১২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ফিফা ই-বিশ্বকাপের বাছাইয়ে অংশ নেবে

চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত হবে ফিফা ই-বিশ্বকাপের মূল আসর। এর আগে ই-ফুটবল সম্পর্কিত বিভিন্ন বিভাগে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হবে, যার অন্যতম হলো ই-ফুটবল কনসোল, মোবাইলের পাশাপাশি রকেট লীগ। এই প্রতিযোগিতাগুলি অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) দেশের এই বিশেষ বহুসংখ্যক ও বৈচিত্র্যময় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, ২০ সেপ্টেম্বর এবং ৫ অক্টোবর তিন ধাপে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগের বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এই বাছাই থেকে নির্বাচিত খেলোয়াড়রা এশিয়া-ইস্ট এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের অনলাইন রিজিওনাল কোয়ালিফায়ার্সে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। সেখানে সেরা তিনটি দলের মধ্যে কনসোল বিভাগে তিনজন এবং মোবাইল বিভাগে চারজন খেলোয়াড় সরাসরি ফিফা ই-বিশ্বকাপে রিয়াদে অংশগ্রহণের টিকিট লাভ করবেন।

গত রোববার বাফুফে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘আমরা নতুন এক যাত্রার শুরু করলাম, যা হলো ই-স্পোর্টসের জগৎ। সকল খেলা এখনই ই-স্পোর্টসের আওতায় চলে এসেছে, এবং আমরা মূলত ফুটবল কেবল এতে সম্পৃক্ত থাকব। আমাদের আশা, অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও এ খাতে দ্রুত অগ্রসর হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একসময় ই-স্পোর্টসকে কেবল বিনোদনের অংশ হিসেবে দেখা হলেও এখন এটি বিশ্বজুড়ে প্রতিযোগিতামূলক ও অর্থবাণিজ্যিক ক্ষেত্র। বাংলাদেশের গেমাররা যদি তাদের দক্ষতা দেখাতে পারে, তাহলে আমরা শীঘ্রই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের স্থান করে নেব।’

বাংলাদেশের গেমার এবং ই-স্পোর্টস খেলার ক্ষেত্রে নতুন অর্জন হিসেবে গত ১৩ জুলাই যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ই-স্পোর্টসকে সরকারি স্বীকৃতি প্রদান করে। এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের ই-স্পোর্টসের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করে তুলছে, যা দেশের তরুণ জাগরণের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ফিফা ই-বিশ্বকাপের বাছাইয়ে অংশ নেবে

প্রকাশিতঃ ১০:৫১:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত হবে ফিফা ই-বিশ্বকাপের মূল আসর। এর আগে ই-ফুটবল সম্পর্কিত বিভিন্ন বিভাগে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হবে, যার অন্যতম হলো ই-ফুটবল কনসোল, মোবাইলের পাশাপাশি রকেট লীগ। এই প্রতিযোগিতাগুলি অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) দেশের এই বিশেষ বহুসংখ্যক ও বৈচিত্র্যময় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, ২০ সেপ্টেম্বর এবং ৫ অক্টোবর তিন ধাপে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগের বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এই বাছাই থেকে নির্বাচিত খেলোয়াড়রা এশিয়া-ইস্ট এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের অনলাইন রিজিওনাল কোয়ালিফায়ার্সে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। সেখানে সেরা তিনটি দলের মধ্যে কনসোল বিভাগে তিনজন এবং মোবাইল বিভাগে চারজন খেলোয়াড় সরাসরি ফিফা ই-বিশ্বকাপে রিয়াদে অংশগ্রহণের টিকিট লাভ করবেন।

গত রোববার বাফুফে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘আমরা নতুন এক যাত্রার শুরু করলাম, যা হলো ই-স্পোর্টসের জগৎ। সকল খেলা এখনই ই-স্পোর্টসের আওতায় চলে এসেছে, এবং আমরা মূলত ফুটবল কেবল এতে সম্পৃক্ত থাকব। আমাদের আশা, অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও এ খাতে দ্রুত অগ্রসর হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একসময় ই-স্পোর্টসকে কেবল বিনোদনের অংশ হিসেবে দেখা হলেও এখন এটি বিশ্বজুড়ে প্রতিযোগিতামূলক ও অর্থবাণিজ্যিক ক্ষেত্র। বাংলাদেশের গেমাররা যদি তাদের দক্ষতা দেখাতে পারে, তাহলে আমরা শীঘ্রই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের স্থান করে নেব।’

বাংলাদেশের গেমার এবং ই-স্পোর্টস খেলার ক্ষেত্রে নতুন অর্জন হিসেবে গত ১৩ জুলাই যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ই-স্পোর্টসকে সরকারি স্বীকৃতি প্রদান করে। এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের ই-স্পোর্টসের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করে তুলছে, যা দেশের তরুণ জাগরণের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।