০১:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি ‘গর্হিত ও ন্যক্কারজনক’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ফিফা ই-বিশ্বকাপের বাছাইয়ে অংশ নেবে

চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত হবে ফিফা ই-বিশ্বকাপের মূল আসর। এর আগে ই-ফুটবল সম্পর্কিত বিভিন্ন বিভাগে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হবে, যার অন্যতম হলো ই-ফুটবল কনসোল, মোবাইলের পাশাপাশি রকেট লীগ। এই প্রতিযোগিতাগুলি অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) দেশের এই বিশেষ বহুসংখ্যক ও বৈচিত্র্যময় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, ২০ সেপ্টেম্বর এবং ৫ অক্টোবর তিন ধাপে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগের বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এই বাছাই থেকে নির্বাচিত খেলোয়াড়রা এশিয়া-ইস্ট এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের অনলাইন রিজিওনাল কোয়ালিফায়ার্সে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। সেখানে সেরা তিনটি দলের মধ্যে কনসোল বিভাগে তিনজন এবং মোবাইল বিভাগে চারজন খেলোয়াড় সরাসরি ফিফা ই-বিশ্বকাপে রিয়াদে অংশগ্রহণের টিকিট লাভ করবেন।

গত রোববার বাফুফে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘আমরা নতুন এক যাত্রার শুরু করলাম, যা হলো ই-স্পোর্টসের জগৎ। সকল খেলা এখনই ই-স্পোর্টসের আওতায় চলে এসেছে, এবং আমরা মূলত ফুটবল কেবল এতে সম্পৃক্ত থাকব। আমাদের আশা, অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও এ খাতে দ্রুত অগ্রসর হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একসময় ই-স্পোর্টসকে কেবল বিনোদনের অংশ হিসেবে দেখা হলেও এখন এটি বিশ্বজুড়ে প্রতিযোগিতামূলক ও অর্থবাণিজ্যিক ক্ষেত্র। বাংলাদেশের গেমাররা যদি তাদের দক্ষতা দেখাতে পারে, তাহলে আমরা শীঘ্রই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের স্থান করে নেব।’

বাংলাদেশের গেমার এবং ই-স্পোর্টস খেলার ক্ষেত্রে নতুন অর্জন হিসেবে গত ১৩ জুলাই যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ই-স্পোর্টসকে সরকারি স্বীকৃতি প্রদান করে। এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের ই-স্পোর্টসের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করে তুলছে, যা দেশের তরুণ জাগরণের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ফিফা ই-বিশ্বকাপের বাছাইয়ে অংশ নেবে

প্রকাশিতঃ ১০:৫১:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত হবে ফিফা ই-বিশ্বকাপের মূল আসর। এর আগে ই-ফুটবল সম্পর্কিত বিভিন্ন বিভাগে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হবে, যার অন্যতম হলো ই-ফুটবল কনসোল, মোবাইলের পাশাপাশি রকেট লীগ। এই প্রতিযোগিতাগুলি অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) দেশের এই বিশেষ বহুসংখ্যক ও বৈচিত্র্যময় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, ২০ সেপ্টেম্বর এবং ৫ অক্টোবর তিন ধাপে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগের বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এই বাছাই থেকে নির্বাচিত খেলোয়াড়রা এশিয়া-ইস্ট এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের অনলাইন রিজিওনাল কোয়ালিফায়ার্সে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। সেখানে সেরা তিনটি দলের মধ্যে কনসোল বিভাগে তিনজন এবং মোবাইল বিভাগে চারজন খেলোয়াড় সরাসরি ফিফা ই-বিশ্বকাপে রিয়াদে অংশগ্রহণের টিকিট লাভ করবেন।

গত রোববার বাফুফে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘আমরা নতুন এক যাত্রার শুরু করলাম, যা হলো ই-স্পোর্টসের জগৎ। সকল খেলা এখনই ই-স্পোর্টসের আওতায় চলে এসেছে, এবং আমরা মূলত ফুটবল কেবল এতে সম্পৃক্ত থাকব। আমাদের আশা, অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও এ খাতে দ্রুত অগ্রসর হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একসময় ই-স্পোর্টসকে কেবল বিনোদনের অংশ হিসেবে দেখা হলেও এখন এটি বিশ্বজুড়ে প্রতিযোগিতামূলক ও অর্থবাণিজ্যিক ক্ষেত্র। বাংলাদেশের গেমাররা যদি তাদের দক্ষতা দেখাতে পারে, তাহলে আমরা শীঘ্রই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের স্থান করে নেব।’

বাংলাদেশের গেমার এবং ই-স্পোর্টস খেলার ক্ষেত্রে নতুন অর্জন হিসেবে গত ১৩ জুলাই যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ই-স্পোর্টসকে সরকারি স্বীকৃতি প্রদান করে। এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের ই-স্পোর্টসের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করে তুলছে, যা দেশের তরুণ জাগরণের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।