০১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মুশফিকুর রহিম ছুঁলেন ১৬,০১১ রানের মাইলফলক

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন এক গৌরবময় অধ্যায় লিখলেন দিগ्गজ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। টেস্টে শততম ম্যাচ খেলার গৌরব অর্জনের পর এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে তিনি ১৬,০১১ রানের অবিশ্বাস্য কৃতিত্ব ছুঁলেন। আজ সোমবার (১৮ মে) সিলেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে চলা টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে লড়াকু ব্যাটিং করতেই এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।

টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৩ রানে ফেরার পর দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিক নিজের অভিজ্ঞতা ও ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। ম্যাচের তৃতীয় দিনের চা-বিরতিতে তিনি অপরাজিত ৯০ রানে ছিলেন এবং এই ইনিংসেই আন্তর্জাতিক রানে ১৬ হাজারের ঘর ভাঙেন। তাঁর কঠোর পরিশ্রম ও ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে দলের সংগ্রহ বড় করার আশা জেগেছে।

মুশফিকুর রহিমের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারটি দীর্ঘ এবং সমৃদ্ধ — এখন পর্যন্ত তিনি মোট ৪৭৮টি ম্যাচ খেলেছেন এবং ১৬,০১১ রান সংগ্রহ করেছেন। এই পথে তাঁর সংগ্রহে ২২টি সেঞ্চুরি ও ৮৫টি হাফ-সেঞ্চুরি রয়েছে। ধারাবাহিকতা ও দলের জন্য নির্ভরযোগ্যতা রাখায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে তিনি বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং স্তম্ভ হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন; তার ব্যাটিং গড় প্রায় ৩৫-এর কাছাকাছি।

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের তালিকায় মুশফিকের পরেই রয়েছেন তামিম ইকবাল; ৩৮৭টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে তামিমের সংগ্রহ ১৫,১৯২ রান, যার মধ্যে ২৫ সেঞ্চুরি ও ৯৪ ফিফটি আছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ১৪,৭৩০ রানে। এছাড়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১১,০৪৭ রান এবং লিটন কুমার দাস ৮,৮৪১ রানে শীর্ষ পাঁচের তালিকায় অভিনয় করছেন। মুশফিকের এগিয়ে থাকা এটি তাঁর নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফল।

মাঠের প্রেক্ষাপটেও সিলেট টেস্টটি উত্তেজনাপূর্ণ রূপ নিচ্ছে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭৮ রানের সংগ্রহ করে; জবাবে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ২৩২ রানে অলআউট হয়। ৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ মুশফিকের ব্যাটে ভর করে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখছে। মুশফিকের ব্যক্তিগত এই অর্জন কেবল তার নিজস্ব নয়—এটি পুরো দলের মনোবল বাড়িয়েছে এবং সিরিজে কাজে লাগার মতো গুরুত্ব রাখে।

মুশফিকুর রহিমের এই মাইলফলক খেলাধুলায় অভিজ্ঞতার মর্যাদা ও ধারাবাহিকতা কীভাবে বড় সাফল্যে পরিণত হয় তা আবারও স্মরণ করিয়ে দিল। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে তার নাম আরো উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মুশফিকুর রহিম ছুঁলেন ১৬,০১১ রানের মাইলফলক

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন এক গৌরবময় অধ্যায় লিখলেন দিগ्गজ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। টেস্টে শততম ম্যাচ খেলার গৌরব অর্জনের পর এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে তিনি ১৬,০১১ রানের অবিশ্বাস্য কৃতিত্ব ছুঁলেন। আজ সোমবার (১৮ মে) সিলেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে চলা টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে লড়াকু ব্যাটিং করতেই এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।

টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৩ রানে ফেরার পর দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিক নিজের অভিজ্ঞতা ও ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। ম্যাচের তৃতীয় দিনের চা-বিরতিতে তিনি অপরাজিত ৯০ রানে ছিলেন এবং এই ইনিংসেই আন্তর্জাতিক রানে ১৬ হাজারের ঘর ভাঙেন। তাঁর কঠোর পরিশ্রম ও ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে দলের সংগ্রহ বড় করার আশা জেগেছে।

মুশফিকুর রহিমের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারটি দীর্ঘ এবং সমৃদ্ধ — এখন পর্যন্ত তিনি মোট ৪৭৮টি ম্যাচ খেলেছেন এবং ১৬,০১১ রান সংগ্রহ করেছেন। এই পথে তাঁর সংগ্রহে ২২টি সেঞ্চুরি ও ৮৫টি হাফ-সেঞ্চুরি রয়েছে। ধারাবাহিকতা ও দলের জন্য নির্ভরযোগ্যতা রাখায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে তিনি বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং স্তম্ভ হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন; তার ব্যাটিং গড় প্রায় ৩৫-এর কাছাকাছি।

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের তালিকায় মুশফিকের পরেই রয়েছেন তামিম ইকবাল; ৩৮৭টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে তামিমের সংগ্রহ ১৫,১৯২ রান, যার মধ্যে ২৫ সেঞ্চুরি ও ৯৪ ফিফটি আছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ১৪,৭৩০ রানে। এছাড়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১১,০৪৭ রান এবং লিটন কুমার দাস ৮,৮৪১ রানে শীর্ষ পাঁচের তালিকায় অভিনয় করছেন। মুশফিকের এগিয়ে থাকা এটি তাঁর নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফল।

মাঠের প্রেক্ষাপটেও সিলেট টেস্টটি উত্তেজনাপূর্ণ রূপ নিচ্ছে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭৮ রানের সংগ্রহ করে; জবাবে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ২৩২ রানে অলআউট হয়। ৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ মুশফিকের ব্যাটে ভর করে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখছে। মুশফিকের ব্যক্তিগত এই অর্জন কেবল তার নিজস্ব নয়—এটি পুরো দলের মনোবল বাড়িয়েছে এবং সিরিজে কাজে লাগার মতো গুরুত্ব রাখে।

মুশফিকুর রহিমের এই মাইলফলক খেলাধুলায় অভিজ্ঞতার মর্যাদা ও ধারাবাহিকতা কীভাবে বড় সাফল্যে পরিণত হয় তা আবারও স্মরণ করিয়ে দিল। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে তার নাম আরো উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।