১২:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বিজিএমইএ বৈঠকে মন্ত্রীর কাছে পোশাক খাতে নিরবিচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের আহ্বান

পোশাক শিল্পে উৎপাদন বজায় রাখতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বৈঠকে তিনি এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)–র প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এসব সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা ফিরে এলেও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বিশ্ববাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি নিরাপত্তা কড়াকড়ি বজায় রাখায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প চাপের মুখে পড়েছে।

তিনি জানান, পর্যাপ্ত গ্যাস ও বিদ্যুৎ না থাকায় কারখানাগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা বর্তমানে মাত্র ২৫–৩০ শতাংশে নেমে গেছে। বিশেষত গাজীপুর ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে ঘনঘন লোডশেডিং এবং জেনারেটরের জন্য ডিজেলের ঘাটতি উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘœ ঘটাচ্ছে।

সংকট মোকাবিলায় বিজিএমইএর প্রতিনিধিরা মন্ত্রিসভাকে Several প্রস্তাব দেন। তাদের দাবি—নিকটস্থ ফিলিং স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে দ্রুত ডিজেল সরবরাহ सुनिश्चित করা, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগগুলোতে অবিলম্বে জরুরি গ্যাস সংযোগ দেওয়া এবং ঢাকার আশপাশের সব শিল্পাঞ্চলে সমানভাবে গ্যাস সরবরাহ করা।

অন্য প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্রুত অতিরিক্ত FSRU স্থাপন, শিল্পখাতে EVC মিটার স্থাপনের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর বিদ্যমান শুল্ক ও ভ্যাট কমিয়ে উৎপাদন ব্যয় কমানো। পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সোলার পিভি সিস্টেমের যন্ত্রপাতি আমদানিতে বিশেষ শুল্কছাড় দাবি করা হয়। বিজিএমইএ জানিয়েছে, সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ডিসি ক্যাবল ও ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (BESS)-এর ওপর বর্তমানে যে শুল্ক ধার্য রয়েছে (২৮.৭৩ থেকে ৬১.৮০ শতাংশের মধ্যে), তা একক হার ১ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব তারা করেছে।

মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত প্রস্তাবগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন এবং দেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবদান স্বীকার করেন। জরুরি ভিত্তিতে নিকটস্থ ফিলিং স্টেশন থেকে ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য বিজিএমইএ যে ফরম্যাট প্রস্তাব করেছে তা অনুমোদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের জোরও দেওয়া হয়েছে যাতে উৎপাদন ব্যাহত না হয় এবং রফতানি অব্যাহত থাকে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বিজিএমইএ বৈঠকে মন্ত্রীর কাছে পোশাক খাতে নিরবিচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের আহ্বান

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

পোশাক শিল্পে উৎপাদন বজায় রাখতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বৈঠকে তিনি এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)–র প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এসব সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা ফিরে এলেও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বিশ্ববাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি নিরাপত্তা কড়াকড়ি বজায় রাখায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প চাপের মুখে পড়েছে।

তিনি জানান, পর্যাপ্ত গ্যাস ও বিদ্যুৎ না থাকায় কারখানাগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা বর্তমানে মাত্র ২৫–৩০ শতাংশে নেমে গেছে। বিশেষত গাজীপুর ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে ঘনঘন লোডশেডিং এবং জেনারেটরের জন্য ডিজেলের ঘাটতি উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘœ ঘটাচ্ছে।

সংকট মোকাবিলায় বিজিএমইএর প্রতিনিধিরা মন্ত্রিসভাকে Several প্রস্তাব দেন। তাদের দাবি—নিকটস্থ ফিলিং স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে দ্রুত ডিজেল সরবরাহ सुनिश्चित করা, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগগুলোতে অবিলম্বে জরুরি গ্যাস সংযোগ দেওয়া এবং ঢাকার আশপাশের সব শিল্পাঞ্চলে সমানভাবে গ্যাস সরবরাহ করা।

অন্য প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্রুত অতিরিক্ত FSRU স্থাপন, শিল্পখাতে EVC মিটার স্থাপনের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর বিদ্যমান শুল্ক ও ভ্যাট কমিয়ে উৎপাদন ব্যয় কমানো। পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সোলার পিভি সিস্টেমের যন্ত্রপাতি আমদানিতে বিশেষ শুল্কছাড় দাবি করা হয়। বিজিএমইএ জানিয়েছে, সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ডিসি ক্যাবল ও ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (BESS)-এর ওপর বর্তমানে যে শুল্ক ধার্য রয়েছে (২৮.৭৩ থেকে ৬১.৮০ শতাংশের মধ্যে), তা একক হার ১ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব তারা করেছে।

মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত প্রস্তাবগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন এবং দেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবদান স্বীকার করেন। জরুরি ভিত্তিতে নিকটস্থ ফিলিং স্টেশন থেকে ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য বিজিএমইএ যে ফরম্যাট প্রস্তাব করেছে তা অনুমোদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের জোরও দেওয়া হয়েছে যাতে উৎপাদন ব্যাহত না হয় এবং রফতানি অব্যাহত থাকে।