০৩:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ইসলামীক ফাইন্যান্সে লোকসান বেড়ে ৫০%, লভ্যাংশ বাতিল — বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ

দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামীক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের আর্থিক অবস্থা আরও দুর্বল হয়ে গেছে। চলতি ২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি–মার্চ) কোম্পানিটির লোকসান গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্ত তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে -০.৯৩ টাকা, যেখানে এক বছর আগে ছিল -০.৬২ টাকা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি লোকসান ০.৩১ টাকা বেড়েছে, যা প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

একই সময় কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১.৪৬ টাকায়। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এতকম নিম্ন এনএভিপিএস প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক দুর্বলতার স্পষ্ট ইঙ্গিত।

অপরদিকে, বিগত ২০২৫ সালের সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) ছিল ০.৩৯ টাকা। তবু পরিচালনা পর্ষদ সার্বিক আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং চলমান আর্থিক সংকট মোকাবেলার বিষয়গুলো শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর আহ্বান করা হয়েছে। সভায় অংশগ্রহণের যোগ্য শেয়ারহোল্ডার নির্ধারণের রেকর্ড ডেট করা হয়েছে ৯ আগস্ট।

লোকসান বৃদ্ধির খবর ও লভ্যাংশ বাতিলের ঘোষণায় কোম্পানির ভবিষ্যৎ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নিয়মিত আর্থিক টিকিটপত্রগুলোতে এ ধরনের ধাক্কা কোম্পানির বাজার মান ও লিকুইডিটিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে শেয়ারহোল্ডাররা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

কোম্পানির আগামী এজিএমে এ বিষয়গুলো কীভাবে আলোচনা ও সমাধান করা হবে এবং ভবিষ্যতে আর্থিক পুনরাবস্থাপনায় কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেবে—এসবই আগামী সময়ে নজর কেড়বে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ইসলামীক ফাইন্যান্সে লোকসান বেড়ে ৫০%, লভ্যাংশ বাতিল — বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামীক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের আর্থিক অবস্থা আরও দুর্বল হয়ে গেছে। চলতি ২০২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি–মার্চ) কোম্পানিটির লোকসান গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্ত তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে -০.৯৩ টাকা, যেখানে এক বছর আগে ছিল -০.৬২ টাকা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি লোকসান ০.৩১ টাকা বেড়েছে, যা প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

একই সময় কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১.৪৬ টাকায়। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এতকম নিম্ন এনএভিপিএস প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক দুর্বলতার স্পষ্ট ইঙ্গিত।

অপরদিকে, বিগত ২০২৫ সালের সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) ছিল ০.৩৯ টাকা। তবু পরিচালনা পর্ষদ সার্বিক আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং চলমান আর্থিক সংকট মোকাবেলার বিষয়গুলো শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর আহ্বান করা হয়েছে। সভায় অংশগ্রহণের যোগ্য শেয়ারহোল্ডার নির্ধারণের রেকর্ড ডেট করা হয়েছে ৯ আগস্ট।

লোকসান বৃদ্ধির খবর ও লভ্যাংশ বাতিলের ঘোষণায় কোম্পানির ভবিষ্যৎ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নিয়মিত আর্থিক টিকিটপত্রগুলোতে এ ধরনের ধাক্কা কোম্পানির বাজার মান ও লিকুইডিটিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে শেয়ারহোল্ডাররা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

কোম্পানির আগামী এজিএমে এ বিষয়গুলো কীভাবে আলোচনা ও সমাধান করা হবে এবং ভবিষ্যতে আর্থিক পুনরাবস্থাপনায় কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেবে—এসবই আগামী সময়ে নজর কেড়বে।