০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আর্থিক অনিয়মে চেলসিকে রেকর্ড জরিমানা, স্থগিত ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্থিক অনিয়ম ও গোপন পেমেন্টের দায়ে সাবেক মালিক রোমান আব্রামোভিচের আমলে চেলসির বিরুদ্ধে বড় শাস্তি’annonce করা হয়েছে। লিগ কর্তৃপক্ষ ক্লাবটিকে রেকর্ড ১ কোটি পাউন্ড জরিমানা করেছে এবং দুই বছরের জন্য একটি স্থগিত ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। অভিযোগভিত্তিক তদন্তে ২০১১ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে খেলোয়াড় দলবদলে নিবন্ধনবহির্ভূত এজেন্ট ও তৃতীয় পক্ষকে গোপনভাবে অর্থ প্রদানের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এডেন হ্যাজার্ড, স্যামুয়েল ইতো, উইলিয়ান, রামিরেজ ও ডেভিড লুইজের মতো বড় নামগুলোকে নিয়ে হওয়া দলবদলের সময় প্রায় ৪ কোটি ৭০ লক্ষ পাউন্ড গোপন লেনদেন হয়েছে। তবু তদন্তকারীরা স্পষ্ট করেছেন যে, সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় বা তখনকার কোচদের ওপর কোনো ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা পাওয়া যায়নি।

চেলসির বর্তমান মালিক টড বোহলি ২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর অভ্যন্তরীণ অডিটে এসব অসংগতি খুঁজে পান এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে স্বেচ্ছায় প্রিমিয়ার লিগকে সব তথ্য হস্তান্তর করেন। ক্লাব তদন্তে স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা করায় এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করায় লিগ কর্তৃপক্ষ প্রথমে প্রস্তাবিত ২ কোটি পাউন্ড জরিমানা শেষপর্যন্ত ১ কোটি পাউন্ডে নামিয়ে দেয় এবং পয়েন্ট কর্তনসহ আরও কঠোর শাস্তি থেকে রেহাই দেয়।

‘স্থগিত’ ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা মানে সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর না হয়ে নির্দিষ্ট শর্ত ভাঙলে আপত্তিকর ব্যবস্থা হিসেবে কার্যকর করা হবে; এখনই মূল দলের ওপর খেলোয়াড় ক্রয়-বিক্রয়ে সরাসরি বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি। তবে এক সঙ্গে একই সময়ে একাডেমির ওপর তৎক্ষণাৎ ৯ মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে—২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে একাডেমি খেলোয়াড় নিবন্ধনে নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে—এবং এর সঙ্গে ক্লাবকে অতিরিক্ত ৭ লক্ষ ৫০ হাজার পাউন্ড জরিমানাও গুণতে হবে।

চেলসি থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ক্লাব শুরু থেকেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং সকল নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করছে। ফুটবল বিশ্লেষকরা বলছেন, পয়েন্ট কাটা না থাকায় সিজনে ক্লাবের মাঠের পারফরম্যান্সে তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়বে না, তবে একাডেমির উপর এতদিনের নিষেধাজ্ঞা ভবিষ্যতে তরুণ প্রতিভা তৈরি ও ক্লাবের প্রতিস্থাপন নীতিতে কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

সংক্ষেপে, প্রাসঙ্গিক আর্থিক অনিয়মের বদিয়ায় চেলসি জরিমানায় পড়লেও স্বচ্ছতার জন্য ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবী সহায়তা ও তথ্যপ্রদান কিছুটা উপশম করেছে—তবে একাডেমি ক্ষেত্রে আনুমানিক দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব রয়ে যাচ্ছে যা ক্লাবকে ভবিষ্যতে মোকাবেলা করতে হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আর্থিক অনিয়মে চেলসিকে রেকর্ড জরিমানা, স্থগিত ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্থিক অনিয়ম ও গোপন পেমেন্টের দায়ে সাবেক মালিক রোমান আব্রামোভিচের আমলে চেলসির বিরুদ্ধে বড় শাস্তি’annonce করা হয়েছে। লিগ কর্তৃপক্ষ ক্লাবটিকে রেকর্ড ১ কোটি পাউন্ড জরিমানা করেছে এবং দুই বছরের জন্য একটি স্থগিত ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। অভিযোগভিত্তিক তদন্তে ২০১১ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে খেলোয়াড় দলবদলে নিবন্ধনবহির্ভূত এজেন্ট ও তৃতীয় পক্ষকে গোপনভাবে অর্থ প্রদানের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এডেন হ্যাজার্ড, স্যামুয়েল ইতো, উইলিয়ান, রামিরেজ ও ডেভিড লুইজের মতো বড় নামগুলোকে নিয়ে হওয়া দলবদলের সময় প্রায় ৪ কোটি ৭০ লক্ষ পাউন্ড গোপন লেনদেন হয়েছে। তবু তদন্তকারীরা স্পষ্ট করেছেন যে, সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় বা তখনকার কোচদের ওপর কোনো ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা পাওয়া যায়নি।

চেলসির বর্তমান মালিক টড বোহলি ২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর অভ্যন্তরীণ অডিটে এসব অসংগতি খুঁজে পান এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে স্বেচ্ছায় প্রিমিয়ার লিগকে সব তথ্য হস্তান্তর করেন। ক্লাব তদন্তে স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা করায় এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করায় লিগ কর্তৃপক্ষ প্রথমে প্রস্তাবিত ২ কোটি পাউন্ড জরিমানা শেষপর্যন্ত ১ কোটি পাউন্ডে নামিয়ে দেয় এবং পয়েন্ট কর্তনসহ আরও কঠোর শাস্তি থেকে রেহাই দেয়।

‘স্থগিত’ ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা মানে সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর না হয়ে নির্দিষ্ট শর্ত ভাঙলে আপত্তিকর ব্যবস্থা হিসেবে কার্যকর করা হবে; এখনই মূল দলের ওপর খেলোয়াড় ক্রয়-বিক্রয়ে সরাসরি বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি। তবে এক সঙ্গে একই সময়ে একাডেমির ওপর তৎক্ষণাৎ ৯ মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে—২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে একাডেমি খেলোয়াড় নিবন্ধনে নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে—এবং এর সঙ্গে ক্লাবকে অতিরিক্ত ৭ লক্ষ ৫০ হাজার পাউন্ড জরিমানাও গুণতে হবে।

চেলসি থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ক্লাব শুরু থেকেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং সকল নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করছে। ফুটবল বিশ্লেষকরা বলছেন, পয়েন্ট কাটা না থাকায় সিজনে ক্লাবের মাঠের পারফরম্যান্সে তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়বে না, তবে একাডেমির উপর এতদিনের নিষেধাজ্ঞা ভবিষ্যতে তরুণ প্রতিভা তৈরি ও ক্লাবের প্রতিস্থাপন নীতিতে কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

সংক্ষেপে, প্রাসঙ্গিক আর্থিক অনিয়মের বদিয়ায় চেলসি জরিমানায় পড়লেও স্বচ্ছতার জন্য ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবী সহায়তা ও তথ্যপ্রদান কিছুটা উপশম করেছে—তবে একাডেমি ক্ষেত্রে আনুমানিক দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব রয়ে যাচ্ছে যা ক্লাবকে ভবিষ্যতে মোকাবেলা করতে হবে।