০২:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা বিপজ্জনক কন্টেইনারগুলোর পরিবেশগত ধ্বংস সম্পন্ন

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘসময় ধরে রাখা ১৯টি বিপজ্জনক পণ্যবাহী কন্টেইনারের নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত ধ্বংস কার্যক্রম অবশেষে সম্পন্ন হয়েছে। এই বিশাল কাজের নেতৃত্বে ছিলেন জনাব মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক), চট্টগ্রাম বিভাগ। তিনি বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেন, যাতে পরিবেশের ক্ষতি এড়ানো ও বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

ধ্বংসকরণের এই কর্মসূচি চলেছে ২৫ অক্টোবর ২০২৫, শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু করে ২৬ অক্টোবর ২০২৫, রবিবার রাতে ৯:৩০ পর্যন্ত অবিচ্ছিন্নভাবে। এ সময় ফায়ার সার্ভিস, সিভিল ডিফেন্স, আনসার সদস্যরা, স্থানীয় বন্দর থানার পুলিশও উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তা ও সহায়তার জন্য তারা কাজের সঙ্গে ছিল।

ধ্বংস করা পণ্যের তালিকায় রয়েছে চারটি মূল উপাদান: ইউনকোটেড ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (১৬ কন্টেইনার), অরেঞ্জ ইমালসন (১ কন্টেইনার), সুইট হুই পাউডার (১ কন্টেইনার) এবং স্কিমড মিল্ক পাউডার (১ কন্টেইনার)। এসব পণ্য বহুদিন ধরে বন্দরে পড়ে থাকায় ঝুঁকি সৃষ্টি করছিল, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারতো।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছর অক্টোবরে চট্টগ্রাম কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে ১৪ বছর ধরে পড়ে থাকা চারটি অতিমাত্রায় দাহ্য হ্যাজার্ড কন্টেইনার সফলভাবে পরিবেশবান্ধব উপায়ে ধ্বংস করে বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

বন্দরে কন্টেইনারের জট কমানোর লক্ষ্যে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এ ধরনের কার্যক্রমের উপর গুরুত্ব দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা প্রায় ৬,০৬৯টি কন্টেইনারের তালিকা প্রস্তুত করে, দ্রুত নিলামের মাধ্যমে মালামাল বিক্রি করে এর মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রম আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে বলে তারা আশাবাদী।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা ও কার্যক্রমের স্বার্থে, সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সহযোগিতায় ভবিষ্যতেও এই ধরনের বিপজ্জনক পণ্যগুলো দ্রুত ও পর্যায়ক্রমে ধ্বংসের কাজ চালিয়ে যেতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগগুলো বন্দরের নিরাপত্তা, পরিবেশ রক্ষা ও সার্বিক উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে কাজ করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা বিপজ্জনক কন্টেইনারগুলোর পরিবেশগত ধ্বংস সম্পন্ন

প্রকাশিতঃ ১১:৫৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘসময় ধরে রাখা ১৯টি বিপজ্জনক পণ্যবাহী কন্টেইনারের নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত ধ্বংস কার্যক্রম অবশেষে সম্পন্ন হয়েছে। এই বিশাল কাজের নেতৃত্বে ছিলেন জনাব মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক), চট্টগ্রাম বিভাগ। তিনি বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেন, যাতে পরিবেশের ক্ষতি এড়ানো ও বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

ধ্বংসকরণের এই কর্মসূচি চলেছে ২৫ অক্টোবর ২০২৫, শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু করে ২৬ অক্টোবর ২০২৫, রবিবার রাতে ৯:৩০ পর্যন্ত অবিচ্ছিন্নভাবে। এ সময় ফায়ার সার্ভিস, সিভিল ডিফেন্স, আনসার সদস্যরা, স্থানীয় বন্দর থানার পুলিশও উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তা ও সহায়তার জন্য তারা কাজের সঙ্গে ছিল।

ধ্বংস করা পণ্যের তালিকায় রয়েছে চারটি মূল উপাদান: ইউনকোটেড ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (১৬ কন্টেইনার), অরেঞ্জ ইমালসন (১ কন্টেইনার), সুইট হুই পাউডার (১ কন্টেইনার) এবং স্কিমড মিল্ক পাউডার (১ কন্টেইনার)। এসব পণ্য বহুদিন ধরে বন্দরে পড়ে থাকায় ঝুঁকি সৃষ্টি করছিল, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারতো।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছর অক্টোবরে চট্টগ্রাম কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে ১৪ বছর ধরে পড়ে থাকা চারটি অতিমাত্রায় দাহ্য হ্যাজার্ড কন্টেইনার সফলভাবে পরিবেশবান্ধব উপায়ে ধ্বংস করে বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

বন্দরে কন্টেইনারের জট কমানোর লক্ষ্যে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এ ধরনের কার্যক্রমের উপর গুরুত্ব দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা প্রায় ৬,০৬৯টি কন্টেইনারের তালিকা প্রস্তুত করে, দ্রুত নিলামের মাধ্যমে মালামাল বিক্রি করে এর মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রম আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে বলে তারা আশাবাদী।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা ও কার্যক্রমের স্বার্থে, সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সহযোগিতায় ভবিষ্যতেও এই ধরনের বিপজ্জনক পণ্যগুলো দ্রুত ও পর্যায়ক্রমে ধ্বংসের কাজ চালিয়ে যেতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগগুলো বন্দরের নিরাপত্তা, পরিবেশ রক্ষা ও সার্বিক উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে কাজ করবে।