০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বললেন: মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় জানিয়েছেন, তিনি জীবনের 마지막 দিন পর্যন্ত কখনোই মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না। মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এ ঘোষণা দেন তিনি। এ অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন স্কুল-কলেজের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, মন্ত্রী না হওয়ার সিদ্ধান্ত তিনি আগে থেকেই জানতেন এবং সেই বিশ্বাসের কারণে তিনি নতুন সরকারের শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন মহলে তার শপথগ্রহণে দ্রুত চলে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে গুজব রটানো হয় যে, হয়তো তিনি মন্ত্রী হতে না পারায় রাগ করে কেউ চলে এসেছেন। তবে তিনি এসব ভ্রমান্তি মন্তব্যের বিরুদ্ধে পরিষ্কার বুঝিয়ে দেন, এই সিদ্ধান্তের পেছনে কোনও ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা দুর্বলতা নেই। বরং তিনি নিজের নৈতিক অবস্থানে অটল থাকছেন এবং জনগণের পাশে থেকে তাঁদের অধিকার লিপ্ত করে সমাজে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করাই তার মূল লক্ষ্য।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিয়মের সাধ্য কথা বলা এবং সচ্ছ শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তার। তিনি নিজেকে মন্ত্রিত্বের মোহ থেকে দূরে রেখে সাধারণ মানুষের সেবা এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার কাজে নিবেদিত থাকবেন। এই সিদ্ধান্ত যেন কোনও রাজনৈতিক মান বা আবেগের প্রতিশোধ নয়, বরং এটি তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন। তিনি আরও বলেন, এলাকার উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি প্রশাসনের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাবেন।

এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ। আরও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এই সভায় অংশ নেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতি ও জনমনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বললেন: মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় জানিয়েছেন, তিনি জীবনের 마지막 দিন পর্যন্ত কখনোই মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না। মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এ ঘোষণা দেন তিনি। এ অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন স্কুল-কলেজের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, মন্ত্রী না হওয়ার সিদ্ধান্ত তিনি আগে থেকেই জানতেন এবং সেই বিশ্বাসের কারণে তিনি নতুন সরকারের শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন মহলে তার শপথগ্রহণে দ্রুত চলে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে গুজব রটানো হয় যে, হয়তো তিনি মন্ত্রী হতে না পারায় রাগ করে কেউ চলে এসেছেন। তবে তিনি এসব ভ্রমান্তি মন্তব্যের বিরুদ্ধে পরিষ্কার বুঝিয়ে দেন, এই সিদ্ধান্তের পেছনে কোনও ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা দুর্বলতা নেই। বরং তিনি নিজের নৈতিক অবস্থানে অটল থাকছেন এবং জনগণের পাশে থেকে তাঁদের অধিকার লিপ্ত করে সমাজে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করাই তার মূল লক্ষ্য।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিয়মের সাধ্য কথা বলা এবং সচ্ছ শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তার। তিনি নিজেকে মন্ত্রিত্বের মোহ থেকে দূরে রেখে সাধারণ মানুষের সেবা এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার কাজে নিবেদিত থাকবেন। এই সিদ্ধান্ত যেন কোনও রাজনৈতিক মান বা আবেগের প্রতিশোধ নয়, বরং এটি তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন। তিনি আরও বলেন, এলাকার উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি প্রশাসনের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাবেন।

এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ। আরও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এই সভায় অংশ নেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতি ও জনমনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।