০৮:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

টিসিবির জন্য ৮২ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় ১০ হাজার টন মসুর ডাল ক্রয়

সরকার পরিবারের কার্ডধারী নিম্নআয়ের মানুষের জন্য টিসিবিকে ভর্তুকি মূল্যে বিতরণের উদ্দেশ্যে স্থানীয় উৎস থেকে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এই ক্রয়ের মোট ব্যয় হবে ৮২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

রাশায়ভিত্তিক নয়—রাজশাহীর প্রতিষ্ঠান নাবিল নবা ফুডস লিমিটেডই প্রতি কেজি ৮২ টাকা ৫৪ পয়সার দর দিয়ে এ ডাল সরবরাহ করবে। সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় পাঁচটি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছিল এবং নাবিল নবা ফুডস lowest দর প্রস্তাব করায় তারা নির্বাচিত হয়। দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দর ছিল প্রতি কেজি ৮৭ টাকা ৩৭ পয়সা।

বার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য টিসিবির লক্ষ্য মসুর ডালের মোট সংগ্রহ ২ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১ লাখ ৩৯ হাজার ২৭২ মেট্রিক টন সংগ্রহ করা হয়েছে। সারাদেশে ভর্তুকি মূল্যভিত্তিক সরবরাহ চালিয়ে যেতে ও উপকারভোগীদের নিয়মিত পণ্য পৌঁছানোর নিশ্চয়তায় অতিরিক্ত ১০ হাজার টন কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে স্থানীয় পাইকারি বাজারে সমমানের মসুর ডালের গড় মূল্য প্রতি কেজি ৮৪ টাকা হলেও টিসিবি স্থানীয় উৎস থেকে প্রতি কেজি ৮২ টাকা ৫৪ পয়সা দরে তা সংগ্রহ করছে—যা সরকারকে আমদানি বিকল্পের সঙ্গে তুলনায় অনেকটা সাশ্রয়ী অবস্থায় রাখে। বিদেশ থেকে আমদানী করলে প্রতি কেজিতে খরচ পড়ত আনুমানিক ৯৪ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ১২৪ টাকা ২৪ পয়সা পর্যন্ত।

বর্তমানে টিসিবির গুদামে পর্যাপ্ত মজু আছে, তবু আগামী ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত কার্যক্রম সচল রাখতে বড় পরিমাণ ডালের প্রয়োজন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সরকারের ব্যাখ্যা, মূলত নিম্নআয়ের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে টিসিবির পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করাই এই সংগ্রহের মূল উদ্দেশ্য।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

টিসিবির জন্য ৮২ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় ১০ হাজার টন মসুর ডাল ক্রয়

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সরকার পরিবারের কার্ডধারী নিম্নআয়ের মানুষের জন্য টিসিবিকে ভর্তুকি মূল্যে বিতরণের উদ্দেশ্যে স্থানীয় উৎস থেকে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এই ক্রয়ের মোট ব্যয় হবে ৮২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

রাশায়ভিত্তিক নয়—রাজশাহীর প্রতিষ্ঠান নাবিল নবা ফুডস লিমিটেডই প্রতি কেজি ৮২ টাকা ৫৪ পয়সার দর দিয়ে এ ডাল সরবরাহ করবে। সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় পাঁচটি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছিল এবং নাবিল নবা ফুডস lowest দর প্রস্তাব করায় তারা নির্বাচিত হয়। দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দর ছিল প্রতি কেজি ৮৭ টাকা ৩৭ পয়সা।

বার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য টিসিবির লক্ষ্য মসুর ডালের মোট সংগ্রহ ২ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১ লাখ ৩৯ হাজার ২৭২ মেট্রিক টন সংগ্রহ করা হয়েছে। সারাদেশে ভর্তুকি মূল্যভিত্তিক সরবরাহ চালিয়ে যেতে ও উপকারভোগীদের নিয়মিত পণ্য পৌঁছানোর নিশ্চয়তায় অতিরিক্ত ১০ হাজার টন কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে স্থানীয় পাইকারি বাজারে সমমানের মসুর ডালের গড় মূল্য প্রতি কেজি ৮৪ টাকা হলেও টিসিবি স্থানীয় উৎস থেকে প্রতি কেজি ৮২ টাকা ৫৪ পয়সা দরে তা সংগ্রহ করছে—যা সরকারকে আমদানি বিকল্পের সঙ্গে তুলনায় অনেকটা সাশ্রয়ী অবস্থায় রাখে। বিদেশ থেকে আমদানী করলে প্রতি কেজিতে খরচ পড়ত আনুমানিক ৯৪ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ১২৪ টাকা ২৪ পয়সা পর্যন্ত।

বর্তমানে টিসিবির গুদামে পর্যাপ্ত মজু আছে, তবু আগামী ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত কার্যক্রম সচল রাখতে বড় পরিমাণ ডালের প্রয়োজন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সরকারের ব্যাখ্যা, মূলত নিম্নআয়ের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে টিসিবির পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করাই এই সংগ্রহের মূল উদ্দেশ্য।