০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মামুনুল অবসরের ঘোষণা, ১ মে বিদায়ি ম্যাচে ভক্তদের উপস্থিতির আহ্বান

বাংলাদেশের সাবেক সফল অধিনায়ক ও এক সময়ের জনপ্রিয় ফুটবল তারকা মামুনুল ইসলাম সব ধরনের পেশাদার ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তা দিয়ে এই সিদ্ধান্তটি ঘোষণা করে ভক্তদের জানান যে কেরিয়ারের পরবর্তী অধ্যায় শুরু করার সময় এসেছে। তাঁর প্রস্থান দেশের ফুটবল অঙ্গনে এক সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মামুনুল নিজেই তার বিদায়ি ম্যাচের দিন নির্ধারণ করেছেন—১ মে, শুক্রবার। বর্তমানে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ফর্টিস এফসির হয়ে খেলছেন এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার। তিনি বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটির বিরুদ্ধে খেলেই ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি পালন করবেন। অনুরোধ করেছেন, শেষবার মাঠে নামার এই মুহূর্তটি সকল ভক্ত ও সমর্থক মাঠে থেকে দেখে তাঁকে বিদায় জানান।

জাতীয় দলের জার্সিতে মামুনুলের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি বাংলাদেশের হয়ে মোট ৫৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছেন এবং ৩টি গোল করেছেন। দীর্ঘ সময় তিনি দলের নেতৃত্ব দেন ও মধ্যমাঠে দলের চালিকা শক্তি ছিলেন। আন্তর্জাতিকভাবে মাঠেই বিদায় নেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও বিভিন্ন বাস্তবতায় তা সম্ভব না হওয়ায় ঘরোয়া লিগের এই ম্যাচটি তিনি আনুষ্ঠানিক বিদায়ি মঞ্চ হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

ঘরোয়া ফুটবলে তাঁর সফলতা অসামান্য—ঢাকা আবাহনী, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র এবং শেখ জামালসহ দেশের শীর্ষ ক্লাবগুলোতে তিনি সময়ের সেরা পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। তার পাশাপাশি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ক্লাব আতলেতিকো ডি কলকাতায় খেলেন, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ফুটবলকে উজ্জ্বল করেছে।

৩৭ বছরীয় এই ফুটবলার বিদায়সংক্রান্ত বার্তায় আবেগপ্রবণ হয়ে বলেছেন যে দীর্ঘ ফুটবল যাত্রায় সমর্থকদের ভালোবাসা ও দোয়া ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। ১ মে-র ম্যাচে ভক্তদের উপস্থিতিকেই তিনি নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের সেরা প্রাপ্তি হিসেবে বিবেচনা করছেন।

মাঠের লড়াই থেকে সরে গেলেও মামুনুল ইসলামের নাম বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে একজন অদম্য লড়াকু অধিনায়ক ও দক্ষ মিডফিল্ডার হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মামুনুল অবসরের ঘোষণা, ১ মে বিদায়ি ম্যাচে ভক্তদের উপস্থিতির আহ্বান

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

বাংলাদেশের সাবেক সফল অধিনায়ক ও এক সময়ের জনপ্রিয় ফুটবল তারকা মামুনুল ইসলাম সব ধরনের পেশাদার ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তা দিয়ে এই সিদ্ধান্তটি ঘোষণা করে ভক্তদের জানান যে কেরিয়ারের পরবর্তী অধ্যায় শুরু করার সময় এসেছে। তাঁর প্রস্থান দেশের ফুটবল অঙ্গনে এক সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মামুনুল নিজেই তার বিদায়ি ম্যাচের দিন নির্ধারণ করেছেন—১ মে, শুক্রবার। বর্তমানে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ফর্টিস এফসির হয়ে খেলছেন এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার। তিনি বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটির বিরুদ্ধে খেলেই ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি পালন করবেন। অনুরোধ করেছেন, শেষবার মাঠে নামার এই মুহূর্তটি সকল ভক্ত ও সমর্থক মাঠে থেকে দেখে তাঁকে বিদায় জানান।

জাতীয় দলের জার্সিতে মামুনুলের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি বাংলাদেশের হয়ে মোট ৫৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছেন এবং ৩টি গোল করেছেন। দীর্ঘ সময় তিনি দলের নেতৃত্ব দেন ও মধ্যমাঠে দলের চালিকা শক্তি ছিলেন। আন্তর্জাতিকভাবে মাঠেই বিদায় নেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও বিভিন্ন বাস্তবতায় তা সম্ভব না হওয়ায় ঘরোয়া লিগের এই ম্যাচটি তিনি আনুষ্ঠানিক বিদায়ি মঞ্চ হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

ঘরোয়া ফুটবলে তাঁর সফলতা অসামান্য—ঢাকা আবাহনী, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র এবং শেখ জামালসহ দেশের শীর্ষ ক্লাবগুলোতে তিনি সময়ের সেরা পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। তার পাশাপাশি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ক্লাব আতলেতিকো ডি কলকাতায় খেলেন, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ফুটবলকে উজ্জ্বল করেছে।

৩৭ বছরীয় এই ফুটবলার বিদায়সংক্রান্ত বার্তায় আবেগপ্রবণ হয়ে বলেছেন যে দীর্ঘ ফুটবল যাত্রায় সমর্থকদের ভালোবাসা ও দোয়া ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। ১ মে-র ম্যাচে ভক্তদের উপস্থিতিকেই তিনি নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের সেরা প্রাপ্তি হিসেবে বিবেচনা করছেন।

মাঠের লড়াই থেকে সরে গেলেও মামুনুল ইসলামের নাম বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে একজন অদম্য লড়াকু অধিনায়ক ও দক্ষ মিডফিল্ডার হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।