০৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

পাঞ্জাব কিংসের রেকর্ড জয়, চার বছর পর আইপিএলে প্রথম দুই ম্যাচেই হেরল চেন্নাই

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) পাঞ্জাব কিংস তাদের রানের তাড়া করার শক্তি আবারও প্রমাণ করল। এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংস ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ২০৯ রান করে। কিন্তু লক্ষ্য তাড়ায় পাঞ্জাবের ব্যাটাররা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেললে শেষ পর্যন্ত ৮ বলে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় দলটি এবং ৫ উইকেটে ম্যাচটি জিতে নেয়।

টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল চেন্নাই। ওপেনিংয়ে নেমে সঞ্জু স্যামসন আশা মতো শুরু করতে পারেননি ও মাত্র ৭ রানে ফিরেন। এরপর তরুণ আইপিএল ক্রিকেটার আয়ুশ মাহাত্রে রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের সঙ্গে জুটি গড়ে চেন্নাইকে স্থিতি দিতে সক্ষম হন। ১৮ বছর বয়সী মাহাত্রে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে ৪৩ বলেই ৬টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৭৩ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে সরফরাজ খান ১২ বলে ৩২ এবং শিভাম দুবে অপরাজিত ৪৫ রানে দলকে ২০৯ রানের সম্মানজনক সংগ্রহে পৌঁছে দেন। পাঞ্জাবের পক্ষে বিজয়কুমার ভিশাক দুটি উইকেট নেন।

২১০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওপেনিং থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংতে নামেন পাঞ্জাবের ব্যাটাররা। প্রিয়াংশ আর্য মাত্র ১১ বল খেলেই ৩৯ রান করে ম্যাচের রেশ বদলে দেন। তাঁর ঝড়ো শুরু পুরো দলকে সুবিধা এনে দেয়। প্রভসিমরন সিং ৩৪ বল খেলেন এবং ৪৩ করে ফেরেন, এরপর অধিনায়ক শ্রেয়ার আইয়ার ও কুপার কনলি ম্যাচটি আরও দৃঢ়ভাবে টেনে আনেন। আইয়ার ২৯ বলেই হাফসেঞ্চুরি তুলে দলের জন্য জয় প্রায় নিশ্চিত করে দিলেন। শেষ দিকে শশাঙ্ক সিংয়ের ছোট কিন্তু কার্যকর ক্যামিওতেও পাঞ্জাব দল জয় নিশ্চিত করে।

এই জয়ের মাধ্যমে পাঞ্জাব কিংস টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ইতিহাসে নবমবার দুইশোর্ধ্ব লক্ষ্য তাড়া করে জেতার কীর্তি গড়ল। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দল, যাদের সাতটি এমন জয় রয়েছে। পরিসংখ্যানও বলছে, চেন্নাইয়ের বিপক্ষে পাঞ্জাব ছয়বার ২০০+ লক্ষ্য তাড়া করেছে এবং সেখান থেকে পাঁচবারই জয় তুলে নিয়েছে—কোনো নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এমন রেকর্ড বিরল।

ম্যাচসেরার খিতাব জিতেছেন প্রিয়াংশ আর্য। আন্তর্জাতিক অভিষেক না থাকলেও অনিভূত ইনিংসের মাধ্যমে তিনি দ্রুত ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছেন এবং আনক্যাপড ক্রিকেটার হিসেবে ওই সম্মান একাধিকবার পেতে সমর্থ হয়েছেন।

চেন্নাই শিবিরের জন্য এটি নর্মালের বাইরে সতর্ক সংকেত। আসরের শুরুতেই টানা দুই হার তাদের শিরোপা ধরে রাখার পথে বড় বাধা হয়ে দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে পাঞ্জাবের দুই ম্যাচের দুই জয়ে তারা পয়েন্ট টেবিলে শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করেছে এবং আসর দ্রুতই উত্তেজনায় ভরে উঠছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

