০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

জাতিসংঘ: ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনি শিশুরা অসহনীয় মূল্য দিচ্ছে

জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ গভীর উদ্বেগ জানিয়ে বলেছে, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান ও বসতি স্থাপনকারীদের (settlers) হামলার কারণে ফিলিস্তিনি শিশুরা ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। সংস্থাটি এসব ঘটনায় শিশুদের ওপর হওয়া শারীরিক ও মানসিক নানা ক্ষতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

ইউনিসেফ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এ দ্রুতগতির বৈরী পরিবেশে অন্তত ৭০ জন ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে এবং আরও অন্তত ৮৫০ জন শিশু আহত হয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সাহচর্যে যখন পশ্চিম তীরে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে, তখন থেকে গড়ে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একজন শিশু প্রাণ হারাচ্ছে।

ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এল্ডার সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ক্রমবর্ধমান সামরিক অভিযান ও বসতি-বাসীদের হামলার ফলেই শিশুরা এক অসহনীয় মূল্য দিচ্ছে। নিহত ও আহত শিশুদের অধিকাংশের শরীরে সরাসরি গুলি ব্যবহার করা হয়েছে।’’

জাতিসংঘের তথ্যে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চে বসতি-স্থাপনকারীদের হামলায় ফিলিস্তিনি নাগরিকদের বিরুদ্ধে আগের কালের তুলনায় উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে — এটি গত ২০ বছরে সর্বোচ্চ। এল্ডার জোর দিয়ে বলেন, ‘‘শিশুদের বেঁচে থাকার এবং নিরাপদভাবে বেড়ে ওঠার মৌলিক পরিবেশগুলোকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে।’’

ইউনিসেফ বলেছে, শিশুরা শুধু নিহত বা আহত হচ্ছে না, তাদের ঘরবাড়ি ধ্বংস করা হচ্ছে, শিক্ষাব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে, পানির সরবরাহে সমস্যা দেখা দিচ্ছে এবং স্বাস্থ্যসেবায় পৌঁছানোর পথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সঙ্গে চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের ফলে তাদের দৈনন্দিন জীবন ও মানসিক স্বাস্থ্যে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব পড়ছে।

সংস্থাটি আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে ফিলিস্তিনি শিশুদের ভবিষ্যৎ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অবিলম্বে তাদের সুরক্ষা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজন আছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

জাতিসংঘ: ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনি শিশুরা অসহনীয় মূল্য দিচ্ছে

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ গভীর উদ্বেগ জানিয়ে বলেছে, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান ও বসতি স্থাপনকারীদের (settlers) হামলার কারণে ফিলিস্তিনি শিশুরা ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। সংস্থাটি এসব ঘটনায় শিশুদের ওপর হওয়া শারীরিক ও মানসিক নানা ক্ষতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

ইউনিসেফ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এ দ্রুতগতির বৈরী পরিবেশে অন্তত ৭০ জন ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে এবং আরও অন্তত ৮৫০ জন শিশু আহত হয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সাহচর্যে যখন পশ্চিম তীরে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে, তখন থেকে গড়ে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একজন শিশু প্রাণ হারাচ্ছে।

ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এল্ডার সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ক্রমবর্ধমান সামরিক অভিযান ও বসতি-বাসীদের হামলার ফলেই শিশুরা এক অসহনীয় মূল্য দিচ্ছে। নিহত ও আহত শিশুদের অধিকাংশের শরীরে সরাসরি গুলি ব্যবহার করা হয়েছে।’’

জাতিসংঘের তথ্যে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চে বসতি-স্থাপনকারীদের হামলায় ফিলিস্তিনি নাগরিকদের বিরুদ্ধে আগের কালের তুলনায় উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে — এটি গত ২০ বছরে সর্বোচ্চ। এল্ডার জোর দিয়ে বলেন, ‘‘শিশুদের বেঁচে থাকার এবং নিরাপদভাবে বেড়ে ওঠার মৌলিক পরিবেশগুলোকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে।’’

ইউনিসেফ বলেছে, শিশুরা শুধু নিহত বা আহত হচ্ছে না, তাদের ঘরবাড়ি ধ্বংস করা হচ্ছে, শিক্ষাব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে, পানির সরবরাহে সমস্যা দেখা দিচ্ছে এবং স্বাস্থ্যসেবায় পৌঁছানোর পথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সঙ্গে চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের ফলে তাদের দৈনন্দিন জীবন ও মানসিক স্বাস্থ্যে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব পড়ছে।

সংস্থাটি আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে ফিলিস্তিনি শিশুদের ভবিষ্যৎ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অবিলম্বে তাদের সুরক্ষা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজন আছে।