০৯:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

নওগাঁর মোমনিপুর হাটে প্রতিমাসে আড়াই কোটি টাকার কাঁচা মরিচ বিক্রি

নওগাঁ জেলার মহাদেবপুরের মোমিনপুর বাজারে দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি কাঁচা মরিচের হাট বসে প্রতিদিন। এই হাটে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম বর্তমানে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, যা দুই দিন আগে ছিল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। অপ্রত্যাশিতভাবে দাম কমে গেলে কৃষকরা হতাশ হচ্ছেন, কারণ এর ফলে তারা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে কাঁচা মরিচের আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সপ্তাহের প্রতি দিনই Büh্যাতে বসে এই বাজার, যা বছরব্যাপী চলতে থাকে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস। এখানে প্রতিমাসে আড়াই কোটি টাকা থেকে আড়াই কোটি টাকার বেশি কাঁচা মরিচের কেনাবেচা হয়। এখানের মরিচ ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, চট্রগ্রাম, দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়।

মহাদেবপুরের কুঞ্জবন এলাকার কৃষক সোলেমান আলী ও গুলবর রহমান বলেন, এ বছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু দাম হঠাৎ পড়ে যাওয়ায় তাদের উৎপাদন খরচও উঠে আসবে না, এমনকি কিছু লাভও হবে না। তারা বলছেন, আগে প্রতি কেজি মরিচ ১৩০-১৫০ টাকায় বিক্রি করেছেন, এখন তা কমে ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে শ্রমিকের মজুরি ও কীটনাশকের খরচ মিটিয়ে বর্তমানে তারা কিছুই রক্ষা করতে পারছেন না।

বগুড়া থেকে আসা কাঁচা মরিচের ব্যবসায়ী সুজন মিয়া বলেন, এই হাটের মরিচ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায়। তবে এখন ভারতের মরিচ আমদানির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎ দাম পড়ে গেছে।

মোমিনপুর হাটের কমিটির সদস্য মামুনুর রশিদ জানান, এটি জেলার অন্যতম বড় কাঁচা মরিচের হাট। বছরব্যাপী এই হাটে ছয় থেকে সাত মাসের মধ্যে প্রায় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা কাঁচা মরিচের ব্যবসা হয়। তবে বর্তমানে দাম হ্রাস পাওয়ায় কৃষকদের ক্ষতি হবে।

জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আবহাওয়া ভালো থাকায় এই মৌসুমে কাঁচা মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। প্রথমে বাজারে দাম ছিল বেশি, তবে এখন কিছুটা কমে গেলেও কৃষকরা লাভের আশা করছেন। তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে সহায়তা দিচ্ছেন। বর্তমানে নওগাঁ জেলায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের চাষ হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

নওগাঁর মোমনিপুর হাটে প্রতিমাসে আড়াই কোটি টাকার কাঁচা মরিচ বিক্রি

প্রকাশিতঃ ১০:৫০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নওগাঁ জেলার মহাদেবপুরের মোমিনপুর বাজারে দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি কাঁচা মরিচের হাট বসে প্রতিদিন। এই হাটে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম বর্তমানে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, যা দুই দিন আগে ছিল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। অপ্রত্যাশিতভাবে দাম কমে গেলে কৃষকরা হতাশ হচ্ছেন, কারণ এর ফলে তারা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে কাঁচা মরিচের আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সপ্তাহের প্রতি দিনই Büh্যাতে বসে এই বাজার, যা বছরব্যাপী চলতে থাকে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস। এখানে প্রতিমাসে আড়াই কোটি টাকা থেকে আড়াই কোটি টাকার বেশি কাঁচা মরিচের কেনাবেচা হয়। এখানের মরিচ ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, চট্রগ্রাম, দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়।

মহাদেবপুরের কুঞ্জবন এলাকার কৃষক সোলেমান আলী ও গুলবর রহমান বলেন, এ বছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু দাম হঠাৎ পড়ে যাওয়ায় তাদের উৎপাদন খরচও উঠে আসবে না, এমনকি কিছু লাভও হবে না। তারা বলছেন, আগে প্রতি কেজি মরিচ ১৩০-১৫০ টাকায় বিক্রি করেছেন, এখন তা কমে ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে শ্রমিকের মজুরি ও কীটনাশকের খরচ মিটিয়ে বর্তমানে তারা কিছুই রক্ষা করতে পারছেন না।

বগুড়া থেকে আসা কাঁচা মরিচের ব্যবসায়ী সুজন মিয়া বলেন, এই হাটের মরিচ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায়। তবে এখন ভারতের মরিচ আমদানির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎ দাম পড়ে গেছে।

মোমিনপুর হাটের কমিটির সদস্য মামুনুর রশিদ জানান, এটি জেলার অন্যতম বড় কাঁচা মরিচের হাট। বছরব্যাপী এই হাটে ছয় থেকে সাত মাসের মধ্যে প্রায় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা কাঁচা মরিচের ব্যবসা হয়। তবে বর্তমানে দাম হ্রাস পাওয়ায় কৃষকদের ক্ষতি হবে।

জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আবহাওয়া ভালো থাকায় এই মৌসুমে কাঁচা মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। প্রথমে বাজারে দাম ছিল বেশি, তবে এখন কিছুটা কমে গেলেও কৃষকরা লাভের আশা করছেন। তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে সহায়তা দিচ্ছেন। বর্তমানে নওগাঁ জেলায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের চাষ হয়েছে।