০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ঈদে যমুনায় কূটনীতিক ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঈদের দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ এবং সকল স্তরের মানুষর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠানটি সকাল ১০টায় শুরু হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বুধবার (১৮ মার্চ) জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী সকালেই জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। নামাজের পর সরাসরি যমুনায় গিয়ে তাতে অংশ নেবেন এবং কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

এরপর অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষাবিদ, আলেম-ওলামা, শিল্পী-সাহিত্যিক ও উচ্চ পদস্থ সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী। সবকিছু ঠিক থাকলে ঈদের পর থেকেই যমুনা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে ব্যবহার শুরু হবে।

গণপূর্ত অধিদফতর জানিয়েছে, যমুনায় বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন নেই; বর্তমানে মূলত রুটিন রক্ষণাবেক্ষণ ও ছোটখাটো কাজ চলছে। গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ভেতরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রং করা, হাইজেনিক ওয়াশসহ সিলিংয়ের কিছু পুরনো অংশের মেরামত চলছে। তিনি জানান, দুই সপ্তাহের মধ্যেই সকল কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

গত আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পরে গণভবন ‘‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’’ হিসেবে গড়ে তোলায় ঐতিহ্যগত সরকারি বাসভবন হিসেবে সেখানে থাকার ব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে। তখনই নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসাবে জাতিসংদ ভবন বা আগারগাঁও এলাকায় স্থাপন সংক্রান্ত পরিকল্পনা ওঠে—তবু তা বাস্তবায়িত হয়নি। এসব পরিস্থিতিতে যমুনাকেই আপাতত সরকার প্রধানের বাসভবন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী গুলশান থেকে সচিবালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাতায়াত করছেন। যমুনা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন এসব স্থানের তুলনায় কাছাকাছি হওয়ায় সংশ্লিষ্টরা এটিকে সুবিধাজনক মনে করছেন।

ইতোমধ্যে যমুনায় দুই দফায় ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী; সেখানে দেশি-বিদেশি কয়েকশ অতিথি উপস্থিত ছিলেন। সূত্রের খবর, ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শেষে যমুনাকেই প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন হিসেবে ব্যবহারে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হবে।

ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তিনি শেরে বাংলানগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করবেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ঈদে যমুনায় কূটনীতিক ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

ঈদের দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ এবং সকল স্তরের মানুষর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠানটি সকাল ১০টায় শুরু হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বুধবার (১৮ মার্চ) জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী সকালেই জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। নামাজের পর সরাসরি যমুনায় গিয়ে তাতে অংশ নেবেন এবং কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

এরপর অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষাবিদ, আলেম-ওলামা, শিল্পী-সাহিত্যিক ও উচ্চ পদস্থ সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী। সবকিছু ঠিক থাকলে ঈদের পর থেকেই যমুনা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে ব্যবহার শুরু হবে।

গণপূর্ত অধিদফতর জানিয়েছে, যমুনায় বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন নেই; বর্তমানে মূলত রুটিন রক্ষণাবেক্ষণ ও ছোটখাটো কাজ চলছে। গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ভেতরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রং করা, হাইজেনিক ওয়াশসহ সিলিংয়ের কিছু পুরনো অংশের মেরামত চলছে। তিনি জানান, দুই সপ্তাহের মধ্যেই সকল কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

গত আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পরে গণভবন ‘‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’’ হিসেবে গড়ে তোলায় ঐতিহ্যগত সরকারি বাসভবন হিসেবে সেখানে থাকার ব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে। তখনই নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসাবে জাতিসংদ ভবন বা আগারগাঁও এলাকায় স্থাপন সংক্রান্ত পরিকল্পনা ওঠে—তবু তা বাস্তবায়িত হয়নি। এসব পরিস্থিতিতে যমুনাকেই আপাতত সরকার প্রধানের বাসভবন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী গুলশান থেকে সচিবালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাতায়াত করছেন। যমুনা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন এসব স্থানের তুলনায় কাছাকাছি হওয়ায় সংশ্লিষ্টরা এটিকে সুবিধাজনক মনে করছেন।

ইতোমধ্যে যমুনায় দুই দফায় ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী; সেখানে দেশি-বিদেশি কয়েকশ অতিথি উপস্থিত ছিলেন। সূত্রের খবর, ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শেষে যমুনাকেই প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন হিসেবে ব্যবহারে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হবে।

ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তিনি শেরে বাংলানগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করবেন।