০৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক বাপেক্সের তিন কূপ খননে সম্ভাব্য ১ লাখ ২০ হাজার ৮৫১ কোটি টাকার গ্যাস টিআইবি অভিযোগ: সংসদীয় বিধি ও চর্চা লঙ্ঘন ২০২৭ হজ প্যাকেজ ঘোষণা: সরকারি সর্বনিম্ন খরচ ৫,০০৫,৬৪৮ টাকা দুর্ঘটনা কমাতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন আনার অঙ্গীকার সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন আইন আনার অঙ্গীকার

বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন মিস্টার বিস্ট

পর্দায় চোখ ধাঁধানো বাজেট ও অতিশয় আয়োজন দেখালেই পরিচিত মিস্টার বিস্ট—জিমি ডোনাল্ডসন—অবশেষে নিজের জীবনের সবচেয়ে ব্যক্তিগত মুহূর্তটি বেছে নিলেন একেবারেই ভিন্নভাবে। বিশ্বজুড়ে প্রচণ্ড জনপ্রিয় এই ২৮ বছর বয়সী কনটেন্ট ক্রিয়েটর মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ইনস্টাগ্রামে বিয়ের কিছু ছবি শেয়ার করে ঘোষণা দিলেন, দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর থিয়া বয়সেনকে তিনি বিয়ে করেছেন। পোস্টের ক্যাপশনে উচ্ছ্বসিত জিমি লিখেছেন, তিনি তাঁর ‘মিসেস বিস্ট’-কে খুঁজে পেয়েছেন এবং এটি ছিল তাঁর জীবনের সেরা দিন।

ইউটিউবে মিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট আর অতিরঞ্জিত গ্ল্যামারে অভ্যস্ত জিমি এ বার বেছে নিলেন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও সরল আয়োজন। দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে নিরিবিলি পরিবেশে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়—কোনো বড় আয়োজন বা বহুল আলোচ্য অনুষ্ঠানের ছাপ ছিল না। এই স্থানীয়তা ও সাদামাটা ভঙ্গিই বিয়েটিকে আরও আন্তরিক করে তুলেছিল।

বিয়ের সাজ-রুচিতেও ধ্রুপদী ও নম্রতার ছোঁয়া ছিল। থিয়া বয়সেন পরেছিলেন আইভরি ও নুড টোনের এক নরম গাউন, যেটিতে ফুল ও লেসের সূক্ষ্ম নকশা ছিল। জিমি ছিলেন ক্লাসিক সাদা টুক্সিডো জ্যাকেট, সাদা শার্ট, কালো ট্রাউজার আর কালো বো-টাই-তে—সাজে ছিল আভিজাত্য ও সংযমের সমন্বয়।

এটি কোনো হঠাৎ সিদ্ধান্ত ছিল না; জিমি ও থিয়া আগেই গত ডিসেম্বরে বাগদান সেরে নেন। বিয়ের প্রস্তাবের প্রসঙ্গে জিমি এক ইন্টারভিউতে জানিয়েছিলেন, তাঁর বন্ধুরা ভেবেছিল তিনি হয়তো কোনো বড় পাবলিক লোকেশনে, সুপার বউলের মতো একটা আলোকজ্জ্বল মুহূর্তে প্রস্তাব দেবেন। কিন্তু জিমি চাইছিলেন এই মুহূর্তটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ রাখবেন—আর তাদের বিয়ের আয়োজন এমনই ছিল।

জিমি-থিয়ার ভালোবাসার পথচলা শুরু হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়, এক সাধারণ বন্ধুর মাধ্যমে। পরিচয়ের পর তারা সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) যোগাযোগ শুরু করেন; জিমি থিয়ার লেখা বই ‘দ্য মার্কড চিলড্রেন’ পড়ার আগ্রহ দেখান, আর সেখান থেকেই তাদের আলাপ বিকশিত হয়ে গভীর বন্ধুত্ব ও পরে ভালোবাসায় পরিণত হয়।

সম্পর্কের এক বছর পূর্ণ হতেই জিমি বিয়ের প্রস্তাব দেন। তবে থিয়া তখন এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘হিউম্যান কগনিটিভ নিউরোসাইকোলজি’য়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ করছিলেন—তাই তারা কিছুটা সময় নিয়ে পরিকল্পনা করেন। বিয়ের আগেই থিয়া জানিয়েছিলেন, মানসিকভাবে তারা দুজনে আগেই একে অপরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করেছেন; এই আনুষ্ঠানিকতা কেবল তাদের সম্পর্কে নতুন অধ্যায় যোগ করছে।

