়েকটি বড় মূলধনী কোম্পানির ভালো পারফরম্যান্সে প্রধান সূচক সামান্য বাড়তি পায়। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ কপ্মানির দরই নেমে যায় এবং সেখানে প্রধান সূচকও পতিত হয়।

ডিএসইতে লেনদেন শুরুর প্রথম দিকে দরপতনের তালিকা দ্রুত বড় হওয়ায় সূচক নেতিবাচক সেঞ্চুরি দেখায়। মধ্যাহ্নের সময় কিছু সংস্থার দর বাড়ায় সূচক আবার ইতিবাচক সেকশনে আসে। তবে দিনের শেষ ভাগে ফের দরপতনে চাপ বাড়লেও বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এবং কয়েকটি শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি প্রধান সূচককে শেষ পর্যন্ত সামান্য উত্থান নিয়ে বন্ধ করায়। একই দিনে শরিয়াহ সূচক কিছুটা কমেছে, কিন্তু সামগ্রিক লেনদেনের পরিমাণ একটু বৃদ্ধি পেয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী ডিএসইতে 이날 ১২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, ১৯৪টির দর কমেছে এবং ৭১টির দাম অপরিবর্তিত থাকে। ১০ শতাংশ বা ততোধিক লভ্যাংশ প্রদানকারী পরিচিত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৬১টির দর বাড়ে, ৯৯টির কমে এবং ৪০টির অপরিবর্তিত ছিল। ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেয় এমন মাঝারি মানের কোম্পানির মধ্যে ২৬টির দর বেড়েছে, ৪৩টির কমেছে এবং ১১টির অপরিবর্তিত রয়েছে। ‘জেড’ তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে ৩৬টির দর বেড়েছে, ৫২টির কমেছে এবং ২০টির অপরিবর্তিত ছিল। তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৭টির দর বাড়ে, ৭টির কমে এবং ২০টির অপরিবর্তিত ছিল।

সূচক পর্যায় থেকে দেখা যায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এক পয়েন্ট উঠে ৫ হাজার ৪৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১০৪ পয়েন্টে উঠেছে। তবে শরিয়াহ সূচক শূন্য দশমিক ৩০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সারাদিনের লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫৬৮ কোটি ৮ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৮ কোটি ৯ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনে শীর্ষে ছিল অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ (৩৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা), এরপর ব্র্যাক ব্যাংক (২৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা) ও সিটি ব্যাংক (২০ কোটি ৪৬ লাখ টাকা)।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন ছিল। সিএএসপিআই সূচক ৪৬ পয়েন্ট কমেছে। তালিকাভুক্ত ১৫০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৪টির দর বেড়েছে, ৯৩টির কমেছে এবং ১৩টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। সিএসইতে লেনদেন ছিল ১৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় সামান্য বৃদ্ধি দেখায়।