০৭:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

এক দিনে দুইবার দাম বদল — স্বর্ণবাজারে অস্থিরতা

দেশে স্বর্ণবাজারে বৃহস্পতিবার নাটকীয় অবস্থার দেখা মিলেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সকালে দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছিলো, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সন্ধ্যায় জরুরি বৈঠকে আবারও দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একে নিয়ে বাজারে বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

বজুসের প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং কমিটির জরুরি বৈঠক বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। সংশোধিত মূল্যনির্ধারণ আজ সন্ধ্যা ৭টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

দাম তালিকা অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লক্ষ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। সকালেই ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতিভরি ২ লক্ষ ৪০ হাজার ৩৩৬ টাকা করে কমিয়েছিল বাজুস। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম এখন ২ লক্ষ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ১ লক্ষ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা হিসেবে জানানো হয়েছে।

রূপার দামও নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী প্রতি ভরি রূপা ৫ হাজার ৪৮২ টাকা (২২ ক্যারেট), ৫ হাজার ১৯০ টাকা (২১ ক্যারেট), ৪ হাজার ৪৯১ টাকা (১৮ ক্যারেট) এবং ঐতিহ্যগত পদ্ধতিতে ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা ধরে রাখা হয়েছে।

অলংকার ব্যবসায়ীরা ও সাধারণ ক্রেতারা এক দিনে দুটি দামের ওঠানামায় বিস্ময়ে পড়েছেন। বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দর ও স্থানীয় চাহিদার ওঠানামাই এই হঠাৎ পরিবর্তনের মূল কারণ হতে পারে। সংগঠনটি বলেছে, বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় চালিয়ে যাবে এবং ভোক্তাদের স্বার্থ ও ব্যবসায়িক ভারসাম্য বজায় রাখা তাদের মূল উদ্বেগ।

বছরের চলমান সময়ে নানা সময়ে স্বর্ণের দাম কমানো ও বাড়ানোর ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু একদিনে দুবার বদলের মতো ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল। বাজার বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক দর দ্রুত পরিবর্তিত হলে স্থানীয়ভাবে জরুরি সমন্বয় আনতেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

এক দিনে দুইবার দাম বদল — স্বর্ণবাজারে অস্থিরতা

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

দেশে স্বর্ণবাজারে বৃহস্পতিবার নাটকীয় অবস্থার দেখা মিলেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সকালে দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছিলো, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সন্ধ্যায় জরুরি বৈঠকে আবারও দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একে নিয়ে বাজারে বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

বজুসের প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং কমিটির জরুরি বৈঠক বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। সংশোধিত মূল্যনির্ধারণ আজ সন্ধ্যা ৭টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

দাম তালিকা অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লক্ষ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। সকালেই ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতিভরি ২ লক্ষ ৪০ হাজার ৩৩৬ টাকা করে কমিয়েছিল বাজুস। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম এখন ২ লক্ষ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ১ লক্ষ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা হিসেবে জানানো হয়েছে।

রূপার দামও নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী প্রতি ভরি রূপা ৫ হাজার ৪৮২ টাকা (২২ ক্যারেট), ৫ হাজার ১৯০ টাকা (২১ ক্যারেট), ৪ হাজার ৪৯১ টাকা (১৮ ক্যারেট) এবং ঐতিহ্যগত পদ্ধতিতে ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা ধরে রাখা হয়েছে।

অলংকার ব্যবসায়ীরা ও সাধারণ ক্রেতারা এক দিনে দুটি দামের ওঠানামায় বিস্ময়ে পড়েছেন। বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দর ও স্থানীয় চাহিদার ওঠানামাই এই হঠাৎ পরিবর্তনের মূল কারণ হতে পারে। সংগঠনটি বলেছে, বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় চালিয়ে যাবে এবং ভোক্তাদের স্বার্থ ও ব্যবসায়িক ভারসাম্য বজায় রাখা তাদের মূল উদ্বেগ।

বছরের চলমান সময়ে নানা সময়ে স্বর্ণের দাম কমানো ও বাড়ানোর ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু একদিনে দুবার বদলের মতো ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল। বাজার বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক দর দ্রুত পরিবর্তিত হলে স্থানীয়ভাবে জরুরি সমন্বয় আনতেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়।