০২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ঈদুল আজহা: সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সোমবার (২৫ মে) থেকে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হবে। ফলে রোববার (২৪ মে) দিনভর অফিস শেষে গ্রামের বাড়ি ফিরতে ছুটছেন লাখো চাকরিজীবী ও নগরবাসী। তবে প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র কোরবানির ঈদ উদযাপন হবে ২৮ মে।

সরকার আগেভাগেই ছুটির সূচি ঘোষণা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সোমবার (২৫ মে) থেকে রোববার (৩১ মে) পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। মন্ত্রিসভার বিশেষ একটি সিদ্ধান্তে পূর্বনির্ধারিত ছুটির সঙ্গে আরও এক দিন যুক্ত হওয়ায় এবার ছুটির মেয়াদ সাত দিনে উন্নীত করা হয়েছে।

জানানো হয়েছে, ঈদযাত্রা সহজ করতে মন্ত্রিসভার গত ৭ মে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ২৫ মে সাধারণ ছুটি ঘোষণা এবং ২৩ ও ২৪ মে অফিস খোলা রাখার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছিল। ফলে অফিস-আদালত খোলা রাখার ওই সিদ্ধান্ত অনুসারে রোববার অফিস শেষ করে যাত্রা করতে পারছেন কর্মজীবীরা।

তবে ছুটির মধ্যেও নিবার্চিত জরুরি সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ইন্টারনেট ও ডাক সেবা সহ অপরিহার্য সেবা-খাত ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। এসব সেবায় নিয়োজিত কর্মী এবং জরুরি যানবাহন ছুটির দিনগুলিতেও দায়িত্ব পালন করবে, ফলে সংশ্লিষ্টদের সাধারণ ছুটির সুযোগ সীমিত থাকবে।

সরকারি পক্ষ জানিয়েছে, দীর্ঘ ছুটির সময় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় সেবা সচল রাখার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নিরাপদ ও নির্বিঘ্নভাবে ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে জনসাধারণকেও ট্রাফিকবিধি মেনে চলা ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ করা হয়েছে।

এই ঘোষণা সামনে এনে প্রশাসন, পরিবহন ও জরুরি সেবা প্রদানকারীরা ছুটির সময়ে কার্যক্রম সমন্বয় করে চলার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যাতে উৎসবের সময় মানুষ যাতে সহজে ও সুষ্ঠুভাবে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ঈদুল আজহা: সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু

প্রকাশিতঃ ০৭:২৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সোমবার (২৫ মে) থেকে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হবে। ফলে রোববার (২৪ মে) দিনভর অফিস শেষে গ্রামের বাড়ি ফিরতে ছুটছেন লাখো চাকরিজীবী ও নগরবাসী। তবে প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র কোরবানির ঈদ উদযাপন হবে ২৮ মে।

সরকার আগেভাগেই ছুটির সূচি ঘোষণা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সোমবার (২৫ মে) থেকে রোববার (৩১ মে) পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। মন্ত্রিসভার বিশেষ একটি সিদ্ধান্তে পূর্বনির্ধারিত ছুটির সঙ্গে আরও এক দিন যুক্ত হওয়ায় এবার ছুটির মেয়াদ সাত দিনে উন্নীত করা হয়েছে।

জানানো হয়েছে, ঈদযাত্রা সহজ করতে মন্ত্রিসভার গত ৭ মে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ২৫ মে সাধারণ ছুটি ঘোষণা এবং ২৩ ও ২৪ মে অফিস খোলা রাখার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছিল। ফলে অফিস-আদালত খোলা রাখার ওই সিদ্ধান্ত অনুসারে রোববার অফিস শেষ করে যাত্রা করতে পারছেন কর্মজীবীরা।

তবে ছুটির মধ্যেও নিবার্চিত জরুরি সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ইন্টারনেট ও ডাক সেবা সহ অপরিহার্য সেবা-খাত ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। এসব সেবায় নিয়োজিত কর্মী এবং জরুরি যানবাহন ছুটির দিনগুলিতেও দায়িত্ব পালন করবে, ফলে সংশ্লিষ্টদের সাধারণ ছুটির সুযোগ সীমিত থাকবে।

সরকারি পক্ষ জানিয়েছে, দীর্ঘ ছুটির সময় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় সেবা সচল রাখার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নিরাপদ ও নির্বিঘ্নভাবে ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে জনসাধারণকেও ট্রাফিকবিধি মেনে চলা ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ করা হয়েছে।

এই ঘোষণা সামনে এনে প্রশাসন, পরিবহন ও জরুরি সেবা প্রদানকারীরা ছুটির সময়ে কার্যক্রম সমন্বয় করে চলার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যাতে উৎসবের সময় মানুষ যাতে সহজে ও সুষ্ঠুভাবে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।