০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নওগাঁর মোমনিপুর হাটে প্রতিমাসে আড়াই কোটি টাকার কাঁচা মরিচ বিক্রি

নওগাঁ জেলার মহাদেবপুরের মোমিনপুর বাজারে দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি কাঁচা মরিচের হাট বসে প্রতিদিন। এই হাটে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম বর্তমানে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, যা দুই দিন আগে ছিল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। অপ্রত্যাশিতভাবে দাম কমে গেলে কৃষকরা হতাশ হচ্ছেন, কারণ এর ফলে তারা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে কাঁচা মরিচের আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সপ্তাহের প্রতি দিনই Büh্যাতে বসে এই বাজার, যা বছরব্যাপী চলতে থাকে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস। এখানে প্রতিমাসে আড়াই কোটি টাকা থেকে আড়াই কোটি টাকার বেশি কাঁচা মরিচের কেনাবেচা হয়। এখানের মরিচ ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, চট্রগ্রাম, দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়।

মহাদেবপুরের কুঞ্জবন এলাকার কৃষক সোলেমান আলী ও গুলবর রহমান বলেন, এ বছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু দাম হঠাৎ পড়ে যাওয়ায় তাদের উৎপাদন খরচও উঠে আসবে না, এমনকি কিছু লাভও হবে না। তারা বলছেন, আগে প্রতি কেজি মরিচ ১৩০-১৫০ টাকায় বিক্রি করেছেন, এখন তা কমে ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে শ্রমিকের মজুরি ও কীটনাশকের খরচ মিটিয়ে বর্তমানে তারা কিছুই রক্ষা করতে পারছেন না।

বগুড়া থেকে আসা কাঁচা মরিচের ব্যবসায়ী সুজন মিয়া বলেন, এই হাটের মরিচ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায়। তবে এখন ভারতের মরিচ আমদানির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎ দাম পড়ে গেছে।

মোমিনপুর হাটের কমিটির সদস্য মামুনুর রশিদ জানান, এটি জেলার অন্যতম বড় কাঁচা মরিচের হাট। বছরব্যাপী এই হাটে ছয় থেকে সাত মাসের মধ্যে প্রায় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা কাঁচা মরিচের ব্যবসা হয়। তবে বর্তমানে দাম হ্রাস পাওয়ায় কৃষকদের ক্ষতি হবে।

জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আবহাওয়া ভালো থাকায় এই মৌসুমে কাঁচা মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। প্রথমে বাজারে দাম ছিল বেশি, তবে এখন কিছুটা কমে গেলেও কৃষকরা লাভের আশা করছেন। তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে সহায়তা দিচ্ছেন। বর্তমানে নওগাঁ জেলায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের চাষ হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নওগাঁর মোমনিপুর হাটে প্রতিমাসে আড়াই কোটি টাকার কাঁচা মরিচ বিক্রি

প্রকাশিতঃ ১০:৫০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নওগাঁ জেলার মহাদেবপুরের মোমিনপুর বাজারে দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি কাঁচা মরিচের হাট বসে প্রতিদিন। এই হাটে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম বর্তমানে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, যা দুই দিন আগে ছিল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। অপ্রত্যাশিতভাবে দাম কমে গেলে কৃষকরা হতাশ হচ্ছেন, কারণ এর ফলে তারা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে কাঁচা মরিচের আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সপ্তাহের প্রতি দিনই Büh্যাতে বসে এই বাজার, যা বছরব্যাপী চলতে থাকে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস। এখানে প্রতিমাসে আড়াই কোটি টাকা থেকে আড়াই কোটি টাকার বেশি কাঁচা মরিচের কেনাবেচা হয়। এখানের মরিচ ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, চট্রগ্রাম, দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়।

মহাদেবপুরের কুঞ্জবন এলাকার কৃষক সোলেমান আলী ও গুলবর রহমান বলেন, এ বছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু দাম হঠাৎ পড়ে যাওয়ায় তাদের উৎপাদন খরচও উঠে আসবে না, এমনকি কিছু লাভও হবে না। তারা বলছেন, আগে প্রতি কেজি মরিচ ১৩০-১৫০ টাকায় বিক্রি করেছেন, এখন তা কমে ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে শ্রমিকের মজুরি ও কীটনাশকের খরচ মিটিয়ে বর্তমানে তারা কিছুই রক্ষা করতে পারছেন না।

বগুড়া থেকে আসা কাঁচা মরিচের ব্যবসায়ী সুজন মিয়া বলেন, এই হাটের মরিচ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায়। তবে এখন ভারতের মরিচ আমদানির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎ দাম পড়ে গেছে।

মোমিনপুর হাটের কমিটির সদস্য মামুনুর রশিদ জানান, এটি জেলার অন্যতম বড় কাঁচা মরিচের হাট। বছরব্যাপী এই হাটে ছয় থেকে সাত মাসের মধ্যে প্রায় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা কাঁচা মরিচের ব্যবসা হয়। তবে বর্তমানে দাম হ্রাস পাওয়ায় কৃষকদের ক্ষতি হবে।

জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আবহাওয়া ভালো থাকায় এই মৌসুমে কাঁচা মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। প্রথমে বাজারে দাম ছিল বেশি, তবে এখন কিছুটা কমে গেলেও কৃষকরা লাভের আশা করছেন। তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে সহায়তা দিচ্ছেন। বর্তমানে নওগাঁ জেলায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের চাষ হয়েছে।