১১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

কাবুল ও সীমান্তে ফের পাকিস্তানের বিমান হামলা, অ্য়াপনায় ৪ নিহত

পাকিস্তানের বিমান হামলায় কাবুল ও আফগান সীমান্ত প্রদেশগুলোতে বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত নতুন আক্রমণ দেখা গেছে। কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খলিল জারদান জানিয়েছেন, বোমা হামলায় অন্তত চারজন নিহত এবং পনেরো জন আহত হয়েছেন।

খলিল জারদান বলেন, হাওয়ায় মিশ্র বোমা হামলায় আবাসিক ভবনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেককে হাসপাতালে ভর্তিও করা হয়েছে।

পাকিস্তানের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা, নাম প্রকাশ না করার শর্তে, দাবি করেছেন তাদের অভিযান মূলত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) গোষ্ঠীর অবস্থান লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। তবে এই দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা কঠিন।

তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়েছেন, কান্দাহারের দক্ষিণাঞ্চল, পাকতিয়া ও পাকতিকা এলাকায় পাকিস্তান আক্রমণ চালিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন যে পাকিস্তানি বিমান বাহিনী কান্দাহার বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত বেসরকারি বিমান পরিষেবা কাম এয়ারের জ্বালানি ডিপোতেও হামলা করেছে।

পাকিস্তান দাবি করেছে তাদের অভিযানে কোনো বেসামরিক লোক নিহত হননি। কাদের অধিকার-অভিযোগ এবং হতাহতের সংখ্যা নিয়ে দুটি পক্ষের দেওয়া তথ্য মিলছে না, দর্শক ও পর্যবেক্ষকরা বলছেন স্বাধীন যাচাইকরণ সম্ভব হচ্ছে না।

জাতিসংঘের আফগানিস্তান মিশন (UNAMA) জানিয়েছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তানের সামরিক অভিযানে আফগানিস্তানে কমপক্ষে ৫৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২৪ জন শিশু। একই সঙ্গে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (UNHCR) জানিয়েছে চলমান সংঘাতের কারণে প্রায় এক লাখ পনেরো হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে স্থানান্তরিত হয়েছেন।

কিছু দিন ধরেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক তীব্রভাবে অবনতি ঘটেছে। আফগানিস্তানকে সন্ত্রাসীদের আশ্রয়দাতা হিসেবে অভিযোগ করে পাকিস্তান গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণার মতো পদক্ষেপ নেন। সেই সময় থেকে সীমান্ত অঞ্চলে জটিলতা ও সংঘর্ষের মাত্রা বাড়েছে।

এ ঘটনার রিপোর্টিং-এ এএফপি সূত্রে পাওয়া তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল; ভবিষ্যতে আরও প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রকাশ পেতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

কাবুল ও সীমান্তে ফের পাকিস্তানের বিমান হামলা, অ্য়াপনায় ৪ নিহত

প্রকাশিতঃ ১১:২৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

পাকিস্তানের বিমান হামলায় কাবুল ও আফগান সীমান্ত প্রদেশগুলোতে বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত নতুন আক্রমণ দেখা গেছে। কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খলিল জারদান জানিয়েছেন, বোমা হামলায় অন্তত চারজন নিহত এবং পনেরো জন আহত হয়েছেন।

খলিল জারদান বলেন, হাওয়ায় মিশ্র বোমা হামলায় আবাসিক ভবনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেককে হাসপাতালে ভর্তিও করা হয়েছে।

পাকিস্তানের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা, নাম প্রকাশ না করার শর্তে, দাবি করেছেন তাদের অভিযান মূলত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) গোষ্ঠীর অবস্থান লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। তবে এই দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা কঠিন।

তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়েছেন, কান্দাহারের দক্ষিণাঞ্চল, পাকতিয়া ও পাকতিকা এলাকায় পাকিস্তান আক্রমণ চালিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন যে পাকিস্তানি বিমান বাহিনী কান্দাহার বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত বেসরকারি বিমান পরিষেবা কাম এয়ারের জ্বালানি ডিপোতেও হামলা করেছে।

পাকিস্তান দাবি করেছে তাদের অভিযানে কোনো বেসামরিক লোক নিহত হননি। কাদের অধিকার-অভিযোগ এবং হতাহতের সংখ্যা নিয়ে দুটি পক্ষের দেওয়া তথ্য মিলছে না, দর্শক ও পর্যবেক্ষকরা বলছেন স্বাধীন যাচাইকরণ সম্ভব হচ্ছে না।

জাতিসংঘের আফগানিস্তান মিশন (UNAMA) জানিয়েছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তানের সামরিক অভিযানে আফগানিস্তানে কমপক্ষে ৫৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২৪ জন শিশু। একই সঙ্গে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (UNHCR) জানিয়েছে চলমান সংঘাতের কারণে প্রায় এক লাখ পনেরো হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে স্থানান্তরিত হয়েছেন।

কিছু দিন ধরেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক তীব্রভাবে অবনতি ঘটেছে। আফগানিস্তানকে সন্ত্রাসীদের আশ্রয়দাতা হিসেবে অভিযোগ করে পাকিস্তান গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণার মতো পদক্ষেপ নেন। সেই সময় থেকে সীমান্ত অঞ্চলে জটিলতা ও সংঘর্ষের মাত্রা বাড়েছে।

এ ঘটনার রিপোর্টিং-এ এএফপি সূত্রে পাওয়া তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল; ভবিষ্যতে আরও প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রকাশ পেতে পারে।