০৫:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আবাসন খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিবন্ধন ব্যয় কমানোর আহ্বান

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) দেশী রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারদের জবাবদিহিতা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে আবাসন খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে রিহ্যাব প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আয়োজিত এক যৌথ সভায় এই বিষয়গুলো আলোচিত হয়।

রিহ্যাব সভায় জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন সংক্রান্ত খরচ কমিয়ে অপ্রদর্শিত আয়ের বিনিয়োগ ঠেকানো ও লেনদেনে স্বচ্ছতা বৃদ্ধির দাবি উত্থাপন করে। রিহ্যাবের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়, নিবন্ধন খরচ কমলে আইনসিদ্ধভাবে হস্তান্তর ও লেনদেন নিশ্চিত হওয়া সহজ হবে এবং অনিয়মের সুযোগ সীমিত হবে।

বিএফআইইউ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় রিহ্যাবের প্রতিনিধি দল নেতৃত্ব দেন সংগঠনের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল। বিএফআইইউ-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুনসহ অন্যান্য পদস্থ কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় প্রধানত মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর করণীয়, গ্রাহক যাচাইকরণ (কেওয়াইসি) এবং সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্টিং বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়।

রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল বলেন, রিহ্যাব সরকারের নীতি ও আইনকে সম্মান করে এবং সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইন অনুযায়ী আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল করে তোলার জন্য বিএফআইইউ-এর সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রাখবে। তিনি জানান, নিবন্ধন খরচ কমালে লেনদেনের স্বচ্ছতা বাড়বে এবং অর্থপাচারের ঝুঁকি কমবে।

রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক বলেছিলেন, রিয়েল এস্টেট খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে কঠোর কমপ্লায়েন্স বাধ্যতামূলক। রিহ্যাব সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর রিপোর্টিং ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে প্রশিক্ষণ ও সমন্বয়মূলক কার্যক্রম চালাবে। সভায় উপস্থিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দও সরকারের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দুর্নীতি প্রতিহতকরণ সংস্থাদুদক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর জোর দেন।

বিএফআইইউ কর্মকর্তারা ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রযোজ্য আইনি বাধ্যবাধকতা এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কারিগরি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। উভয় পক্ষই আবাসন খাতকে বিনিয়োগবান্ধব ও অপরাধমুক্ত রাখার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। সভায় রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও অন্যান্য পরিচালকবর্গও অংশগ্রহণ করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আবাসন খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিবন্ধন ব্যয় কমানোর আহ্বান

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) দেশী রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারদের জবাবদিহিতা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে আবাসন খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে রিহ্যাব প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আয়োজিত এক যৌথ সভায় এই বিষয়গুলো আলোচিত হয়।

রিহ্যাব সভায় জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন সংক্রান্ত খরচ কমিয়ে অপ্রদর্শিত আয়ের বিনিয়োগ ঠেকানো ও লেনদেনে স্বচ্ছতা বৃদ্ধির দাবি উত্থাপন করে। রিহ্যাবের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়, নিবন্ধন খরচ কমলে আইনসিদ্ধভাবে হস্তান্তর ও লেনদেন নিশ্চিত হওয়া সহজ হবে এবং অনিয়মের সুযোগ সীমিত হবে।

বিএফআইইউ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় রিহ্যাবের প্রতিনিধি দল নেতৃত্ব দেন সংগঠনের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল। বিএফআইইউ-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুনসহ অন্যান্য পদস্থ কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় প্রধানত মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর করণীয়, গ্রাহক যাচাইকরণ (কেওয়াইসি) এবং সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্টিং বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়।

রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল বলেন, রিহ্যাব সরকারের নীতি ও আইনকে সম্মান করে এবং সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইন অনুযায়ী আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল করে তোলার জন্য বিএফআইইউ-এর সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রাখবে। তিনি জানান, নিবন্ধন খরচ কমালে লেনদেনের স্বচ্ছতা বাড়বে এবং অর্থপাচারের ঝুঁকি কমবে।

রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক বলেছিলেন, রিয়েল এস্টেট খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে কঠোর কমপ্লায়েন্স বাধ্যতামূলক। রিহ্যাব সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর রিপোর্টিং ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে প্রশিক্ষণ ও সমন্বয়মূলক কার্যক্রম চালাবে। সভায় উপস্থিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দও সরকারের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দুর্নীতি প্রতিহতকরণ সংস্থাদুদক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর জোর দেন।

বিএফআইইউ কর্মকর্তারা ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রযোজ্য আইনি বাধ্যবাধকতা এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কারিগরি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। উভয় পক্ষই আবাসন খাতকে বিনিয়োগবান্ধব ও অপরাধমুক্ত রাখার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। সভায় রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও অন্যান্য পরিচালকবর্গও অংশগ্রহণ করেন।