০৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ঢাকাসহ সারাদেশে চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী দাগি আসামিদের তালিকা করে দ্রুত সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে। তিনি জানান, অভিযান শুরু হবে ঢাকার প্রথম ধাপে এবং এরপর পর্যায়ক্রমে সব জেলায় এই তালিকা প্রণয়ন করে আইনের আওতায় আনা হবে।

বুধবার (৪ মার্চ) বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘‘নির্মোহ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তালিকা করে কাজ করা হবে; ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা বা প্রভাবশালীদের অনুপ্রবেশের সুযোগ নেই।’’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণের সহযোগিতার আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘‘দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আমরা জনগণের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি। জনগণকে আমরা আশ্বস্ত করছি—আইনশৃঙ্খলাবিধি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য দ্রুত ও ধারাবাহিকভাবে কাজ করা হবে।’’

তিনি জানান, ডিএমপি সদর দফতরে নেতৃস্থানীয় অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকে তাদের সমস্যাগুলো শুনেছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। উপস্থিত ছিলেন আইজিপি আলী হোসেন ফকির, ডিএমপি কমিশনার (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মো. সারওয়ারসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার হলো আইনশৃঙ্খলা এবং জনগণের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ ফিরিয়ে আনা। পুলিশের ভূমিকা এই সাফল্যের জন্য অপরিহার্য—তাই প্রতিষ্ঠানটিকে পুনরায় শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলকভাবে পরিচালনা করা হবে।

বিগত সময়ে পুলিশের ওপর যে দাগ লেগেছে সেটিও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘‘অতীতে একটি প্রবলভাবে স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার কারণে পুলিশের কিছু অনিয়ম ও অপকর্ম ঘটে থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিষ্ঠাপনায় বহু আইনমান্য অফিসারই ছিলেন। আমরা সেই ভুলগুলো শোধরাতে কাজ করছি এবং জনগণের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠন করবো।’’

তিনি আরও বলেন, পুলিশিং ব্যবস্থা যেন ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল না হয়ে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম-কানুন ভিত্তিক হয়—সেই লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। রুল অব ল’ অনুসারে পুলিশ আইনানুগভাবে কাজ করবে; কোনো ব্যক্তিগত আদেশ বা স্বৈরশাসন ক্ষমতায় থাকবে না। ঊর্ধ্বতনরা দায়বদ্ধতার সঙ্গে তাদের বিভাগ পরিচালনা করবে—এটাই তাদের আজকের প্রতিজ্ঞা, যোগ করেন তিনি।

মতবিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের বিভিন্ন সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে শুনেছেন এবং সংশ্লিষ্ট সমাধান প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি কর্মকর্তাদের দেশের এবং জনগণের পক্ষে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০৮:২৮:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ঢাকাসহ সারাদেশে চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী দাগি আসামিদের তালিকা করে দ্রুত সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে। তিনি জানান, অভিযান শুরু হবে ঢাকার প্রথম ধাপে এবং এরপর পর্যায়ক্রমে সব জেলায় এই তালিকা প্রণয়ন করে আইনের আওতায় আনা হবে।

বুধবার (৪ মার্চ) বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘‘নির্মোহ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তালিকা করে কাজ করা হবে; ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা বা প্রভাবশালীদের অনুপ্রবেশের সুযোগ নেই।’’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণের সহযোগিতার আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘‘দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আমরা জনগণের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি। জনগণকে আমরা আশ্বস্ত করছি—আইনশৃঙ্খলাবিধি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য দ্রুত ও ধারাবাহিকভাবে কাজ করা হবে।’’

তিনি জানান, ডিএমপি সদর দফতরে নেতৃস্থানীয় অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকে তাদের সমস্যাগুলো শুনেছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। উপস্থিত ছিলেন আইজিপি আলী হোসেন ফকির, ডিএমপি কমিশনার (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মো. সারওয়ারসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার হলো আইনশৃঙ্খলা এবং জনগণের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ ফিরিয়ে আনা। পুলিশের ভূমিকা এই সাফল্যের জন্য অপরিহার্য—তাই প্রতিষ্ঠানটিকে পুনরায় শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলকভাবে পরিচালনা করা হবে।

বিগত সময়ে পুলিশের ওপর যে দাগ লেগেছে সেটিও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘‘অতীতে একটি প্রবলভাবে স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার কারণে পুলিশের কিছু অনিয়ম ও অপকর্ম ঘটে থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিষ্ঠাপনায় বহু আইনমান্য অফিসারই ছিলেন। আমরা সেই ভুলগুলো শোধরাতে কাজ করছি এবং জনগণের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠন করবো।’’

তিনি আরও বলেন, পুলিশিং ব্যবস্থা যেন ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল না হয়ে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম-কানুন ভিত্তিক হয়—সেই লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। রুল অব ল’ অনুসারে পুলিশ আইনানুগভাবে কাজ করবে; কোনো ব্যক্তিগত আদেশ বা স্বৈরশাসন ক্ষমতায় থাকবে না। ঊর্ধ্বতনরা দায়বদ্ধতার সঙ্গে তাদের বিভাগ পরিচালনা করবে—এটাই তাদের আজকের প্রতিজ্ঞা, যোগ করেন তিনি।

মতবিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের বিভিন্ন সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে শুনেছেন এবং সংশ্লিষ্ট সমাধান প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি কর্মকর্তাদের দেশের এবং জনগণের পক্ষে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।