০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বন্ধ বস্ত্র ও পাট কারখানা পুনরুজ্জীবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার (৪ মে) সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে বস্ত্র ও পাট খাতের বন্ধ কল-কারখানার বর্তমান পরিস্থিতি ও পুনরায় চালুর সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিস্তারিত বৈঠক করেছেন। সকালবেলায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে খাতটির আর্থিক চ্যালেঞ্জ, অবকাঠামোগত সমস্যা এবং পুনরুজ্জীবনের বাস্তবসম্মত উপায়গুলো নিয়ে ঘনিষ্ঠ আলোচনা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপ-প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা (সুজন) মাহমুদ জানান, বৈঠকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা বন্ধ কারখানাগুলোকে পুনরায় চালু করার জন্য সম্ভাব্য পথচলা, বিনিয়োগ আকর্ষণ ও নেতিবাচক বাধা দূর করার উপায় নিয়েও মত বিনিময় করেন।

বৈঠকে বাণিজ্য ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)–এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন্নসহ খাতের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সূত্র বলছে, বৈঠকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বিনিয়োগ আর্কষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা সংস্কারের ওপর — যেগুলো বন্ধ থাকা কারখানাগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখবে। এছাড়া এই কারখানাগুলো পুনরায় চালু হলে বেকারদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে — এ বিষয়টিও সভায় গুরুত্বার সঙ্গে uth্থাপিত হয়।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বস্ত্র ও পাট খাতের পুনরুজ্জীবন হলে স্থানীয় অর্থনীতি এবং রপ্তানি সম্ভাবনাও বাড়বে। বৈঠকে আলোচিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের জন্য যুগোপযোগী নীতিমালা, দ্রুত বিনিয়োগ প্রক্রিয়া ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ওপর জোর দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে।

বৈঠকের পর পরবর্তী ধাপ হিসেবে খাতের করণীয় ও বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে বলে জানা গেছে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে এসব উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবে রূপ পেলে, শিল্প revival ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বন্ধ বস্ত্র ও পাট কারখানা পুনরুজ্জীবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার (৪ মে) সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে বস্ত্র ও পাট খাতের বন্ধ কল-কারখানার বর্তমান পরিস্থিতি ও পুনরায় চালুর সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিস্তারিত বৈঠক করেছেন। সকালবেলায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে খাতটির আর্থিক চ্যালেঞ্জ, অবকাঠামোগত সমস্যা এবং পুনরুজ্জীবনের বাস্তবসম্মত উপায়গুলো নিয়ে ঘনিষ্ঠ আলোচনা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপ-প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা (সুজন) মাহমুদ জানান, বৈঠকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা বন্ধ কারখানাগুলোকে পুনরায় চালু করার জন্য সম্ভাব্য পথচলা, বিনিয়োগ আকর্ষণ ও নেতিবাচক বাধা দূর করার উপায় নিয়েও মত বিনিময় করেন।

বৈঠকে বাণিজ্য ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)–এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন্নসহ খাতের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সূত্র বলছে, বৈঠকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বিনিয়োগ আর্কষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা সংস্কারের ওপর — যেগুলো বন্ধ থাকা কারখানাগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখবে। এছাড়া এই কারখানাগুলো পুনরায় চালু হলে বেকারদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে — এ বিষয়টিও সভায় গুরুত্বার সঙ্গে uth্থাপিত হয়।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বস্ত্র ও পাট খাতের পুনরুজ্জীবন হলে স্থানীয় অর্থনীতি এবং রপ্তানি সম্ভাবনাও বাড়বে। বৈঠকে আলোচিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের জন্য যুগোপযোগী নীতিমালা, দ্রুত বিনিয়োগ প্রক্রিয়া ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ওপর জোর দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে।

বৈঠকের পর পরবর্তী ধাপ হিসেবে খাতের করণীয় ও বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে বলে জানা গেছে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে এসব উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবে রূপ পেলে, শিল্প revival ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।