বিয়েটা যতটা সাবলীল আর ব্যক্তিগত ততটাই উষ্ণ এবং হৃদ্য ছিল; ফ্যানদের জন্য ছবি ও জিমির উচ্ছ্বসিত ক্যাপশনই এই আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যম হয়ে দাঁড়াল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়

বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন মিস্টার বিস্ট

প্রকাশিতঃ ০২:২১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

পর্দায় চোখ ধাঁধানো বাজেট ও অতিশয় আয়োজন দেখালেই পরিচিত মিস্টার বিস্ট—জিমি ডোনাল্ডসন—অবশেষে নিজের জীবনের সবচেয়ে ব্যক্তিগত মুহূর্তটি বেছে নিলেন একেবারেই ভিন্নভাবে। বিশ্বজুড়ে প্রচণ্ড জনপ্রিয় এই ২৮ বছর বয়সী কনটেন্ট ক্রিয়েটর মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ইনস্টাগ্রামে বিয়ের কিছু ছবি শেয়ার করে ঘোষণা দিলেন, দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর থিয়া বয়সেনকে তিনি বিয়ে করেছেন। পোস্টের ক্যাপশনে উচ্ছ্বসিত জিমি লিখেছেন, তিনি তাঁর ‘মিসেস বিস্ট’-কে খুঁজে পেয়েছেন এবং এটি ছিল তাঁর জীবনের সেরা দিন।

ইউটিউবে মিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট আর অতিরঞ্জিত গ্ল্যামারে অভ্যস্ত জিমি এ বার বেছে নিলেন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও সরল আয়োজন। দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে নিরিবিলি পরিবেশে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়—কোনো বড় আয়োজন বা বহুল আলোচ্য অনুষ্ঠানের ছাপ ছিল না। এই স্থানীয়তা ও সাদামাটা ভঙ্গিই বিয়েটিকে আরও আন্তরিক করে তুলেছিল।

বিয়ের সাজ-রুচিতেও ধ্রুপদী ও নম্রতার ছোঁয়া ছিল। থিয়া বয়সেন পরেছিলেন আইভরি ও নুড টোনের এক নরম গাউন, যেটিতে ফুল ও লেসের সূক্ষ্ম নকশা ছিল। জিমি ছিলেন ক্লাসিক সাদা টুক্সিডো জ্যাকেট, সাদা শার্ট, কালো ট্রাউজার আর কালো বো-টাই-তে—সাজে ছিল আভিজাত্য ও সংযমের সমন্বয়।

এটি কোনো হঠাৎ সিদ্ধান্ত ছিল না; জিমি ও থিয়া আগেই গত ডিসেম্বরে বাগদান সেরে নেন। বিয়ের প্রস্তাবের প্রসঙ্গে জিমি এক ইন্টারভিউতে জানিয়েছিলেন, তাঁর বন্ধুরা ভেবেছিল তিনি হয়তো কোনো বড় পাবলিক লোকেশনে, সুপার বউলের মতো একটা আলোকজ্জ্বল মুহূর্তে প্রস্তাব দেবেন। কিন্তু জিমি চাইছিলেন এই মুহূর্তটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ রাখবেন—আর তাদের বিয়ের আয়োজন এমনই ছিল।

জিমি-থিয়ার ভালোবাসার পথচলা শুরু হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়, এক সাধারণ বন্ধুর মাধ্যমে। পরিচয়ের পর তারা সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) যোগাযোগ শুরু করেন; জিমি থিয়ার লেখা বই ‘দ্য মার্কড চিলড্রেন’ পড়ার আগ্রহ দেখান, আর সেখান থেকেই তাদের আলাপ বিকশিত হয়ে গভীর বন্ধুত্ব ও পরে ভালোবাসায় পরিণত হয়।

সম্পর্কের এক বছর পূর্ণ হতেই জিমি বিয়ের প্রস্তাব দেন। তবে থিয়া তখন এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘হিউম্যান কগনিটিভ নিউরোসাইকোলজি’য়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ করছিলেন—তাই তারা কিছুটা সময় নিয়ে পরিকল্পনা করেন। বিয়ের আগেই থিয়া জানিয়েছিলেন, মানসিকভাবে তারা দুজনে আগেই একে অপরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করেছেন; এই আনুষ্ঠানিকতা কেবল তাদের সম্পর্কে নতুন অধ্যায় যোগ করছে।

বিয়েটা যতটা সাবলীল আর ব্যক্তিগত ততটাই উষ্ণ এবং হৃদ্য ছিল; ফ্যানদের জন্য ছবি ও জিমির উচ্ছ্বসিত ক্যাপশনই এই আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যম হয়ে দাঁড়াল।