০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ইপিআই’র সঙ্গে নিয়মিতভাবে হামের টিকা চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, হামের টিকাদান কর্মসূচি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফলাফল দেখিয়েছে এবং এটি বন্ধ করে না দিয়ে ইপিআই (টিকাদান সম্প্রসারণ কর্মসূচি)-র সঙ্গে নিয়মিত চালানো হবে। তিনি বৃহস্পতিবার (২১ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘‘হামের প্রাদুর্ভাবে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের করণীয় ও জনসচেতনতা’’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, দেশের সিভিল সার্জন, পরিচালক ও হাসপাতাল সুপারদের টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঈদের ছুটি ছাড়া প্রতিদিন টিকাদান চলবে এবং ছুটির দিনেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে।

কিছু প্রত্যন্ত এলাকায় লক্ষ্যমাত্রা থেকে পিছিয়ে থাকার আশঙ্কা থাকায় সেখানে বিশেষভাবে মাইকিংসহ জনসচেতনতা কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। কঠোর নজরদারি ও পরিকল্পিত উদ্যোগে বেশি সংখ্যক শিশুকে টিকাদানের আওতায় আনা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল আগেভাগেই সংগ্রহ করা হয়েছে এবং টিকা সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই—এমন আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। টিবি টিকার সিরিঞ্জ সংকট নিয়ে ছড়ানো গুজব সম্পর্কে তিনি বলেন, বিষয়টি যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ১১ লাখ ৫ হাজার (১,১০৫,০০০) সিরিঞ্জ জেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘‘পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে টেন্ডার ও আউটসোর্সিং খাতে অনিয়মের ফলে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, যারা চিকিৎসা খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।’’ তবে সরকারের উদ্দেশ্য চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা—এখন তার জন্য সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ডাক্তারদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঈদের পরপরই প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্ত্রসহ ১০ জন আনসার ও একজন কমান্ডার মোতায়েন করা হবে। জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলিতেও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ইপিআই’র সঙ্গে নিয়মিতভাবে হামের টিকা চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০৭:২৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, হামের টিকাদান কর্মসূচি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফলাফল দেখিয়েছে এবং এটি বন্ধ করে না দিয়ে ইপিআই (টিকাদান সম্প্রসারণ কর্মসূচি)-র সঙ্গে নিয়মিত চালানো হবে। তিনি বৃহস্পতিবার (২১ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘‘হামের প্রাদুর্ভাবে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের করণীয় ও জনসচেতনতা’’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, দেশের সিভিল সার্জন, পরিচালক ও হাসপাতাল সুপারদের টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঈদের ছুটি ছাড়া প্রতিদিন টিকাদান চলবে এবং ছুটির দিনেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে।

কিছু প্রত্যন্ত এলাকায় লক্ষ্যমাত্রা থেকে পিছিয়ে থাকার আশঙ্কা থাকায় সেখানে বিশেষভাবে মাইকিংসহ জনসচেতনতা কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। কঠোর নজরদারি ও পরিকল্পিত উদ্যোগে বেশি সংখ্যক শিশুকে টিকাদানের আওতায় আনা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল আগেভাগেই সংগ্রহ করা হয়েছে এবং টিকা সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই—এমন আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। টিবি টিকার সিরিঞ্জ সংকট নিয়ে ছড়ানো গুজব সম্পর্কে তিনি বলেন, বিষয়টি যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ১১ লাখ ৫ হাজার (১,১০৫,০০০) সিরিঞ্জ জেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘‘পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে টেন্ডার ও আউটসোর্সিং খাতে অনিয়মের ফলে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, যারা চিকিৎসা খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।’’ তবে সরকারের উদ্দেশ্য চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা—এখন তার জন্য সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ডাক্তারদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঈদের পরপরই প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্ত্রসহ ১০ জন আনসার ও একজন কমান্ডার মোতায়েন করা হবে। জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলিতেও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।