০৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

রিয়াল মাদ্রিদ নির্বাচনে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের বিপুল জয়

রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে আবার জিতেছেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। ক্লাবের নেতৃত্বে তাঁর অবস্থান নতুন করে শক্তিপ্রাপ্ত হলো—এমনই কিছু প্রধান প্রতিক্রিয়া উঠে এসেছে ভোটের ফল ঘোষণা হওয়ার পরে।

টানা দুই মৌসুম ক্লাবের বড় কোনো ট্রফি না জেতায় নিজের নেতৃত্বের ওপর সদস্যদের আস্থা পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যেই পেরেজ নিজেই এই আকস্মিক নির্বাচনের ডাক দিয়েছিলেন। গত রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়ে প্রমাণ করেছেন যে ক্লাবের সদস্যদের বড় অংশ এখনও তাঁর দর্শন ও নেতৃত্বে বিশ্বাস রাখেন।

নির্বাচনী কমিশনের দেয়া আনুষ্ঠানিক ফল অনুযায়ী, পেরেজ মোট ২১,৭৪১টি ভোট পেয়েছেন, যা মোট ভোটের প্রায় ৬৫ শতাংশ। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী এনরিকে রিকেলমে পেয়েছেন ১১,৮১4টি ভোট, প্রায় ৩৫ শতাংশ। ২০০৬ সালের পরে এটি ছিল রিয়াল মাদ্রিদের প্রথম বহুপক্ষীয় নির্বাচন; ২০০৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচটি নির্বাচনে পেরেজ একক প্রার্থী হিসেবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়াই নির্বাচিত হয়েছিলেন।

বিজয়ী ভাষণে পেরেজ সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামের নিকটস্থ এক হোটেলে উপস্থিত সাংবাদিক ও সমর্থকদের সামনে এই জয়কে রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফলাফল এবং গণতন্ত্রের একটি উদাহরণ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি ভোটারদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন, ক্লাবকে আবার শিরোপার দৌড়ে ফিরিয়ে আনা এবং নতুন ইতিহাস গড়া তাঁর অগ্রাধিকার থাকবে।

৭৯ বছর বয়সী ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ রিয়াল মাদ্রিদের সফলতম সভাপতি-দের মধ্যে একজন। তিনি ২০০০ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত প্রথম মেয়াদে এবং ২০০৯ থেকে চলমান দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। পেরেজের নেতৃত্বে ক্লাবটি বিশ্ব ফুটবলে দৃশ্যমান সফলতা অর্জন করেছে; তার সময়ে রিয়াল মাদ্রিদ সাতটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং সাতটি লা লিগা শিরোপা সহ অসংখ্য ট্রফি জিতেছে। নির্বাচনের পর পেরেজ জানান, তিনি ক্লাবের সফলতার ধারা বজায় রাখতে নিরলসভাবে কাজ করবেন।

পেরেজের জয়ের সঙ্গে সঙ্গে কোচিং স্টাফে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা জোরালোভাবে উবে এসেছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির আলোকে ধারণা করা হচ্ছে, পর্তুগিজ কোচ জোসে মরিনহো আবারও প্রধান কোচ হিসেবে ক্লাবে ফিরতে পারেন। দলের সাম্প্রতিক দুর্বল ফলাফলদের মোকাবিলা এবং হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারই পেরেজের প্রথম সিনিয়র সিদ্ধান্তের অংশ হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ক্লাবের ফুটবলীয় কৌশল ও কোচিং স্টাফ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কয়েক দিনের মধ্যেই আসতে পারে।

এই ফল রিয়াল মাদ্রিদের সদস্যদের মধ্যে পেরেজের নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা ও চাপ—দুটোই উভয়ই জাগিয়ে দিয়েছে। সামনে যে সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হবে তা গ্যালাকটিকোদের ভবিষ্যৎ রূপ ঠিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

রিয়াল মাদ্রিদ নির্বাচনে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের বিপুল জয়

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে আবার জিতেছেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। ক্লাবের নেতৃত্বে তাঁর অবস্থান নতুন করে শক্তিপ্রাপ্ত হলো—এমনই কিছু প্রধান প্রতিক্রিয়া উঠে এসেছে ভোটের ফল ঘোষণা হওয়ার পরে।

টানা দুই মৌসুম ক্লাবের বড় কোনো ট্রফি না জেতায় নিজের নেতৃত্বের ওপর সদস্যদের আস্থা পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যেই পেরেজ নিজেই এই আকস্মিক নির্বাচনের ডাক দিয়েছিলেন। গত রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়ে প্রমাণ করেছেন যে ক্লাবের সদস্যদের বড় অংশ এখনও তাঁর দর্শন ও নেতৃত্বে বিশ্বাস রাখেন।

নির্বাচনী কমিশনের দেয়া আনুষ্ঠানিক ফল অনুযায়ী, পেরেজ মোট ২১,৭৪১টি ভোট পেয়েছেন, যা মোট ভোটের প্রায় ৬৫ শতাংশ। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী এনরিকে রিকেলমে পেয়েছেন ১১,৮১4টি ভোট, প্রায় ৩৫ শতাংশ। ২০০৬ সালের পরে এটি ছিল রিয়াল মাদ্রিদের প্রথম বহুপক্ষীয় নির্বাচন; ২০০৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচটি নির্বাচনে পেরেজ একক প্রার্থী হিসেবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়াই নির্বাচিত হয়েছিলেন।

বিজয়ী ভাষণে পেরেজ সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামের নিকটস্থ এক হোটেলে উপস্থিত সাংবাদিক ও সমর্থকদের সামনে এই জয়কে রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফলাফল এবং গণতন্ত্রের একটি উদাহরণ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি ভোটারদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন, ক্লাবকে আবার শিরোপার দৌড়ে ফিরিয়ে আনা এবং নতুন ইতিহাস গড়া তাঁর অগ্রাধিকার থাকবে।

৭৯ বছর বয়সী ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ রিয়াল মাদ্রিদের সফলতম সভাপতি-দের মধ্যে একজন। তিনি ২০০০ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত প্রথম মেয়াদে এবং ২০০৯ থেকে চলমান দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। পেরেজের নেতৃত্বে ক্লাবটি বিশ্ব ফুটবলে দৃশ্যমান সফলতা অর্জন করেছে; তার সময়ে রিয়াল মাদ্রিদ সাতটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং সাতটি লা লিগা শিরোপা সহ অসংখ্য ট্রফি জিতেছে। নির্বাচনের পর পেরেজ জানান, তিনি ক্লাবের সফলতার ধারা বজায় রাখতে নিরলসভাবে কাজ করবেন।

পেরেজের জয়ের সঙ্গে সঙ্গে কোচিং স্টাফে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা জোরালোভাবে উবে এসেছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির আলোকে ধারণা করা হচ্ছে, পর্তুগিজ কোচ জোসে মরিনহো আবারও প্রধান কোচ হিসেবে ক্লাবে ফিরতে পারেন। দলের সাম্প্রতিক দুর্বল ফলাফলদের মোকাবিলা এবং হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারই পেরেজের প্রথম সিনিয়র সিদ্ধান্তের অংশ হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ক্লাবের ফুটবলীয় কৌশল ও কোচিং স্টাফ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কয়েক দিনের মধ্যেই আসতে পারে।

এই ফল রিয়াল মাদ্রিদের সদস্যদের মধ্যে পেরেজের নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা ও চাপ—দুটোই উভয়ই জাগিয়ে দিয়েছে। সামনে যে সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হবে তা গ্যালাকটিকোদের ভবিষ্যৎ রূপ ঠিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।