০২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

নওগাঁর মোমনিপুর হাটে প্রতিমাসে আড়াই কোটি টাকার কাঁচা মরিচ বিক্রি

নওগাঁ জেলার মহাদেবপুরের মোমিনপুর বাজারে দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি কাঁচা মরিচের হাট বসে প্রতিদিন। এই হাটে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম বর্তমানে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, যা দুই দিন আগে ছিল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। অপ্রত্যাশিতভাবে দাম কমে গেলে কৃষকরা হতাশ হচ্ছেন, কারণ এর ফলে তারা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে কাঁচা মরিচের আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সপ্তাহের প্রতি দিনই Büh্যাতে বসে এই বাজার, যা বছরব্যাপী চলতে থাকে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস। এখানে প্রতিমাসে আড়াই কোটি টাকা থেকে আড়াই কোটি টাকার বেশি কাঁচা মরিচের কেনাবেচা হয়। এখানের মরিচ ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, চট্রগ্রাম, দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়।

মহাদেবপুরের কুঞ্জবন এলাকার কৃষক সোলেমান আলী ও গুলবর রহমান বলেন, এ বছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু দাম হঠাৎ পড়ে যাওয়ায় তাদের উৎপাদন খরচও উঠে আসবে না, এমনকি কিছু লাভও হবে না। তারা বলছেন, আগে প্রতি কেজি মরিচ ১৩০-১৫০ টাকায় বিক্রি করেছেন, এখন তা কমে ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে শ্রমিকের মজুরি ও কীটনাশকের খরচ মিটিয়ে বর্তমানে তারা কিছুই রক্ষা করতে পারছেন না।

বগুড়া থেকে আসা কাঁচা মরিচের ব্যবসায়ী সুজন মিয়া বলেন, এই হাটের মরিচ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায়। তবে এখন ভারতের মরিচ আমদানির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎ দাম পড়ে গেছে।

মোমিনপুর হাটের কমিটির সদস্য মামুনুর রশিদ জানান, এটি জেলার অন্যতম বড় কাঁচা মরিচের হাট। বছরব্যাপী এই হাটে ছয় থেকে সাত মাসের মধ্যে প্রায় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা কাঁচা মরিচের ব্যবসা হয়। তবে বর্তমানে দাম হ্রাস পাওয়ায় কৃষকদের ক্ষতি হবে।

জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আবহাওয়া ভালো থাকায় এই মৌসুমে কাঁচা মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। প্রথমে বাজারে দাম ছিল বেশি, তবে এখন কিছুটা কমে গেলেও কৃষকরা লাভের আশা করছেন। তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে সহায়তা দিচ্ছেন। বর্তমানে নওগাঁ জেলায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের চাষ হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

নওগাঁর মোমনিপুর হাটে প্রতিমাসে আড়াই কোটি টাকার কাঁচা মরিচ বিক্রি

প্রকাশিতঃ ১০:৫০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নওগাঁ জেলার মহাদেবপুরের মোমিনপুর বাজারে দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি কাঁচা মরিচের হাট বসে প্রতিদিন। এই হাটে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম বর্তমানে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, যা দুই দিন আগে ছিল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। অপ্রত্যাশিতভাবে দাম কমে গেলে কৃষকরা হতাশ হচ্ছেন, কারণ এর ফলে তারা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে কাঁচা মরিচের আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সপ্তাহের প্রতি দিনই Büh্যাতে বসে এই বাজার, যা বছরব্যাপী চলতে থাকে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস। এখানে প্রতিমাসে আড়াই কোটি টাকা থেকে আড়াই কোটি টাকার বেশি কাঁচা মরিচের কেনাবেচা হয়। এখানের মরিচ ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, চট্রগ্রাম, দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়।

মহাদেবপুরের কুঞ্জবন এলাকার কৃষক সোলেমান আলী ও গুলবর রহমান বলেন, এ বছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু দাম হঠাৎ পড়ে যাওয়ায় তাদের উৎপাদন খরচও উঠে আসবে না, এমনকি কিছু লাভও হবে না। তারা বলছেন, আগে প্রতি কেজি মরিচ ১৩০-১৫০ টাকায় বিক্রি করেছেন, এখন তা কমে ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে শ্রমিকের মজুরি ও কীটনাশকের খরচ মিটিয়ে বর্তমানে তারা কিছুই রক্ষা করতে পারছেন না।

বগুড়া থেকে আসা কাঁচা মরিচের ব্যবসায়ী সুজন মিয়া বলেন, এই হাটের মরিচ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায়। তবে এখন ভারতের মরিচ আমদানির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎ দাম পড়ে গেছে।

মোমিনপুর হাটের কমিটির সদস্য মামুনুর রশিদ জানান, এটি জেলার অন্যতম বড় কাঁচা মরিচের হাট। বছরব্যাপী এই হাটে ছয় থেকে সাত মাসের মধ্যে প্রায় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা কাঁচা মরিচের ব্যবসা হয়। তবে বর্তমানে দাম হ্রাস পাওয়ায় কৃষকদের ক্ষতি হবে।

জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আবহাওয়া ভালো থাকায় এই মৌসুমে কাঁচা মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। প্রথমে বাজারে দাম ছিল বেশি, তবে এখন কিছুটা কমে গেলেও কৃষকরা লাভের আশা করছেন। তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে সহায়তা দিচ্ছেন। বর্তমানে নওগাঁ জেলায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের চাষ হয়েছে।