১০:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ঢামেকের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০ বছরের পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে অংশগ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তার আগমনে কলেজ প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে এবং বর্তমান–প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও well-wisherদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

সফরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী কলেজ ক্যাম্পাসে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি বিভিন্ন শিক্ষার্থী স্টল ঘুরে দেখেন এবং সঙ্গে থাকা জনসাধারণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেলের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

প্রধানমন্ত্রী একই সময়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন এবং সহকারী ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে হাসপাতাল ও শিক্ষার উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করেন।

সকাল থেকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও আশেপাশের সড়কে ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা দুই পাশে দাঁড়িয়ে স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদল—শহরের নানা ছাত্র সংগঠনের উপস্থিতি চোখে পড়ে। ভিড়ের কারণে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর কিছুটা ধীর গতিতে চললে তিনি উপস্থিতদের হাত নেড়ে আতিথ্য স্বীকার করেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কলেজ ও হাসপাতাল সংলগ্ন ফুটপাত থেকে অনধিকারচর্চিত স্থাপনা ও অস্থায়ী দোকানপাট সরিয়ে নেওয়া হয়, যার ফলে দীর্ঘদিনের যানজট কিছুটা কমে সাধারণ পথচারী ও রোগীর আত্মীয়-স্বজনরা স্বস্তি অনুভব করেন।

সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা এই সফরকে একটি ঐতিহাসিক মিলনমেলা হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নজরদারিতে হাসপাতালের অবকাঠামো ও প্রশাসনিক সমস্যাগুলি দ্রুত সমাধান হবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এর ভূমিকা স্মরণীয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শুরু করা উন্নয়নকর্মের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর এই পদচারণা একটি আবেগঘন মুহূর্ত।”

১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় আট দশক ধরে দেশের চিকিৎসা শিক্ষায় পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করে আসছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেছেন যে প্রধানমন্ত্রীর এই ভিজিট হবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষা, গবেষণা ও সেবার মানোন্নয়নে নতুন সোপান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ঢামেকের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০ বছরের পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে অংশগ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তার আগমনে কলেজ প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে এবং বর্তমান–প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও well-wisherদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

সফরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী কলেজ ক্যাম্পাসে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি বিভিন্ন শিক্ষার্থী স্টল ঘুরে দেখেন এবং সঙ্গে থাকা জনসাধারণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেলের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

প্রধানমন্ত্রী একই সময়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন এবং সহকারী ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে হাসপাতাল ও শিক্ষার উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করেন।

সকাল থেকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও আশেপাশের সড়কে ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা দুই পাশে দাঁড়িয়ে স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদল—শহরের নানা ছাত্র সংগঠনের উপস্থিতি চোখে পড়ে। ভিড়ের কারণে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর কিছুটা ধীর গতিতে চললে তিনি উপস্থিতদের হাত নেড়ে আতিথ্য স্বীকার করেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কলেজ ও হাসপাতাল সংলগ্ন ফুটপাত থেকে অনধিকারচর্চিত স্থাপনা ও অস্থায়ী দোকানপাট সরিয়ে নেওয়া হয়, যার ফলে দীর্ঘদিনের যানজট কিছুটা কমে সাধারণ পথচারী ও রোগীর আত্মীয়-স্বজনরা স্বস্তি অনুভব করেন।

সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা এই সফরকে একটি ঐতিহাসিক মিলনমেলা হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নজরদারিতে হাসপাতালের অবকাঠামো ও প্রশাসনিক সমস্যাগুলি দ্রুত সমাধান হবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এর ভূমিকা স্মরণীয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শুরু করা উন্নয়নকর্মের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর এই পদচারণা একটি আবেগঘন মুহূর্ত।”

১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় আট দশক ধরে দেশের চিকিৎসা শিক্ষায় পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করে আসছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেছেন যে প্রধানমন্ত্রীর এই ভিজিট হবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষা, গবেষণা ও সেবার মানোন্নয়নে নতুন সোপান।