০৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বিশ্বব্যাংক: গত এক দশকে তরুণদের প্রায় অর্ধেক বেকার

বিশ্বব্যাংক বলছে, গত এক দশকে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে প্রবেশকারী তরুণদের প্রায় অর্ধেকই কর্মসংস্থানের সুযোগ পাননি। নারী তরুণদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কড়া এবং সম্পর্কিত ঝুঁকি বেশি।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট এই তথ্য তুলে ধরেন। তিন দিনের সফর শেষে সে দিনের মধ্যেই তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত দশ বছরে গণনায় প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু একই সময়ে নতুনভাবে সৃজিত কর্মসংস্থানের সংখ্যা ছিল প্রায় ৮৭ লাখ, ফলে বড় অংশই কর্মহীন অবস্থায় থেকে গেছে। বিশ্বব্যাংক সতর্ক করে দিয়েছে, এই ধারা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়াতে পারে।

ঢাকায় অবস্থানকালে জাট অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব আলোচনায় সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে মতবিনিময় হয়।

জাট বলেন, সরকার বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এই লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক সহযোগিতা জোরদার করবে—বিশেষত যুবক ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বিশেষ করে সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক তাদের উদ্দেশ্যও জানান দেয়—এমন অর্থনীতি গড়ে তোলা যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি কর্মসংস্থানে রূপ নেয়। এ লক্ষ্য পূরণে অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে তারা বিভিন্ন ধরণের সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বিশ্বব্যাংক: গত এক দশকে তরুণদের প্রায় অর্ধেক বেকার

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

বিশ্বব্যাংক বলছে, গত এক দশকে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে প্রবেশকারী তরুণদের প্রায় অর্ধেকই কর্মসংস্থানের সুযোগ পাননি। নারী তরুণদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কড়া এবং সম্পর্কিত ঝুঁকি বেশি।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট এই তথ্য তুলে ধরেন। তিন দিনের সফর শেষে সে দিনের মধ্যেই তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত দশ বছরে গণনায় প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু একই সময়ে নতুনভাবে সৃজিত কর্মসংস্থানের সংখ্যা ছিল প্রায় ৮৭ লাখ, ফলে বড় অংশই কর্মহীন অবস্থায় থেকে গেছে। বিশ্বব্যাংক সতর্ক করে দিয়েছে, এই ধারা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়াতে পারে।

ঢাকায় অবস্থানকালে জাট অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব আলোচনায় সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে মতবিনিময় হয়।

জাট বলেন, সরকার বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এই লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক সহযোগিতা জোরদার করবে—বিশেষত যুবক ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বিশেষ করে সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক তাদের উদ্দেশ্যও জানান দেয়—এমন অর্থনীতি গড়ে তোলা যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি কর্মসংস্থানে রূপ নেয়। এ লক্ষ্য পূরণে অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে তারা বিভিন্ন ধরণের সহায়তা অব্যাহত রাখবে।