০৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

দীর্ঘ দুই বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের পর্যটন ভিসা পুনরায় চালু

দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের বিরতির পর অবশেষে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা (ট্যুরিস্ট ভিসা) পুনরায় চালু করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে ভারত। ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বলেন, আগামী ২৮ জুন থেকে এই ক্যাটাগরির ভিসার জন্য আবেদন শুরু করা যাবে। তিনি তথ্যটি জানান রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (আইভ্যাক) পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে।

ত্রিবেদী জানান, প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনা—এই পাঁচটি শহরের ভিসা কেন্দ্র থেকে পর্যটন ভিসার আবেদন গ্রহণ করা হবে। পরে ধাপে ধাপে অন্যান্য শহরের ভিসা সেন্টারগুলোতেও এই কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা হবে।

গত প্রায় দুই বছর ধরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন ও নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতি বিবেচনায় সাধারণ পর্যটন ভিসা প্রদান স্থগিত ছিল। হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম বড় উদ্যোগ হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মেডিকেল ভিসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই ধরনের ভিসা আগেই প্রদান করা হচ্ছিল এবং তা আরও বিস্তৃত করা হবে। বিশেষত মানবিক কারণে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে আবেদনকারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এদিন সকালে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা মিশনের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন দিনেশ ত্রিবেদী। দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই ভিসা আবেদন কেন্দ্র পরিদর্শন করে সাধারণ ভ্রমণকারীদের সুবিধা-অসুবিধা খোঁজেন তিনি এবং ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে সেন্টারগুলো পরিদর্শন করে সেবার মান উন্নয়নের জন্য মিডিয়ার পরামর্শ গ্রহণ করবেন বলেও জানান।

ভারতের এই সিদ্ধান্তের ফলশ্রুতিতে সাধারণ পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। হাইকমিশনার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, দীর্ঘ বিরতির পর ভিসা পুনরায় চালুর ফলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

দীর্ঘ দুই বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের পর্যটন ভিসা পুনরায় চালু

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের বিরতির পর অবশেষে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা (ট্যুরিস্ট ভিসা) পুনরায় চালু করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে ভারত। ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বলেন, আগামী ২৮ জুন থেকে এই ক্যাটাগরির ভিসার জন্য আবেদন শুরু করা যাবে। তিনি তথ্যটি জানান রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (আইভ্যাক) পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে।

ত্রিবেদী জানান, প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনা—এই পাঁচটি শহরের ভিসা কেন্দ্র থেকে পর্যটন ভিসার আবেদন গ্রহণ করা হবে। পরে ধাপে ধাপে অন্যান্য শহরের ভিসা সেন্টারগুলোতেও এই কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা হবে।

গত প্রায় দুই বছর ধরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন ও নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতি বিবেচনায় সাধারণ পর্যটন ভিসা প্রদান স্থগিত ছিল। হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম বড় উদ্যোগ হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মেডিকেল ভিসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই ধরনের ভিসা আগেই প্রদান করা হচ্ছিল এবং তা আরও বিস্তৃত করা হবে। বিশেষত মানবিক কারণে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে আবেদনকারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এদিন সকালে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা মিশনের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন দিনেশ ত্রিবেদী। দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই ভিসা আবেদন কেন্দ্র পরিদর্শন করে সাধারণ ভ্রমণকারীদের সুবিধা-অসুবিধা খোঁজেন তিনি এবং ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে সেন্টারগুলো পরিদর্শন করে সেবার মান উন্নয়নের জন্য মিডিয়ার পরামর্শ গ্রহণ করবেন বলেও জানান।

ভারতের এই সিদ্ধান্তের ফলশ্রুতিতে সাধারণ পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। হাইকমিশনার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, দীর্ঘ বিরতির পর ভিসা পুনরায় চালুর ফলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় হবে।