০৩:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নির্ধারিত সময়েই ব্যয় হিসাব না দিলায় এনসিপিসহ ৭ দলকে ইসির শোকজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয়ের নিরীক্ষিত বিবরণী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না জমা দেওয়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) এনসিপি সহ সাতটি রাজনৈতিক দলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) কমিশনের সিনিয়র সচিব মনির হোসেনের সই করা পৃথক সাতটি চিঠি সংশ্লিষ্ট দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে।

আরপিওর ৪৪গগগ(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ব্যয়ের নিরীক্ষিত হিসাব নির্বাচন শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে কমিশনে জমা দেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু এসব দল নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে হিসাব দাখিল করেনি।

কমিশন জানিয়েছে, প্রথমে ১৬ মার্চ চিঠি দিয়ে ১৩ মে’র মধ্যে ব্যয়ের বিবরণী জমা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। পরে ১৯ মে আরও একটি সতর্কীকরণ নোটিশ দিয়ে সময়সীমা বাড়িয়ে ১৩ জুন পর্যন্ত জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট দলগুলো হিসাব দাখিল না করায় ২৫ জুন পৃথক শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

আরপিওর ৪৪গগগ(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে কমিশন প্রতিটি দলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করে সময় বাড়াতে পারে।それর পরও যদি কোনো দল হিসাব জমা না করে, তবে তাদের রাজনৈতিক নিবন্ধন বাতিল করার ব্যবস্থা রয়েছে।

সরাসরি কারণ দর্শানোর নোটিশে দলগুলোর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাদের ওপর ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশ আরোপ করা হবে না। এ বিষয়ে অনতিবিলম্বে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ইসির শোকজ পাওয়া সাতটি দল হলো— জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) এবং আমজনতার দল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নির্ধারিত সময়েই ব্যয় হিসাব না দিলায় এনসিপিসহ ৭ দলকে ইসির শোকজ

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয়ের নিরীক্ষিত বিবরণী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না জমা দেওয়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) এনসিপি সহ সাতটি রাজনৈতিক দলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) কমিশনের সিনিয়র সচিব মনির হোসেনের সই করা পৃথক সাতটি চিঠি সংশ্লিষ্ট দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে।

আরপিওর ৪৪গগগ(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ব্যয়ের নিরীক্ষিত হিসাব নির্বাচন শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে কমিশনে জমা দেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু এসব দল নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে হিসাব দাখিল করেনি।

কমিশন জানিয়েছে, প্রথমে ১৬ মার্চ চিঠি দিয়ে ১৩ মে’র মধ্যে ব্যয়ের বিবরণী জমা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। পরে ১৯ মে আরও একটি সতর্কীকরণ নোটিশ দিয়ে সময়সীমা বাড়িয়ে ১৩ জুন পর্যন্ত জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট দলগুলো হিসাব দাখিল না করায় ২৫ জুন পৃথক শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

আরপিওর ৪৪গগগ(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে কমিশন প্রতিটি দলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করে সময় বাড়াতে পারে।それর পরও যদি কোনো দল হিসাব জমা না করে, তবে তাদের রাজনৈতিক নিবন্ধন বাতিল করার ব্যবস্থা রয়েছে।

সরাসরি কারণ দর্শানোর নোটিশে দলগুলোর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাদের ওপর ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশ আরোপ করা হবে না। এ বিষয়ে অনতিবিলম্বে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ইসির শোকজ পাওয়া সাতটি দল হলো— জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) এবং আমজনতার দল।