১১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

অ্যানফিল্ডে লিভারপুলকে ভেঙে সেমিফাইনালে পিএসজি

ইউরোপের প্রধান মঞ্চে আরেকটি স্মরণীয় রাত উপহার দিল প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। কোয়ার্টার ফাইনালের ফিরতি লেগে অ্যানফিল্ডে লিভারপুলকে ২-০ গোলে হারিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৪-০ ব্যবধানে সেমিফাইনালে উঠল লুইস এনরিকের দল।

ম্যাচে নায়ক হয়ে ছিলেন উসমান দেম্বেলে। দ্বিতীয়ার্ধে ৭২ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে বাম পায়ের এক নিখুঁত নিচু শটে জিওর্গি মামারদাশভিলিকে পরাস্ত করে তিনি খুলে দেন স্কোরবোর্ড। 경기 যখন শেষ হয়ে আসছিল, যোগ করা সময়ে দলের গতিশীল আক্রমণ থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে জয় নিশ্চিত করেন দেম্বেলে, যা অ্যানফিল্ডকে সম্পূর্ণ স্তব্ধ করে দেয়।

ম্যাচের দিক থেকে লিভারপুলের পরিস্থিতি শুরু থেকেই চাপযুক্ত ছিল; প্রথম লেগে প্যারিসে ২-০ হারায় তারা ব্যাকফুটে ছিল। অ্যানফিল্ডে দর্শকদের পুরো উন্মাদনা থাকা সত্ত্বেও মাঠে পিএসজির সংহত রক্ষণভাগ ভাঙতে লিভারপুল ঝুঁকি নিয়েও তৎপর ছিল — এমনকি দ্বিতীয়ার্ধে রেফারি একটি পেনাল্টি নিয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন, কিন্তু ভিএআর (VAR) পর্যালোচনার পর সেই সিদ্ধান্ত বাতিল হলে স্বাগতিকদের বড় সুযোগ হাতছাড়া হয় এবং ম্যাচের গতিপ্রকৃতি পুরোপুরি বদলে যায়।

দেম্বেলের গোলে পিএসজি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে খেলায় স্থিতিশীলতা দেখায়। আগের কিছু সুযোগ নষ্টের আক্ষেপ উঠে গেল তার কার্যকর ফিনিশিংয়ে। অপরপক্ষে, ছয়বারের ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল প্রত্যাবর্তনের চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত সেই গল্পটা লিখতে পারেনি—ঘরের মাঠে বিদায় নিতে হল তাদের।

এই জয়ের ফলে পিএসজি এখন সেমিফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ বা বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে খেলবে; সেই জুটি প্রথম লেগে বায়ার্ন ২-১ এগিয়ে রয়েছে। লিভারপুলের জন্য এই বিদায় মানে না শুধু চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিসর্জন, একই সঙ্গে ঘরোয়া লিগেও তারা চাপের মুখে রয়েছে। ক্লাবটির সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষ স্থানে অবস্থান ধরে রাখা, যাতে আগামী মৌসুমে ফের ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে সুযোগ পাওয়া যায়।

প্যারিসে উদ্‌যাপনের ছাপ রেখে গেল ইউরোপীয় ফুটবলের অঙ্গন — কিন্তু লিভারপুল ভক্তদের হতাশাও একই মাত্রায় স্পষ্ট। ফুটবল কখনোই পূর্বানুমানযোগ্য নয়, আর আজ রাতেই সেই অসামঞ্জস্যই ফুটে উঠল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

অ্যানফিল্ডে লিভারপুলকে ভেঙে সেমিফাইনালে পিএসজি

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইউরোপের প্রধান মঞ্চে আরেকটি স্মরণীয় রাত উপহার দিল প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। কোয়ার্টার ফাইনালের ফিরতি লেগে অ্যানফিল্ডে লিভারপুলকে ২-০ গোলে হারিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৪-০ ব্যবধানে সেমিফাইনালে উঠল লুইস এনরিকের দল।

ম্যাচে নায়ক হয়ে ছিলেন উসমান দেম্বেলে। দ্বিতীয়ার্ধে ৭২ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে বাম পায়ের এক নিখুঁত নিচু শটে জিওর্গি মামারদাশভিলিকে পরাস্ত করে তিনি খুলে দেন স্কোরবোর্ড। 경기 যখন শেষ হয়ে আসছিল, যোগ করা সময়ে দলের গতিশীল আক্রমণ থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে জয় নিশ্চিত করেন দেম্বেলে, যা অ্যানফিল্ডকে সম্পূর্ণ স্তব্ধ করে দেয়।

ম্যাচের দিক থেকে লিভারপুলের পরিস্থিতি শুরু থেকেই চাপযুক্ত ছিল; প্রথম লেগে প্যারিসে ২-০ হারায় তারা ব্যাকফুটে ছিল। অ্যানফিল্ডে দর্শকদের পুরো উন্মাদনা থাকা সত্ত্বেও মাঠে পিএসজির সংহত রক্ষণভাগ ভাঙতে লিভারপুল ঝুঁকি নিয়েও তৎপর ছিল — এমনকি দ্বিতীয়ার্ধে রেফারি একটি পেনাল্টি নিয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন, কিন্তু ভিএআর (VAR) পর্যালোচনার পর সেই সিদ্ধান্ত বাতিল হলে স্বাগতিকদের বড় সুযোগ হাতছাড়া হয় এবং ম্যাচের গতিপ্রকৃতি পুরোপুরি বদলে যায়।

দেম্বেলের গোলে পিএসজি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে খেলায় স্থিতিশীলতা দেখায়। আগের কিছু সুযোগ নষ্টের আক্ষেপ উঠে গেল তার কার্যকর ফিনিশিংয়ে। অপরপক্ষে, ছয়বারের ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল প্রত্যাবর্তনের চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত সেই গল্পটা লিখতে পারেনি—ঘরের মাঠে বিদায় নিতে হল তাদের।

এই জয়ের ফলে পিএসজি এখন সেমিফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ বা বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে খেলবে; সেই জুটি প্রথম লেগে বায়ার্ন ২-১ এগিয়ে রয়েছে। লিভারপুলের জন্য এই বিদায় মানে না শুধু চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিসর্জন, একই সঙ্গে ঘরোয়া লিগেও তারা চাপের মুখে রয়েছে। ক্লাবটির সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষ স্থানে অবস্থান ধরে রাখা, যাতে আগামী মৌসুমে ফের ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে সুযোগ পাওয়া যায়।

প্যারিসে উদ্‌যাপনের ছাপ রেখে গেল ইউরোপীয় ফুটবলের অঙ্গন — কিন্তু লিভারপুল ভক্তদের হতাশাও একই মাত্রায় স্পষ্ট। ফুটবল কখনোই পূর্বানুমানযোগ্য নয়, আর আজ রাতেই সেই অসামঞ্জস্যই ফুটে উঠল।