০৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সপ্তাহের শেষ দিনে ডিএসই ও সিএসইতে সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধি

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দেশের পুঁজিবাজারে চাপ কমে এবং সাধারণভাবে ইতিবাচক সুর লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) দুই প্ল্যাটফর্মেই মূল্যসূচক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লেনদেনের চাপও বাড়ছিল বলে ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে।

ডিএসইতে ওইদিন প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৬৫২ পয়েন্টে পৌঁছেছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক তিন পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৪৩ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচকও তিন পয়েন্ট বাড়ে ২ হাজার ১৩১ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। রোববারের তুলনায় নয়—গত কাজের দিনের (বুধবার) তুলনায় এদিন লেনদেন বেশি বাড়েছে। ডিএসইতে মোট ১ হাজার ১১০ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের ৯৪০ কোটি ২১ লাখ টাকার লেনদেনের তুলনায় প্রায় ১৭০ কোটি টাকা বেশি।

বাজারে মোট ৩৯৫টি কোম্পানি ও ইউনিটের শেয়ার লেনদেন হয়েছে; এর মধ্যে ২৭৩টির দাম বেড়েছে, ৬৮টির দাম কমেছে এবং ৫৪টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেনের শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা, আইপিডিসি, ন্যাশনাল ফিড, ব্র্যাক ব্যাংক ও সামিট পোর্টসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের মান বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আরেকবার আশাব্যঞ্জক মনোভাব তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই রকম ধারা দেখা গেছে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৯ পয়েন্ট বাড়ে এবং ১৫ হাজার ১৪৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়। সিএসইতে 이날 ২৪০টি প্রতিষ্ঠান লেনদেন করেছিল; এর মধ্যে ১৩৩টির শেয়ারের দাম বাড়ে এবং ৬৯টির দাম কমে। লেনদেনের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ৫৮ কোটি ৮০ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ৪০ কোটি টাকা বেশি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সপ্তাহের শেষ দিকে এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষত কয়েকটি বড় কোম্পানির শেয়ারে স্থিতিশীলতা ও লেনদেনে জোর পাওয়ায় বাজারে ইতিবাচক সঙ্কেত দেখা যাচ্ছে। তবে তারা সতর্ক করে বলছেন যে দীর্ঘমেয়াদী প্রবণতা নির্ধারণে আগামিদিনের কার্যক্রম ও অর্থনীতির সামগ্রিক সূচকও বিবেচ্য হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সপ্তাহের শেষ দিনে ডিএসই ও সিএসইতে সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধি

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দেশের পুঁজিবাজারে চাপ কমে এবং সাধারণভাবে ইতিবাচক সুর লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) দুই প্ল্যাটফর্মেই মূল্যসূচক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লেনদেনের চাপও বাড়ছিল বলে ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে।

ডিএসইতে ওইদিন প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৬৫২ পয়েন্টে পৌঁছেছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক তিন পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৪৩ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচকও তিন পয়েন্ট বাড়ে ২ হাজার ১৩১ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। রোববারের তুলনায় নয়—গত কাজের দিনের (বুধবার) তুলনায় এদিন লেনদেন বেশি বাড়েছে। ডিএসইতে মোট ১ হাজার ১১০ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের ৯৪০ কোটি ২১ লাখ টাকার লেনদেনের তুলনায় প্রায় ১৭০ কোটি টাকা বেশি।

বাজারে মোট ৩৯৫টি কোম্পানি ও ইউনিটের শেয়ার লেনদেন হয়েছে; এর মধ্যে ২৭৩টির দাম বেড়েছে, ৬৮টির দাম কমেছে এবং ৫৪টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেনের শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা, আইপিডিসি, ন্যাশনাল ফিড, ব্র্যাক ব্যাংক ও সামিট পোর্টসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের মান বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আরেকবার আশাব্যঞ্জক মনোভাব তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই রকম ধারা দেখা গেছে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৯ পয়েন্ট বাড়ে এবং ১৫ হাজার ১৪৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়। সিএসইতে 이날 ২৪০টি প্রতিষ্ঠান লেনদেন করেছিল; এর মধ্যে ১৩৩টির শেয়ারের দাম বাড়ে এবং ৬৯টির দাম কমে। লেনদেনের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ৫৮ কোটি ৮০ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ৪০ কোটি টাকা বেশি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সপ্তাহের শেষ দিকে এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষত কয়েকটি বড় কোম্পানির শেয়ারে স্থিতিশীলতা ও লেনদেনে জোর পাওয়ায় বাজারে ইতিবাচক সঙ্কেত দেখা যাচ্ছে। তবে তারা সতর্ক করে বলছেন যে দীর্ঘমেয়াদী প্রবণতা নির্ধারণে আগামিদিনের কার্যক্রম ও অর্থনীতির সামগ্রিক সূচকও বিবেচ্য হবে।