০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’

ভূমি ব্যবস্থাপনাকে সহজ, স্বচ্ছ ও নাগরিকবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবনে ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন। সকাল ১১টা ১৯ মিনিটে বাটন প্রেসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে মেলা শুরু করেন তিনি।

মেলা আগামী ২১ মে পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী চলে এবং দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একযোগে আয়োজিত হবে। এবারের মেলার মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে— ‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ ভূমি এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ’।

উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ভূমি ভবনের বিভিন্ন স্টল ও সেবা কেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি কল সেন্টার, নাগরিক সেবা কেন্দ্র ও ডে-কেয়ার সেন্টারের কার্যক্রম দেখেন এবং সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলেন। এদিন সরকারী এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিলো নাগরিকদের কাছে নতুন ডিজিটাল ভূমি সেবা পৌঁছে দেওয়া, তাদের এসব সেবা সম্পর্কে সচেতন করা এবং গ্রামীণ ও প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত সুবিধা নিশ্চিত করা।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অতীতে ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিয়ে দীর্ঘসূত্রতা, হয়রানি ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। বর্তমান সরকার অটোমেশন ও ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রয়োগ করে এসব নেতিবাচক প্রবণতা দূর করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। মেলার মাধ্যমে মানুষ ঘরে বসেই ই-নামজারি, খতিয়ান সংগ্রহ, অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবা সম্পর্কে সরাসরি জানতে ও সেবা গ্রহণ করতে পারবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনার মোড়কও উন্মোচন করেন। মন্ত্রণালয় বলেছে, এই মেলা জনস্বার্থে ভূমি সেবার ডিজিটাল রূপান্তরকে আরো ব্যাপকভাবে পরিচিতি দেওয়ার একটি বড় সুযোগ হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয় আশা করছে, মেলার মধ্য দিয়ে নাগরিকদের মধ্যে ডিজিটাল সেবায় اعتماد বাড়বে এবং ভবিষ্যতে ভূমি সম্পর্কিত সমস্যাগুলো দ্রুত ও সহজে সমাধান সম্ভব হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

ভূমি ব্যবস্থাপনাকে সহজ, স্বচ্ছ ও নাগরিকবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবনে ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন। সকাল ১১টা ১৯ মিনিটে বাটন প্রেসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে মেলা শুরু করেন তিনি।

মেলা আগামী ২১ মে পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী চলে এবং দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একযোগে আয়োজিত হবে। এবারের মেলার মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে— ‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ ভূমি এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ’।

উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ভূমি ভবনের বিভিন্ন স্টল ও সেবা কেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি কল সেন্টার, নাগরিক সেবা কেন্দ্র ও ডে-কেয়ার সেন্টারের কার্যক্রম দেখেন এবং সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলেন। এদিন সরকারী এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিলো নাগরিকদের কাছে নতুন ডিজিটাল ভূমি সেবা পৌঁছে দেওয়া, তাদের এসব সেবা সম্পর্কে সচেতন করা এবং গ্রামীণ ও প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত সুবিধা নিশ্চিত করা।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অতীতে ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিয়ে দীর্ঘসূত্রতা, হয়রানি ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। বর্তমান সরকার অটোমেশন ও ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রয়োগ করে এসব নেতিবাচক প্রবণতা দূর করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। মেলার মাধ্যমে মানুষ ঘরে বসেই ই-নামজারি, খতিয়ান সংগ্রহ, অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবা সম্পর্কে সরাসরি জানতে ও সেবা গ্রহণ করতে পারবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনার মোড়কও উন্মোচন করেন। মন্ত্রণালয় বলেছে, এই মেলা জনস্বার্থে ভূমি সেবার ডিজিটাল রূপান্তরকে আরো ব্যাপকভাবে পরিচিতি দেওয়ার একটি বড় সুযোগ হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয় আশা করছে, মেলার মধ্য দিয়ে নাগরিকদের মধ্যে ডিজিটাল সেবায় اعتماد বাড়বে এবং ভবিষ্যতে ভূমি সম্পর্কিত সমস্যাগুলো দ্রুত ও সহজে সমাধান সম্ভব হবে।