১১:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বুড়িগঙ্গার সঙ্গে জিয়া সরণি খাল সংযোগে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

ঢাকার জলাবদ্ধতা কমিয়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে জিয়া সরণি খালকে যুক্ত করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, এই কাজের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর জিয়া সরণি খাল, কোনাপাড়া খাল ও কুতুবখালী খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান। পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পূর্ববর্তী সরকারের অবহেলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই খালগুলো সংস্কারে টানাপোড়েন ছিল।

তিনি জানান, বর্তমানে সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে খাল দখলমুক্ত করা ও প্রাথমিক সংস্কারকাজ চালানো হচ্ছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে দ্রুত কার্যক্রম চলছে যাতে জলাবদ্ধতা দূর করে পানি সঠিকভাবে নদের দিকে প্রবাহিত হতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী কড়া ভাষায় বলেন, সব খাল দখলমুক্ত করা হবে এবং অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন অনুসারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘‘এ কর্মসূচি কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নয়, জনকল্যাণই সরকারের মূল লক্ষ্য।’’

মীর শাহে আলম আরও বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হওয়ায় সকল উন্নয়নমূলক কাজ জনস্বার্থকে সামনে রেখে শামিলদের সঙ্গে আলোচনা করে এগিয়ে নেওয়া হবে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছে।

গত ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় এই কর্মসূচি চলবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বুড়িগঙ্গার সঙ্গে জিয়া সরণি খাল সংযোগে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

প্রকাশিতঃ ১০:৪২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকার জলাবদ্ধতা কমিয়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে জিয়া সরণি খালকে যুক্ত করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, এই কাজের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর জিয়া সরণি খাল, কোনাপাড়া খাল ও কুতুবখালী খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান। পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পূর্ববর্তী সরকারের অবহেলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই খালগুলো সংস্কারে টানাপোড়েন ছিল।

তিনি জানান, বর্তমানে সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে খাল দখলমুক্ত করা ও প্রাথমিক সংস্কারকাজ চালানো হচ্ছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে দ্রুত কার্যক্রম চলছে যাতে জলাবদ্ধতা দূর করে পানি সঠিকভাবে নদের দিকে প্রবাহিত হতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী কড়া ভাষায় বলেন, সব খাল দখলমুক্ত করা হবে এবং অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন অনুসারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘‘এ কর্মসূচি কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নয়, জনকল্যাণই সরকারের মূল লক্ষ্য।’’

মীর শাহে আলম আরও বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হওয়ায় সকল উন্নয়নমূলক কাজ জনস্বার্থকে সামনে রেখে শামিলদের সঙ্গে আলোচনা করে এগিয়ে নেওয়া হবে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছে।

গত ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় এই কর্মসূচি চলবে।