১০:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মিষ্টি ইমেজ ভাঙতে খলনায়িকা হতে চান পূর্ণিমা

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা দীর্ঘ তিন দশক ধরে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন। ১৯৯৮ সালে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেকের পরই তিনি রোমান্টিক নায়িকার চরিত্রে দর্শকের মনে জায়গা করে নেন এবং এরপর বহু ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় ছবিতে কাজ করে চলেছেন। দর্শক ও নির্মাতাদের কাছে তাঁর পরিচিতি প্রায়শই ‘মিষ্টি মেয়ের’ ইমেজেই সীমাবদ্ধ ছিল।

তবে ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে সেই পরিচিত ইমেজ ভাঙার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন পূর্ণিমা। সদ্য নিজের জন্মদিনে চ্যানেল আইয়ের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি জানান, দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন রকম চরিত্রে কাজ করার সুযোগ পেলেও কখনও খলচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ হয়নি। প্রথমবারের মতো তিনি পর্দায় ‘ভিলেন’ বা খলনায়িকার চরিত্রে অভিনয় করার প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

পূর্ণিমা বলেন, তিনি এমন একটি জাঁদরেল খলচরিত্র করতে চান যা দর্শকের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে—একটু এমনভাবে, যাতে মানুষ চরিত্রটিকে ঘৃণা করে। তিনি মনে করেন, তাঁর কোমল মুখভঙ্গি ও পরিচিত রোমান্টিক লুকটা হয়তো নির্মাতাদের চোখে কখনও তাঁকে নেতিবাচক চরিত্রে ভাবার সুযোগ দেয়নি। দর্শকও তাকে পরিপাটি এবং ভালোবেসে দেখেই থাকে; তাই ইচ্ছে, সেই রঙ-রেখাকে পুরোপুরি উল্টিয়ে দিতে পারলে সেটি তাঁর জন্য নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ হবে।

অন্য দিকে পূর্ণিমা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভিনয়ে তুলনামতো খানিকটা বিরতি নিয়েছেন। মাঝে মাঝে টেলিভিশনে অনুষ্ঠান সঞ্চালক ও রিয়েলিটি শোয়ের বিচারক হিসেবে দেখা গেলেও মূলত বড়পর্দা ও ওয়েব সিরিজে নিয়মিত উপস্থিতি কমে গেছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের রোজার ঈদে ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘আহারে জীবন’ ছবিতে তাকে দেখা যায়। তার আগের বছর, ২০২৩ সালে নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি’র ‘হোটেল রিলাক্স’ ওয়েব সিরিজ থেকে তিনি ওটিটি মাধ্যমেও কাজ করেছেন। এরপর নতুন কোনো বড় প্রকল্পে তাঁর দেখা মেলেনি।

পূর্ণিমার এই খলনায়িকা হওয়ার আগ্রহে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কৌতূহলও বাড়ছে। যদি কোনো নির্মাতা তাঁকে শক্তিশালী, ব্যতিক্রমী নেতিবাচক চরিত্রে অনায়াসে কাস্ট করে, তবে সেটি হয়তো অভিনেত্রী হিসেবে তাঁর এক নতুন অধ্যায়ের শুরু হতে পারে—এমনটাই প্রত্যাশা দর্শক ও কলাকুশলীদের।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মিষ্টি ইমেজ ভাঙতে খলনায়িকা হতে চান পূর্ণিমা

প্রকাশিতঃ ০৭:২১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা দীর্ঘ তিন দশক ধরে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন। ১৯৯৮ সালে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেকের পরই তিনি রোমান্টিক নায়িকার চরিত্রে দর্শকের মনে জায়গা করে নেন এবং এরপর বহু ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় ছবিতে কাজ করে চলেছেন। দর্শক ও নির্মাতাদের কাছে তাঁর পরিচিতি প্রায়শই ‘মিষ্টি মেয়ের’ ইমেজেই সীমাবদ্ধ ছিল।

তবে ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে সেই পরিচিত ইমেজ ভাঙার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন পূর্ণিমা। সদ্য নিজের জন্মদিনে চ্যানেল আইয়ের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি জানান, দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন রকম চরিত্রে কাজ করার সুযোগ পেলেও কখনও খলচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ হয়নি। প্রথমবারের মতো তিনি পর্দায় ‘ভিলেন’ বা খলনায়িকার চরিত্রে অভিনয় করার প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

পূর্ণিমা বলেন, তিনি এমন একটি জাঁদরেল খলচরিত্র করতে চান যা দর্শকের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে—একটু এমনভাবে, যাতে মানুষ চরিত্রটিকে ঘৃণা করে। তিনি মনে করেন, তাঁর কোমল মুখভঙ্গি ও পরিচিত রোমান্টিক লুকটা হয়তো নির্মাতাদের চোখে কখনও তাঁকে নেতিবাচক চরিত্রে ভাবার সুযোগ দেয়নি। দর্শকও তাকে পরিপাটি এবং ভালোবেসে দেখেই থাকে; তাই ইচ্ছে, সেই রঙ-রেখাকে পুরোপুরি উল্টিয়ে দিতে পারলে সেটি তাঁর জন্য নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ হবে।

অন্য দিকে পূর্ণিমা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভিনয়ে তুলনামতো খানিকটা বিরতি নিয়েছেন। মাঝে মাঝে টেলিভিশনে অনুষ্ঠান সঞ্চালক ও রিয়েলিটি শোয়ের বিচারক হিসেবে দেখা গেলেও মূলত বড়পর্দা ও ওয়েব সিরিজে নিয়মিত উপস্থিতি কমে গেছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের রোজার ঈদে ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘আহারে জীবন’ ছবিতে তাকে দেখা যায়। তার আগের বছর, ২০২৩ সালে নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি’র ‘হোটেল রিলাক্স’ ওয়েব সিরিজ থেকে তিনি ওটিটি মাধ্যমেও কাজ করেছেন। এরপর নতুন কোনো বড় প্রকল্পে তাঁর দেখা মেলেনি।

পূর্ণিমার এই খলনায়িকা হওয়ার আগ্রহে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কৌতূহলও বাড়ছে। যদি কোনো নির্মাতা তাঁকে শক্তিশালী, ব্যতিক্রমী নেতিবাচক চরিত্রে অনায়াসে কাস্ট করে, তবে সেটি হয়তো অভিনেত্রী হিসেবে তাঁর এক নতুন অধ্যায়ের শুরু হতে পারে—এমনটাই প্রত্যাশা দর্শক ও কলাকুশলীদের।