০৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সঞ্চয়পত্র বিক্রি অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

গ্রাহকদের সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে বাধা ও অনাগ্রহের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংক কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং দেশের সব ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি অব্যাহত রাখার বিশেষ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনাটি বুধবার (২৪ জুন) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্যান্য渠道 থেকে প্রাপ্ত অভিযোগে দেখা গেছে যে কিছু তফসিলি ব্যাংক সঞ্চয়পত্র বিক্রয় নিয়ে গ্রাহকদের ঠিকমতো সহযোগিতা করছে না অথবা বিনিয়োগে অনাগ্রহ দেখাচ্ছে। এমন পরিস্থিতি বিরাট শঙ্কার কারণ হওয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক রিমাইন্ডার দিয়েছেন যে ‘সঞ্চয়পত্র রুলস, ১৯৭৭’-এর ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তফসিলি ব্যাংকগুলো সঞ্চয়পত্র ইস্যু অফিস হিসেবে বিনিয়োগকারীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই এসব নিয়ম মেনে সঞ্চয়পত্র বিক্রি চালু রাখতে হবে এবং গ্রাহক সেবার মান বজায় রাখতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে যে শাখা পর্যায়ে সঞ্চয়পত্র সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করতে হবে এবং গ্রাহকদের অভিযোগ দাখিল ও সমাধানের প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করতে হবে। অভিযোগ গ্রহণ কেন্দ্র বা দাখিলের প্রক্রিয়াটি শাখার দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করার জন্য ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের প্রতি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো অভিযোগ এলে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধান করতে বলা হয়েছে।

বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু আছে—পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছরের মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। সঞ্চয়পত্রের ধরন অনুযায়ী বিনিয়োগে ১১.৭৭ শতাংশ থেকে ১১.৯৮ শতাংশ পর্যন্ত সুদ প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষ যাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে এই সঞ্চয় ও বিনিয়োগ সুবিধা উপভোগ করতে পারে তা নিশ্চিত করা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে যে ব্যাংকগুলো শাখা পর্যায়ে নিয়মিত তদারকি ও গ্রাহকসেবা উন্নত করে সেবায় স্বচ্ছতা বজায় রাখবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সঞ্চয়পত্র বিক্রি অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

গ্রাহকদের সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে বাধা ও অনাগ্রহের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংক কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং দেশের সব ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি অব্যাহত রাখার বিশেষ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনাটি বুধবার (২৪ জুন) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্যান্য渠道 থেকে প্রাপ্ত অভিযোগে দেখা গেছে যে কিছু তফসিলি ব্যাংক সঞ্চয়পত্র বিক্রয় নিয়ে গ্রাহকদের ঠিকমতো সহযোগিতা করছে না অথবা বিনিয়োগে অনাগ্রহ দেখাচ্ছে। এমন পরিস্থিতি বিরাট শঙ্কার কারণ হওয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক রিমাইন্ডার দিয়েছেন যে ‘সঞ্চয়পত্র রুলস, ১৯৭৭’-এর ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তফসিলি ব্যাংকগুলো সঞ্চয়পত্র ইস্যু অফিস হিসেবে বিনিয়োগকারীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই এসব নিয়ম মেনে সঞ্চয়পত্র বিক্রি চালু রাখতে হবে এবং গ্রাহক সেবার মান বজায় রাখতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে যে শাখা পর্যায়ে সঞ্চয়পত্র সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করতে হবে এবং গ্রাহকদের অভিযোগ দাখিল ও সমাধানের প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করতে হবে। অভিযোগ গ্রহণ কেন্দ্র বা দাখিলের প্রক্রিয়াটি শাখার দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করার জন্য ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের প্রতি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো অভিযোগ এলে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধান করতে বলা হয়েছে।

বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু আছে—পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছরের মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। সঞ্চয়পত্রের ধরন অনুযায়ী বিনিয়োগে ১১.৭৭ শতাংশ থেকে ১১.৯৮ শতাংশ পর্যন্ত সুদ প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষ যাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে এই সঞ্চয় ও বিনিয়োগ সুবিধা উপভোগ করতে পারে তা নিশ্চিত করা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে যে ব্যাংকগুলো শাখা পর্যায়ে নিয়মিত তদারকি ও গ্রাহকসেবা উন্নত করে সেবায় স্বচ্ছতা বজায় রাখবে।