০৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

টি-টোয়েন্টিতে শততম ফিফটি, ওয়ার্নার–কোহলি–বাটলারের ক্লাবে বাবর আজম

আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের এক দাপুটে ব্যাটিং ভুবনে নিজের নাম উজ্জ্বল করে গেলেন বাবর আজম। পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে মঙ্গলবার রাতের ম্যাচে তিনি খেলেন এক মনোমুগ্ধ কেবল এবং পৌঁছে যান নিজের ১০০তম টি-টোয়েন্টি অর্ধশতকে — তেমনই বিরল এক মাইলফলক, যা এই ফরম্যাটে মাত্র কয়েকজনের কাছেই সম্ভব হয়েছে।

এই অর্জনের ফলে বাবর এখন বিশ্বের কেবল চতুর্থ ব্যাটার, যিনি টি-টোয়েন্টিতে শতবার হাফসেঞ্চুরি করেছেন। তালিকার শীর্ষে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড ওয়ার্নার (১১৬ ফিফটি), এরপর ভারতের বিরাট কোহলি (১০৭) এবং ইংল্যান্ডের জস বাটলার (১০০)। বাবরও এখন বাটলারের সমান ১০০টি ফিফটির মালিক এবং তাঁর ধারাবাহিক ফর্ম ধরে রাখলে শীঘ্রই আরও সামনে উঠে আসার সম্ভাবনা উজ্জ্বল।

ম্যাচে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স প্রথমে সব উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রানে অলআউট হয় — টার্গেট হিসেবে বেশ প্রতিযোগিতামূলক কিন্তু কোনো অতিরিক্ত চ্যালেঞ্জ নয়। পেশোয়ার জালমি যখন রান তাড়া শুরু করে, তখন ওপেনিংয়ে বাবর আজম এক শক্ত ভিত্তি গড়ে দেন। মাঝের ওভারগুলোতে দলের প্রয়োজনীয় তাড়াতাড়ি রান তুলতে থাকলেও বাবরের ধীর ও দায়িত্বশীল ব্যাটিং জয় নিশ্চিত করে।

মিডল অর্ডারে কুশল মেন্ডিস ২১ রান করে আউট হলেও শেষ পর্যন্ত বাবর ও অ্যারন হার্ডির জুটিতে জয় নিশ্চিত হয়। বাবর থেকে ইনিংসটি ছিল সাবলীল ও কার্যকর — ৭১ রানে অপরাজিত থেকে তিনি নিজের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের শততম অর্ধশতক পূর্ণ করেন এবং দলকে আরামদায়ক জয়ে পৌঁছে দেন।

এই জয়ে পেশোয়ার জালমি পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান আরো সুসংহত করেছে। ৭ ম্যাচে ৬ জয় ও ১ ড্র নিয়ে দলের সংগ্রহ ১৩ পয়েন্ট, ফলে শিরোপা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাদের অবস্থান শক্ত হয়ে উঠেছে।

ব্যক্তিগত মাইলফলকের পাশাপাশি বাবরের এই পারফরম্যান্স দলের সংগ্রহে বড় অবদান রাখছে। ক্রিকেট বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাবরের ধারাবাহিক রেকর্ডভাঙা পারফরম্যান্স পাকিস্তান ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক সংকেত।

শততম ফিফটির গৌরবময় মুহূর্তে বিশ্ব ক্রিকেট থেকে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন বাবর আজম — এককথায়, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সমৃদ্ধ তালিকায় তাঁর নাম এখন আরও উজ্জ্বলভাবে স্থান পেয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

টি-টোয়েন্টিতে শততম ফিফটি, ওয়ার্নার–কোহলি–বাটলারের ক্লাবে বাবর আজম

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের এক দাপুটে ব্যাটিং ভুবনে নিজের নাম উজ্জ্বল করে গেলেন বাবর আজম। পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে মঙ্গলবার রাতের ম্যাচে তিনি খেলেন এক মনোমুগ্ধ কেবল এবং পৌঁছে যান নিজের ১০০তম টি-টোয়েন্টি অর্ধশতকে — তেমনই বিরল এক মাইলফলক, যা এই ফরম্যাটে মাত্র কয়েকজনের কাছেই সম্ভব হয়েছে।

এই অর্জনের ফলে বাবর এখন বিশ্বের কেবল চতুর্থ ব্যাটার, যিনি টি-টোয়েন্টিতে শতবার হাফসেঞ্চুরি করেছেন। তালিকার শীর্ষে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড ওয়ার্নার (১১৬ ফিফটি), এরপর ভারতের বিরাট কোহলি (১০৭) এবং ইংল্যান্ডের জস বাটলার (১০০)। বাবরও এখন বাটলারের সমান ১০০টি ফিফটির মালিক এবং তাঁর ধারাবাহিক ফর্ম ধরে রাখলে শীঘ্রই আরও সামনে উঠে আসার সম্ভাবনা উজ্জ্বল।

ম্যাচে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স প্রথমে সব উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রানে অলআউট হয় — টার্গেট হিসেবে বেশ প্রতিযোগিতামূলক কিন্তু কোনো অতিরিক্ত চ্যালেঞ্জ নয়। পেশোয়ার জালমি যখন রান তাড়া শুরু করে, তখন ওপেনিংয়ে বাবর আজম এক শক্ত ভিত্তি গড়ে দেন। মাঝের ওভারগুলোতে দলের প্রয়োজনীয় তাড়াতাড়ি রান তুলতে থাকলেও বাবরের ধীর ও দায়িত্বশীল ব্যাটিং জয় নিশ্চিত করে।

মিডল অর্ডারে কুশল মেন্ডিস ২১ রান করে আউট হলেও শেষ পর্যন্ত বাবর ও অ্যারন হার্ডির জুটিতে জয় নিশ্চিত হয়। বাবর থেকে ইনিংসটি ছিল সাবলীল ও কার্যকর — ৭১ রানে অপরাজিত থেকে তিনি নিজের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের শততম অর্ধশতক পূর্ণ করেন এবং দলকে আরামদায়ক জয়ে পৌঁছে দেন।

এই জয়ে পেশোয়ার জালমি পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান আরো সুসংহত করেছে। ৭ ম্যাচে ৬ জয় ও ১ ড্র নিয়ে দলের সংগ্রহ ১৩ পয়েন্ট, ফলে শিরোপা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাদের অবস্থান শক্ত হয়ে উঠেছে।

ব্যক্তিগত মাইলফলকের পাশাপাশি বাবরের এই পারফরম্যান্স দলের সংগ্রহে বড় অবদান রাখছে। ক্রিকেট বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাবরের ধারাবাহিক রেকর্ডভাঙা পারফরম্যান্স পাকিস্তান ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক সংকেত।

শততম ফিফটির গৌরবময় মুহূর্তে বিশ্ব ক্রিকেট থেকে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন বাবর আজম — এককথায়, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সমৃদ্ধ তালিকায় তাঁর নাম এখন আরও উজ্জ্বলভাবে স্থান পেয়েছে।