০২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

যুক্তরাষ্ট্রে তুলা রফতানিতে মন্দা, বিশ্ববাজারে চাহিদা কমেছে

বিশ্বের প্রধান তুলা রফতানিকারক দেশ যুক্তরাষ্ট্রে তুলার বাজারে বর্তমানে মন্দা দেখা যাচ্ছে। ইউএসডিএর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান সপ্তাহে আপল্যান্ড জাতের তুলার নিট সাপ্তাহিক বিক্রি ৫৩ শতাংশ কমে মাত্র ৮৩,৯০০ রানিং বেলে নেমে এসেছে (প্রতি বেলের ওজন ২২৬ কেজি ৮০ গ্রাম)। এ সময় প্রিমিয়াম পিমা তুলার চাহিদাও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভিয়েতনাম এককভাবে শীর্ষ আমদানিকারকের অবস্থান ধরে রেখেছে — ৩১,৩০০ রানিং বেল তুলা কিনেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ভারত (১৪,৩০০ রানিং বেল), এবং বাংলাদেশের স্পিনিং ও টেক্সটাইল মিলগুলো ১৪,২০০ রানিং বেল বুকিং নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। চীন ৭,৬০০ বেল এবং দক্ষিণ কোরিয়া ৪,৫০০ বেল কিনেছে। তবে নিকারাগুয়া ও কিছু অন্যান্য অনির্দিষ্ট গন্তব্য থেকে আগের কিছু ক্রয়াদেশ বাতিল হওয়ায় সামগ্রিক বিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

অন্যদিকে, বিক্রি কমলেও রফতানি ও সরবরাহের দিক থেকে কিছু ইতিবাচক চিহ্ন রয়েছে। মোট আপল্যান্ড তুলার সরবরাহ ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার রানিং বেলে পৌঁছিয়েছে। এর মধ্যে ভিয়েতনাম পেয়েছে ১,০২,৮০০ রানিং বেল, পাকিস্তান আমদানি করেছে ৪৮,৬০০ বেল এবং বাংলাদেশ এসেছে ২৫,৯০০ রানিং বেল।

উচ্চমানের পিমা তুলার চাহিদা ২১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে মাত্র ৪,৩০০ রানিং বেলে নেমেছে। পিমার শীর্ষ ক্রেতা হিসেবে ভারত ২,০০০ রানিং বেল কিনেছে, আর বাংলাদেশ মাত্র ৩০০ বেল আমদানি করেছে।

বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলার কেনাবেচা সাময়িকভাবে মন্থর হলেও বাংলাদেশ, ভারত ও ভিয়েতনামের মতো প্রধান পোশাক উৎপাদনকারী দেশের নিয়মিত ক্রয়াদেশ বজায় থাকায় মার্কিন তুলা বাজার বড় ধরনের ধস থেকে রক্ষা পেয়েছে। তারা মনে করছেন, বিশ্বব্যাপী পোশাকের চাহিদায় পরিবর্তনই মূলত বর্তমান অস্থিরতার কারণ। ভবিষ্যতে পোশাক বাজারে চাহিদা কেমন থাকবে তা নির্ভর করবে কনজিউমার ডিমান্ডের পুনরুদ্ধার ও জোরালো ক্রয়াদেশের ওপর।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

যুক্তরাষ্ট্রে তুলা রফতানিতে মন্দা, বিশ্ববাজারে চাহিদা কমেছে

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের প্রধান তুলা রফতানিকারক দেশ যুক্তরাষ্ট্রে তুলার বাজারে বর্তমানে মন্দা দেখা যাচ্ছে। ইউএসডিএর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান সপ্তাহে আপল্যান্ড জাতের তুলার নিট সাপ্তাহিক বিক্রি ৫৩ শতাংশ কমে মাত্র ৮৩,৯০০ রানিং বেলে নেমে এসেছে (প্রতি বেলের ওজন ২২৬ কেজি ৮০ গ্রাম)। এ সময় প্রিমিয়াম পিমা তুলার চাহিদাও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভিয়েতনাম এককভাবে শীর্ষ আমদানিকারকের অবস্থান ধরে রেখেছে — ৩১,৩০০ রানিং বেল তুলা কিনেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ভারত (১৪,৩০০ রানিং বেল), এবং বাংলাদেশের স্পিনিং ও টেক্সটাইল মিলগুলো ১৪,২০০ রানিং বেল বুকিং নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। চীন ৭,৬০০ বেল এবং দক্ষিণ কোরিয়া ৪,৫০০ বেল কিনেছে। তবে নিকারাগুয়া ও কিছু অন্যান্য অনির্দিষ্ট গন্তব্য থেকে আগের কিছু ক্রয়াদেশ বাতিল হওয়ায় সামগ্রিক বিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

অন্যদিকে, বিক্রি কমলেও রফতানি ও সরবরাহের দিক থেকে কিছু ইতিবাচক চিহ্ন রয়েছে। মোট আপল্যান্ড তুলার সরবরাহ ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার রানিং বেলে পৌঁছিয়েছে। এর মধ্যে ভিয়েতনাম পেয়েছে ১,০২,৮০০ রানিং বেল, পাকিস্তান আমদানি করেছে ৪৮,৬০০ বেল এবং বাংলাদেশ এসেছে ২৫,৯০০ রানিং বেল।

উচ্চমানের পিমা তুলার চাহিদা ২১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে মাত্র ৪,৩০০ রানিং বেলে নেমেছে। পিমার শীর্ষ ক্রেতা হিসেবে ভারত ২,০০০ রানিং বেল কিনেছে, আর বাংলাদেশ মাত্র ৩০০ বেল আমদানি করেছে।

বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলার কেনাবেচা সাময়িকভাবে মন্থর হলেও বাংলাদেশ, ভারত ও ভিয়েতনামের মতো প্রধান পোশাক উৎপাদনকারী দেশের নিয়মিত ক্রয়াদেশ বজায় থাকায় মার্কিন তুলা বাজার বড় ধরনের ধস থেকে রক্ষা পেয়েছে। তারা মনে করছেন, বিশ্বব্যাপী পোশাকের চাহিদায় পরিবর্তনই মূলত বর্তমান অস্থিরতার কারণ। ভবিষ্যতে পোশাক বাজারে চাহিদা কেমন থাকবে তা নির্ভর করবে কনজিউমার ডিমান্ডের পুনরুদ্ধার ও জোরালো ক্রয়াদেশের ওপর।