পাঞ্জাব কিংসের রেকর্ড জয়, চার বছর পর আইপিএলে প্রথম দুই ম্যাচেই হেরল চেন্নাই

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) পাঞ্জাব কিংস তাদের রানের তাড়া করার শক্তি আবারও প্রমাণ করল। এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংস ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ২০৯ রান করে। কিন্তু লক্ষ্য তাড়ায় পাঞ্জাবের ব্যাটাররা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেললে শেষ পর্যন্ত ৮ বলে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় দলটি এবং ৫ উইকেটে ম্যাচটি জিতে নেয়।

টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল চেন্নাই। ওপেনিংয়ে নেমে সঞ্জু স্যামসন আশা মতো শুরু করতে পারেননি ও মাত্র ৭ রানে ফিরেন। এরপর তরুণ আইপিএল ক্রিকেটার আয়ুশ মাহাত্রে রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের সঙ্গে জুটি গড়ে চেন্নাইকে স্থিতি দিতে সক্ষম হন। ১৮ বছর বয়সী মাহাত্রে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে ৪৩ বলেই ৬টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৭৩ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে সরফরাজ খান ১২ বলে ৩২ এবং শিভাম দুবে অপরাজিত ৪৫ রানে দলকে ২০৯ রানের সম্মানজনক সংগ্রহে পৌঁছে দেন। পাঞ্জাবের পক্ষে বিজয়কুমার ভিশাক দুটি উইকেট নেন।

২১০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওপেনিং থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংতে নামেন পাঞ্জাবের ব্যাটাররা। প্রিয়াংশ আর্য মাত্র ১১ বল খেলেই ৩৯ রান করে ম্যাচের রেশ বদলে দেন। তাঁর ঝড়ো শুরু পুরো দলকে সুবিধা এনে দেয়। প্রভসিমরন সিং ৩৪ বল খেলেন এবং ৪৩ করে ফেরেন, এরপর অধিনায়ক শ্রেয়ার আইয়ার ও কুপার কনলি ম্যাচটি আরও দৃঢ়ভাবে টেনে আনেন। আইয়ার ২৯ বলেই হাফসেঞ্চুরি তুলে দলের জন্য জয় প্রায় নিশ্চিত করে দিলেন। শেষ দিকে শশাঙ্ক সিংয়ের ছোট কিন্তু কার্যকর ক্যামিওতেও পাঞ্জাব দল জয় নিশ্চিত করে।

এই জয়ের মাধ্যমে পাঞ্জাব কিংস টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ইতিহাসে নবমবার দুইশোর্ধ্ব লক্ষ্য তাড়া করে জেতার কীর্তি গড়ল। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দল, যাদের সাতটি এমন জয় রয়েছে। পরিসংখ্যানও বলছে, চেন্নাইয়ের বিপক্ষে পাঞ্জাব ছয়বার ২০০+ লক্ষ্য তাড়া করেছে এবং সেখান থেকে পাঁচবারই জয় তুলে নিয়েছে—কোনো নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এমন রেকর্ড বিরল।

ম্যাচসেরার খিতাব জিতেছেন প্রিয়াংশ আর্য। আন্তর্জাতিক অভিষেক না থাকলেও অনিভূত ইনিংসের মাধ্যমে তিনি দ্রুত ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছেন এবং আনক্যাপড ক্রিকেটার হিসেবে ওই সম্মান একাধিকবার পেতে সমর্থ হয়েছেন।

চেন্নাই শিবিরের জন্য এটি নর্মালের বাইরে সতর্ক সংকেত। আসরের শুরুতেই টানা দুই হার তাদের শিরোপা ধরে রাখার পথে বড় বাধা হয়ে দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে পাঞ্জাবের দুই ম্যাচের দুই জয়ে তারা পয়েন্ট টেবিলে শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করেছে এবং আসর দ্রুতই উত্তেজনায় ভরে উঠছে।